ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

সোমবার থেকে কর্ণফুলীর দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু : ভুমি মন্ত্রী জাবেদ

  • আপডেট সময় : ০৫:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
  • / 390
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

দখল হয়ে যাওয়া কর্ণফুলী নদীর দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অবশেষে অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। সোমবার থেকে এ অভিযান শুরু হবে।

গত বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সংক্রান্ত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন, কর্ণফুলী নদীর দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টের একটি আদেশ রয়েছে। কিন্তু অর্থ বরাদ্দের অভাবে এতদিন উচ্ছেদ অভিযান শুরু করতে পারেনি জেলা প্রশাসন।
তিনি বলেন, ভূমিমন্ত্রীর অর্থ বরাদ্দের আশ্বাসে আমরা উচ্ছেদ অভিযানে যাচ্ছি। আগামি সোমবার থেকে কর্ণফুলীর দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করা হবে।

প্রসংগত ২০১০ সালের ১৮ জুলাই পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস পিস ফর বাংলাদেশ এর পক্ষে জনস্বার্থে হাই কোর্টে একটি রিট আবেদনে করা হয়। এর প্রেক্ষিতে হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ কর্ণফুলী নদী দখল, মাটি ভরাট ও নদীতে সব ধরনের স্থাপনা নির্মাণ বন্ধের নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনকে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে নদীর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

আদালতের নির্দেশের পর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ২০১৪ সালের ৯ নভেম্বর কর্ণফুলীর দুই তীরে সীমানা নির্ধারণের কাজ শুরু করে। নগরের নেভাল অ্যাকাডেমি সংলগ্ন নদীর মোহনা থেকে মোহরা এলাকা পর্যন্ত অংশে ২০১৫ সালে জরিপের কাজ শেষ করা হয়।
জরিপে নদীর দুই তীরে প্রায় আড়াই হাজার অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করে জেলা প্রশাসন। প্রতিবেদনটি ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর উচ্চ আদালতে দাখিল করা হয়।

এরপর ২০১৬ সালের ১৬ অগাস্ট হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ কর্ণফুলীর দুই তীরে গড়ে ওঠা স্থাপনা সরাতে ৯০ দিনের সময় বেঁধে দেয়। ২০১৭ সালের ২৫ নভেম্বর উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এক কোটি ২০ লাখ টাকা অর্থ বরাদ্দ চেয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

এদিকে শনিবার বিকেলে নগরীর সদরঘাট পয়েন্টে উচ্ছেদ অভিযানের কার্যক্রম পরিদর্শন করতে এসে ভুমি মন্ত্রী সাইফুজ্জমান চৌধুরী জাবেদ সাংবাদিকদের বলেন সরকারের চেয়ে প্রভাবশালী কেউ নাই। যারা দখল করে অবৈধ স্থাপনা করেছে তাদের উচ্ছেদ করা হবে। না হলে কাল থেকে সব ভেঙে ফেলা হবে। দখলদার যত প্রভাবশালী হোক জায়গা থেকে সরতে হবে। কর্ণফুলী বাঁচলে চট্টগ্রাম বাঁচবে তাই কর্ণফুলীকে রক্ষা করতে উচ্ছেদ অভিযান চলবে। এসময় জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেন, উচ্ছেদ কার্যক্রমের সমন্বয়ক তাহমিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সোমবার থেকে কর্ণফুলীর দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু : ভুমি মন্ত্রী জাবেদ

আপডেট সময় : ০৫:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

দখল হয়ে যাওয়া কর্ণফুলী নদীর দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অবশেষে অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। সোমবার থেকে এ অভিযান শুরু হবে।

গত বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সংক্রান্ত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন, কর্ণফুলী নদীর দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টের একটি আদেশ রয়েছে। কিন্তু অর্থ বরাদ্দের অভাবে এতদিন উচ্ছেদ অভিযান শুরু করতে পারেনি জেলা প্রশাসন।
তিনি বলেন, ভূমিমন্ত্রীর অর্থ বরাদ্দের আশ্বাসে আমরা উচ্ছেদ অভিযানে যাচ্ছি। আগামি সোমবার থেকে কর্ণফুলীর দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করা হবে।

প্রসংগত ২০১০ সালের ১৮ জুলাই পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস পিস ফর বাংলাদেশ এর পক্ষে জনস্বার্থে হাই কোর্টে একটি রিট আবেদনে করা হয়। এর প্রেক্ষিতে হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ কর্ণফুলী নদী দখল, মাটি ভরাট ও নদীতে সব ধরনের স্থাপনা নির্মাণ বন্ধের নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনকে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে নদীর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

আদালতের নির্দেশের পর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ২০১৪ সালের ৯ নভেম্বর কর্ণফুলীর দুই তীরে সীমানা নির্ধারণের কাজ শুরু করে। নগরের নেভাল অ্যাকাডেমি সংলগ্ন নদীর মোহনা থেকে মোহরা এলাকা পর্যন্ত অংশে ২০১৫ সালে জরিপের কাজ শেষ করা হয়।
জরিপে নদীর দুই তীরে প্রায় আড়াই হাজার অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করে জেলা প্রশাসন। প্রতিবেদনটি ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর উচ্চ আদালতে দাখিল করা হয়।

এরপর ২০১৬ সালের ১৬ অগাস্ট হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ কর্ণফুলীর দুই তীরে গড়ে ওঠা স্থাপনা সরাতে ৯০ দিনের সময় বেঁধে দেয়। ২০১৭ সালের ২৫ নভেম্বর উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এক কোটি ২০ লাখ টাকা অর্থ বরাদ্দ চেয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

এদিকে শনিবার বিকেলে নগরীর সদরঘাট পয়েন্টে উচ্ছেদ অভিযানের কার্যক্রম পরিদর্শন করতে এসে ভুমি মন্ত্রী সাইফুজ্জমান চৌধুরী জাবেদ সাংবাদিকদের বলেন সরকারের চেয়ে প্রভাবশালী কেউ নাই। যারা দখল করে অবৈধ স্থাপনা করেছে তাদের উচ্ছেদ করা হবে। না হলে কাল থেকে সব ভেঙে ফেলা হবে। দখলদার যত প্রভাবশালী হোক জায়গা থেকে সরতে হবে। কর্ণফুলী বাঁচলে চট্টগ্রাম বাঁচবে তাই কর্ণফুলীকে রক্ষা করতে উচ্ছেদ অভিযান চলবে। এসময় জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেন, উচ্ছেদ কার্যক্রমের সমন্বয়ক তাহমিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস