ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদিতে কঠোর বিধিনিষেধ: ১০৩ ফ্লাইটে বিপাকে ১৫ হাজার যাত্রী ইরানে জিবিইউ-৪৩/বি বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা মার্কিন বাহিনীর মোজাম্বিক থেকে দেশে ফিরল প্রবাসী জসিমের মৃত অবস্থায় পাওয়া পেশোয়ারে স্কুলের ছাদ ধসে ২৯ জনের প্রাণহানি আইএমএফের ঋণ পেতে পূরণ করতে হবে নির্দিষ্ট শর্ত: অর্থমন্ত্রী ফেনীর ফাজিলপুরে ১৯ নভেম্বর বিনামূল্যে রোগী দেখবেন অধ্যাপক ডা. কাজী দ্বীন মোহাম্মদ আরামকোর সদর দপ্তর ও রিয়াদে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মুম্বাই পুলিশের নোটিশে দেশ ছাড়ার নির্দেশ পেলেন অভিনেতা ইমরান নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে রোনেন বারের মানহানির মামলা নওগাঁয় বাসে ৬৪০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক ১

ভূমি প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ৩ কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজ

  • আপডেট সময় : ১১:৩১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 216
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

দূর্নীতি আর অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহন শাখার তিন কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। আজ রবিবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় গিয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক তিনি এ নির্দেশনা দেন।

স্ট্যান্ডরিলিজ হওয়া ৩ জন জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার চেইনম্যান আহমদ করিম, নজরুল ইসলাম ও মো. হানিফ।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আবদুল জলিলকে ওই তিন চেইনম্যানকে স্ট্যান্ডরিলিজ করার বিষয়টি তাকে নিশ্চিত করতে বলেন।

জানাগেছে, দুপুর পৌনে ১২টায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার বিভিন্ন কক্ষে গিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে কথা বলেন এবং বিভিন্ন মামলার ফাইল সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রীকে দেখেই মনছুর আলী নামের একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বলেন, ‘স্যার আমি কয়েকটি কথা বলতে চাই’ উত্তরে ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলে উঠলেন ‘আমি আপনাদের সাথেই কথা বলতে ও শুনানি করতে এসেছি। কোন হয়রানির শিকার হচ্ছেন না তো?’ উত্তরে মনছুর আলী বলেন, ‘আমি গত এক বছর ধরে এখানে একটি ফাইল নিয়ে ঘুরছি। এক টেবিল থেকে আরেক টেবিলে ফাইল নিতে টাকা দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোন ফাইল নড়ে না। ইতোমধ্যে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা দিয়েছি। কিন্তু এখনও কাজ হয়নি।

তিনি বলেন, প্রথমে আইয়ুব নামের এক কর্মচারীর কাছে ফাইল ছিল। তাকে টাকা পয়সা দিয়ে ম্যানেজ করে বর্তমানে সৈকত চাকমা ও মোবারক নামের দুই কর্মচারীর কাছে আমার ফাইলটি আছে।’ তখন পাশে থাকা সাইফুর নামের আরেক ভুক্তভোগী ভূমি প্রতিমন্ত্রীকে উদ্দেশ্যে করে বলেন ‘আমি মিস মামলার জন্য এ অফিসের কর্মচারী করিম ও নজরুলকে অনেক টাকা দিয়েছি। কিন্তু তবুও তারা আমার ফাইলটি আটকিয়ে রেখেছে। যতবার আসি ততবার টাকা দিতে হয় তাদের।

গত ৭ মাস থেকে এ ফাইল নিয়ে ঘুরছি। কোন সুরাহা পাচ্ছি না।’ তখন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মো. সাইফুজ্জামান চৌধুরী ভুক্তভোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন ফাইল আটকে থাকার সত্যতা পান। এবং সাথে সাথে তিন কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভূমি প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ৩ কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজ

আপডেট সময় : ১১:৩১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

দূর্নীতি আর অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহন শাখার তিন কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। আজ রবিবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় গিয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক তিনি এ নির্দেশনা দেন।

স্ট্যান্ডরিলিজ হওয়া ৩ জন জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার চেইনম্যান আহমদ করিম, নজরুল ইসলাম ও মো. হানিফ।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আবদুল জলিলকে ওই তিন চেইনম্যানকে স্ট্যান্ডরিলিজ করার বিষয়টি তাকে নিশ্চিত করতে বলেন।

জানাগেছে, দুপুর পৌনে ১২টায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার বিভিন্ন কক্ষে গিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে কথা বলেন এবং বিভিন্ন মামলার ফাইল সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রীকে দেখেই মনছুর আলী নামের একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বলেন, ‘স্যার আমি কয়েকটি কথা বলতে চাই’ উত্তরে ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলে উঠলেন ‘আমি আপনাদের সাথেই কথা বলতে ও শুনানি করতে এসেছি। কোন হয়রানির শিকার হচ্ছেন না তো?’ উত্তরে মনছুর আলী বলেন, ‘আমি গত এক বছর ধরে এখানে একটি ফাইল নিয়ে ঘুরছি। এক টেবিল থেকে আরেক টেবিলে ফাইল নিতে টাকা দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোন ফাইল নড়ে না। ইতোমধ্যে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা দিয়েছি। কিন্তু এখনও কাজ হয়নি।

তিনি বলেন, প্রথমে আইয়ুব নামের এক কর্মচারীর কাছে ফাইল ছিল। তাকে টাকা পয়সা দিয়ে ম্যানেজ করে বর্তমানে সৈকত চাকমা ও মোবারক নামের দুই কর্মচারীর কাছে আমার ফাইলটি আছে।’ তখন পাশে থাকা সাইফুর নামের আরেক ভুক্তভোগী ভূমি প্রতিমন্ত্রীকে উদ্দেশ্যে করে বলেন ‘আমি মিস মামলার জন্য এ অফিসের কর্মচারী করিম ও নজরুলকে অনেক টাকা দিয়েছি। কিন্তু তবুও তারা আমার ফাইলটি আটকিয়ে রেখেছে। যতবার আসি ততবার টাকা দিতে হয় তাদের।

গত ৭ মাস থেকে এ ফাইল নিয়ে ঘুরছি। কোন সুরাহা পাচ্ছি না।’ তখন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মো. সাইফুজ্জামান চৌধুরী ভুক্তভোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন ফাইল আটকে থাকার সত্যতা পান। এবং সাথে সাথে তিন কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দেন।