ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: বিস্তারিত তথ্যের জন্য চিঠি কনস্যুলেটের ঢাকা ও চট্টগ্রামে ৩ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ মুচলেকা দিয়ে দিল্লির আদালত থেকে মুক্তি পেলেন অভিজিৎ দীপকে ঢাবিতে ১০৭ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী পেলেন সাদা ছড়ি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে সরকার: প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা পরিদর্শনে আনসার মহাপরিচালক নিরাপত্তাজনিত কারণে রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান কোডশেয়ার চুক্তিতে যুক্ত হচ্ছে থাই ও লট পোলিশ এয়ারওয়েজ শূন্যে ভাসবে টেসলার নতুন রোডস্টার, চমক দিলেন ইলন মাস্ক আড়াইহাজারে অস্ত্র ঠেকিয়ে মোটরসাইকেল ও টাকা সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায়

৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি লাভ করায় দিনাজপুরে আনন্দ মুখরিত শোভাযাত্রা

  • আপডেট সময় : ০৪:৫৯:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৭
  • / 181
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর “মেমোরি অব দ্য’ ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টার” এ অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বিশ্বগ্রামাণ্য ঐতিহ্য’র স্বীকৃতি লাভ করায় ২৫ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০টায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত জাতীয় কর্মসুচির আলোকে সুশৃঙ্খল, সুসজ্জিত, বর্ণাঢ্য ও শান্তিপূর্ণ আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

শোভাযাত্রায় আপামর জনতা ও বিভিন্ন সংগঠন বর্নাঢ্য র‌্যালী  আনন্দ শোভাযাত্রা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল বজ্রকণ্ঠে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ। এ ভাষণ শোনার পর মুক্তিযোদ্ধারা রণক্ষেত্রে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ শ্লোগানে ফেটে পড়ত এবং উজ্জীবিত হতো নতুন করে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ত। সত্যিকার অর্থে ১৯৭১ এর ৭ মার্চ থেকে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি মানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পর্যন্ত একটিই কমান্ড ছিল, আর তা ছিল ৭ মার্চের ভাষণ। এ ভাষণের জন্যই মুক্তিযুদ্ধকালীন বাঙালি জাতি টের পায়নি বঙ্গবন্ধুর শারীরিক অনুপস্থিতি। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণই একমাত্র ভাষণ যার মধ্য দিয়ে গোটা বাঙালি জাতি সব দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, সন্দেহ, অবিশ্বাস ঝেড়ে স্বাধীনতার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়। একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে। সুতরাং বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণই হচ্ছে বিশ্বের সেরা ভাষণ। স্বাধীনতাকামী মানুষের মুক্তির সনদ।

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ আগেই বিশ্বখ্যাতি পেলেও এবার ইউনেস্কোর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যে অন্তর্ভূক্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সুদৃঢ় হ’লো। গত ৩০ অক্টোবর’১৭ ইউনেস্কোর ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুরু ভাষণকে বিশ্বা প্রাধান্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের আন্তর্জাতিক রেজিষ্ট্রার স্মৃতিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে মেমোরি অব ওয়ার্ল্ড রেজিষ্টারে সব  মহাদেশ থেকে ৪২৭টি প্রামান্য দলিল ও সংগ্রহ তালিকাভূক্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ভাষণ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

২৫ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০টায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত জাতীয় কর্মসুচির আলোকে সুশৃঙ্খল, সুসজ্জিত, বর্ণাঢ্য ও শান্তিপূর্ণ আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি লাভ করায় দিনাজপুরে আনন্দ মুখরিত শোভাযাত্রা

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৭

দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর “মেমোরি অব দ্য’ ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টার” এ অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বিশ্বগ্রামাণ্য ঐতিহ্য’র স্বীকৃতি লাভ করায় ২৫ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০টায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত জাতীয় কর্মসুচির আলোকে সুশৃঙ্খল, সুসজ্জিত, বর্ণাঢ্য ও শান্তিপূর্ণ আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

শোভাযাত্রায় আপামর জনতা ও বিভিন্ন সংগঠন বর্নাঢ্য র‌্যালী  আনন্দ শোভাযাত্রা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল বজ্রকণ্ঠে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ। এ ভাষণ শোনার পর মুক্তিযোদ্ধারা রণক্ষেত্রে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ শ্লোগানে ফেটে পড়ত এবং উজ্জীবিত হতো নতুন করে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ত। সত্যিকার অর্থে ১৯৭১ এর ৭ মার্চ থেকে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি মানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পর্যন্ত একটিই কমান্ড ছিল, আর তা ছিল ৭ মার্চের ভাষণ। এ ভাষণের জন্যই মুক্তিযুদ্ধকালীন বাঙালি জাতি টের পায়নি বঙ্গবন্ধুর শারীরিক অনুপস্থিতি। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণই একমাত্র ভাষণ যার মধ্য দিয়ে গোটা বাঙালি জাতি সব দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, সন্দেহ, অবিশ্বাস ঝেড়ে স্বাধীনতার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়। একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে। সুতরাং বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণই হচ্ছে বিশ্বের সেরা ভাষণ। স্বাধীনতাকামী মানুষের মুক্তির সনদ।

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ আগেই বিশ্বখ্যাতি পেলেও এবার ইউনেস্কোর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যে অন্তর্ভূক্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সুদৃঢ় হ’লো। গত ৩০ অক্টোবর’১৭ ইউনেস্কোর ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুরু ভাষণকে বিশ্বা প্রাধান্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের আন্তর্জাতিক রেজিষ্ট্রার স্মৃতিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে মেমোরি অব ওয়ার্ল্ড রেজিষ্টারে সব  মহাদেশ থেকে ৪২৭টি প্রামান্য দলিল ও সংগ্রহ তালিকাভূক্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ভাষণ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

২৫ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০টায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত জাতীয় কর্মসুচির আলোকে সুশৃঙ্খল, সুসজ্জিত, বর্ণাঢ্য ও শান্তিপূর্ণ আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।