ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তরুণদের বিক্ষোভে কি নড়বড়ে হচ্ছে মোদির রাজনৈতিক ভাবমূর্তি? সৌদিতে বিমানবন্দর বন্ধ: ঢাকা থেকে ১০৭ ফ্লাইট বাতিল রাষ্ট্রসংস্কার প্রক্রিয়া ক্ষমতার রাজনীতিতে জিম্মি: টিআইবি সৌদি ফ্লাইট সংকট: কর্মস্থলে ফিরতে হিমশিম খাচ্ছেন প্রবাসী কর্মীরা দিল্লিতে ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন তরুণ ভোটাররা দিল্লিতে ‘তেরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচির আগে আটক অভিজিৎ দীপকে শ্রীপুরে পরিত্যক্ত বোতল কুড়িয়ে বিপত্তি সাবেক এসবি প্রধান মনিরুলের পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ সৌদিতে হামলার ঘটনায় আটকে পড়া পাবনার ৫০ যাত্রী দেশে

৩৮ দিনে বজ্রপাতে ৩৫ কৃষকসহ ৭৪ জনের মৃত্যু

  • আপডেট সময় : ১১:০৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪
  • / 276
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

গত ৩৮ দিনে বজ্রপাতে ৩৫ জন কৃষকসহ অন্তত ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম (এসএসটিএফ)।

এসএসটিএফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে বজ্রপাতে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ২০ জন ও নারী ১১ জন। চলতি মাসের ১-৮ মে পর্যন্ত বজ্রপাতে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৪ জন পুরুষ এবং ৯ জন নারী।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এসএসটিএফের গবেষণা সেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসে একদিনে বজ্রপাতে ১১ জন নিহত ও ৯ জন আহত হয়েছে।

পাশাপাশি বজ্রপাতের ক্ষেত্রে কৃষকরা কিভাবে নিজেদের নিরাপদ রাখতে পারেন- সে বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

সংগঠনের সদস্যরা সম্প্রতি মানিকগঞ্জের সিংগাইর, মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান, ঢাকার নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিদর্শন করেন। এ সময় ৫০০ জন করে কৃষক নিয়ে দল তৈরি করে বজ্রপাত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা বজ্রপাতের হাত থেকে কৃষকদের বাঁচাতে মাঠে আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।

এছাড়াও মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত চার মাস বজ্রপাত সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এসএসটিএফ।

কৃষকদের কিছু পরামর্শও দিয়েছে সংগঠনটি। এগুলো হলো-

  • মাঠে কাজ করার সময় আকাশে কালো মেঘ দেখে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়া।
  • বৃষ্টির সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেয়া থেকে বিরত থাকা।
  • খোলা আকাশের নিচে কাজ করার সময় জুতা পরতে হবে।
  • বজ্রপাতের সময় মাঠে কাজ করার সময় শুয়ে পড়ুন।

বজ্রপাত বাড়ার পেছনে দুটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানান ফোরামের সভাপতি ড. কবিরুল বাশার। তিনি বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে গাছ কাটা, বিশেষ করে মাঠে উঁচু গাছ কাটা।

তিনি বলেন, গাছপালা না থাকলে মাঠে বা খোলা জায়গায় বজ্রপাত মানুষের ওপর আঘাত হানে। অধিকাংশ মানুষ মনে করেন ঝড়ের সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেয়াই ভালো। কিন্তু এটা ভুল। মানুষকে ঘরবাড়ি বা স্থাপনায় আশ্রয় নিতে হয়।

সরকার হাওর অঞ্চল ও উন্মুক্ত এলাকায় বজ্রনিরোধ যন্ত্র স্থাপনের উদ্যোগ নিতে পারে বলে পরামর্শ দেন কবিরুল বাশার। সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

৩৮ দিনে বজ্রপাতে ৩৫ কৃষকসহ ৭৪ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১১:০৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

গত ৩৮ দিনে বজ্রপাতে ৩৫ জন কৃষকসহ অন্তত ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম (এসএসটিএফ)।

এসএসটিএফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে বজ্রপাতে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ২০ জন ও নারী ১১ জন। চলতি মাসের ১-৮ মে পর্যন্ত বজ্রপাতে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৪ জন পুরুষ এবং ৯ জন নারী।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এসএসটিএফের গবেষণা সেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসে একদিনে বজ্রপাতে ১১ জন নিহত ও ৯ জন আহত হয়েছে।

পাশাপাশি বজ্রপাতের ক্ষেত্রে কৃষকরা কিভাবে নিজেদের নিরাপদ রাখতে পারেন- সে বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

সংগঠনের সদস্যরা সম্প্রতি মানিকগঞ্জের সিংগাইর, মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান, ঢাকার নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিদর্শন করেন। এ সময় ৫০০ জন করে কৃষক নিয়ে দল তৈরি করে বজ্রপাত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা বজ্রপাতের হাত থেকে কৃষকদের বাঁচাতে মাঠে আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।

এছাড়াও মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত চার মাস বজ্রপাত সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এসএসটিএফ।

কৃষকদের কিছু পরামর্শও দিয়েছে সংগঠনটি। এগুলো হলো-

  • মাঠে কাজ করার সময় আকাশে কালো মেঘ দেখে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়া।
  • বৃষ্টির সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেয়া থেকে বিরত থাকা।
  • খোলা আকাশের নিচে কাজ করার সময় জুতা পরতে হবে।
  • বজ্রপাতের সময় মাঠে কাজ করার সময় শুয়ে পড়ুন।

বজ্রপাত বাড়ার পেছনে দুটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানান ফোরামের সভাপতি ড. কবিরুল বাশার। তিনি বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে গাছ কাটা, বিশেষ করে মাঠে উঁচু গাছ কাটা।

তিনি বলেন, গাছপালা না থাকলে মাঠে বা খোলা জায়গায় বজ্রপাত মানুষের ওপর আঘাত হানে। অধিকাংশ মানুষ মনে করেন ঝড়ের সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেয়াই ভালো। কিন্তু এটা ভুল। মানুষকে ঘরবাড়ি বা স্থাপনায় আশ্রয় নিতে হয়।

সরকার হাওর অঞ্চল ও উন্মুক্ত এলাকায় বজ্রনিরোধ যন্ত্র স্থাপনের উদ্যোগ নিতে পারে বলে পরামর্শ দেন কবিরুল বাশার। সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস