ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভূমি প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ৩ কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজ

  • আপডেট সময় : ১১:৩১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 206
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

দূর্নীতি আর অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহন শাখার তিন কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। আজ রবিবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় গিয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক তিনি এ নির্দেশনা দেন।

স্ট্যান্ডরিলিজ হওয়া ৩ জন জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার চেইনম্যান আহমদ করিম, নজরুল ইসলাম ও মো. হানিফ।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আবদুল জলিলকে ওই তিন চেইনম্যানকে স্ট্যান্ডরিলিজ করার বিষয়টি তাকে নিশ্চিত করতে বলেন।

জানাগেছে, দুপুর পৌনে ১২টায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার বিভিন্ন কক্ষে গিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে কথা বলেন এবং বিভিন্ন মামলার ফাইল সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রীকে দেখেই মনছুর আলী নামের একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বলেন, ‘স্যার আমি কয়েকটি কথা বলতে চাই’ উত্তরে ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলে উঠলেন ‘আমি আপনাদের সাথেই কথা বলতে ও শুনানি করতে এসেছি। কোন হয়রানির শিকার হচ্ছেন না তো?’ উত্তরে মনছুর আলী বলেন, ‘আমি গত এক বছর ধরে এখানে একটি ফাইল নিয়ে ঘুরছি। এক টেবিল থেকে আরেক টেবিলে ফাইল নিতে টাকা দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোন ফাইল নড়ে না। ইতোমধ্যে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা দিয়েছি। কিন্তু এখনও কাজ হয়নি।

তিনি বলেন, প্রথমে আইয়ুব নামের এক কর্মচারীর কাছে ফাইল ছিল। তাকে টাকা পয়সা দিয়ে ম্যানেজ করে বর্তমানে সৈকত চাকমা ও মোবারক নামের দুই কর্মচারীর কাছে আমার ফাইলটি আছে।’ তখন পাশে থাকা সাইফুর নামের আরেক ভুক্তভোগী ভূমি প্রতিমন্ত্রীকে উদ্দেশ্যে করে বলেন ‘আমি মিস মামলার জন্য এ অফিসের কর্মচারী করিম ও নজরুলকে অনেক টাকা দিয়েছি। কিন্তু তবুও তারা আমার ফাইলটি আটকিয়ে রেখেছে। যতবার আসি ততবার টাকা দিতে হয় তাদের।

গত ৭ মাস থেকে এ ফাইল নিয়ে ঘুরছি। কোন সুরাহা পাচ্ছি না।’ তখন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মো. সাইফুজ্জামান চৌধুরী ভুক্তভোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন ফাইল আটকে থাকার সত্যতা পান। এবং সাথে সাথে তিন কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভূমি প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ৩ কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজ

আপডেট সময় : ১১:৩১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

দূর্নীতি আর অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহন শাখার তিন কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। আজ রবিবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় গিয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক তিনি এ নির্দেশনা দেন।

স্ট্যান্ডরিলিজ হওয়া ৩ জন জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার চেইনম্যান আহমদ করিম, নজরুল ইসলাম ও মো. হানিফ।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আবদুল জলিলকে ওই তিন চেইনম্যানকে স্ট্যান্ডরিলিজ করার বিষয়টি তাকে নিশ্চিত করতে বলেন।

জানাগেছে, দুপুর পৌনে ১২টায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার বিভিন্ন কক্ষে গিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে কথা বলেন এবং বিভিন্ন মামলার ফাইল সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রীকে দেখেই মনছুর আলী নামের একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বলেন, ‘স্যার আমি কয়েকটি কথা বলতে চাই’ উত্তরে ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলে উঠলেন ‘আমি আপনাদের সাথেই কথা বলতে ও শুনানি করতে এসেছি। কোন হয়রানির শিকার হচ্ছেন না তো?’ উত্তরে মনছুর আলী বলেন, ‘আমি গত এক বছর ধরে এখানে একটি ফাইল নিয়ে ঘুরছি। এক টেবিল থেকে আরেক টেবিলে ফাইল নিতে টাকা দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোন ফাইল নড়ে না। ইতোমধ্যে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা দিয়েছি। কিন্তু এখনও কাজ হয়নি।

তিনি বলেন, প্রথমে আইয়ুব নামের এক কর্মচারীর কাছে ফাইল ছিল। তাকে টাকা পয়সা দিয়ে ম্যানেজ করে বর্তমানে সৈকত চাকমা ও মোবারক নামের দুই কর্মচারীর কাছে আমার ফাইলটি আছে।’ তখন পাশে থাকা সাইফুর নামের আরেক ভুক্তভোগী ভূমি প্রতিমন্ত্রীকে উদ্দেশ্যে করে বলেন ‘আমি মিস মামলার জন্য এ অফিসের কর্মচারী করিম ও নজরুলকে অনেক টাকা দিয়েছি। কিন্তু তবুও তারা আমার ফাইলটি আটকিয়ে রেখেছে। যতবার আসি ততবার টাকা দিতে হয় তাদের।

গত ৭ মাস থেকে এ ফাইল নিয়ে ঘুরছি। কোন সুরাহা পাচ্ছি না।’ তখন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মো. সাইফুজ্জামান চৌধুরী ভুক্তভোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন ফাইল আটকে থাকার সত্যতা পান। এবং সাথে সাথে তিন কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দেন।