ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

হৃদযন্ত্রের জটিলতা, দোয়া চাইলেন হায়দার হোসেন

  • আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪
  • / 138
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি


বিনোদন প্রতিবেদক

দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, সুরকার ও গীতিকার হায়দার হোসেন। হৃদযন্ত্রের জটিলতা নিয়ে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।

কিছুটা সুস্থবোধ করায় বুধবার (২৬ জুন) সকালে তিনি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন গায়ক নিজেই।

তার কথায়, আগের থেকে এখন অনেকটাই সুস্থ আছি। সকালে হাসপাতাল থেকে মেয়ের বাসায় ফিরেছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

জীবনমুখী গানের এই গায়ক জানান, তার হৃদযন্ত্রে একটি রিং (করোনারি স্টেন্ট) পরানো হয়েছে। ৬০ বছর বয়সী এই গায়ক দীর্ঘদিন ধরেই হৃদযন্ত্রের জটিলতায় ভুগছেন। এর আগেও চারটি রিং পরানো হয়েছে। হৃদরোগ ছাড়াও ডায়াবেটিসে ভুগছেন তিনি।

উল্লেখ্য, জীবনমুখী গান গেয়ে শ্রোতামহলে বেশ জনপ্রিয়তা পান সংগীতশিল্পী হায়দার হোসেন। তার গানে আলোচনা-সমালোচনা দুটোই থাকে। তার গাওয়া উল্লেখযোগ্য গানগুলোর তালিকায় আছে- ‘আমি ফাইসা গেছি’, ‘তিরিশ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি’ ইত্যাদি।

বিডিসংবাদ/আতে

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হৃদযন্ত্রের জটিলতা, দোয়া চাইলেন হায়দার হোসেন

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪


বিনোদন প্রতিবেদক

দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, সুরকার ও গীতিকার হায়দার হোসেন। হৃদযন্ত্রের জটিলতা নিয়ে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।

কিছুটা সুস্থবোধ করায় বুধবার (২৬ জুন) সকালে তিনি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন গায়ক নিজেই।

তার কথায়, আগের থেকে এখন অনেকটাই সুস্থ আছি। সকালে হাসপাতাল থেকে মেয়ের বাসায় ফিরেছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

জীবনমুখী গানের এই গায়ক জানান, তার হৃদযন্ত্রে একটি রিং (করোনারি স্টেন্ট) পরানো হয়েছে। ৬০ বছর বয়সী এই গায়ক দীর্ঘদিন ধরেই হৃদযন্ত্রের জটিলতায় ভুগছেন। এর আগেও চারটি রিং পরানো হয়েছে। হৃদরোগ ছাড়াও ডায়াবেটিসে ভুগছেন তিনি।

উল্লেখ্য, জীবনমুখী গান গেয়ে শ্রোতামহলে বেশ জনপ্রিয়তা পান সংগীতশিল্পী হায়দার হোসেন। তার গানে আলোচনা-সমালোচনা দুটোই থাকে। তার গাওয়া উল্লেখযোগ্য গানগুলোর তালিকায় আছে- ‘আমি ফাইসা গেছি’, ‘তিরিশ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি’ ইত্যাদি।

বিডিসংবাদ/আতে