ঢাকা ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

১১ হত্যায়ও নেই অনুশোচনা কিলার মাসুমের

  • আপডেট সময় : ১২:৪৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মার্চ ২০১৭
  • / 250
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ট্রিপল মার্ডারসহ  ১১ হত্যা মামলার আসামি  মাসুম (৪৫)  ফের গ্রেফতার হয়েছে। কদমতলী থানা পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর এলাকা থেকে তাকে  গ্রেফতার করে।

কদমতলী থানার  ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী বলেন, মাসুম পেশাদার কিলার। সে শ্যামপুরের বটতলা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। এক সময় সে  এলাকায় জমির দালালির সঙ্গে জড়িত ছিল। ১৯৯৮ সালে এলাকার আধিপত্য নিয়ে শ্যামপুরের মেরাজনগরের  ‘ ডিস বাবু’কে হত্যা করে।  একই বছর হত্যা করে ওয়াসা এলাকার স্বপন ও মোহাম্মদবাগস্থ একটি  ক্লিনিকে ঢুকে কালু নামে  অপর এক যুববকে। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালের শেষদিকে গ্রেফতার হয় মাসুম। আর আট বছর জেল খাটার পর ২০০৭ সালের শেষ দিকে জামিনে সে ছাড়া পায়। আবার শুরু করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। সর্বশেষ ২০১১ সালে শ্যামপুরের জিয়া সরণিতে হত্যা করে তার প্রতিপক্ষ গ্রুপের বাবু, জনী ও হাসানকে।

ওসি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুম জানিয়েছে, এক সময় সে শান্তিপ্রিয় ছিল। কিন্তু তার প্রথম স্ত্রীর এক ভাইয়ের কারণে সে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। প্রথম হত্যাকাণ্ডের পর তার খুনের নেশা পেয়ে বসে। এরপর একে একে নিজ হাতে ১১ জনকে হত্যা করে। এ নিয়ে তার কোনো অনুশোচনা নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

১১ হত্যায়ও নেই অনুশোচনা কিলার মাসুমের

আপডেট সময় : ১২:৪৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মার্চ ২০১৭

ট্রিপল মার্ডারসহ  ১১ হত্যা মামলার আসামি  মাসুম (৪৫)  ফের গ্রেফতার হয়েছে। কদমতলী থানা পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর এলাকা থেকে তাকে  গ্রেফতার করে।

কদমতলী থানার  ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী বলেন, মাসুম পেশাদার কিলার। সে শ্যামপুরের বটতলা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। এক সময় সে  এলাকায় জমির দালালির সঙ্গে জড়িত ছিল। ১৯৯৮ সালে এলাকার আধিপত্য নিয়ে শ্যামপুরের মেরাজনগরের  ‘ ডিস বাবু’কে হত্যা করে।  একই বছর হত্যা করে ওয়াসা এলাকার স্বপন ও মোহাম্মদবাগস্থ একটি  ক্লিনিকে ঢুকে কালু নামে  অপর এক যুববকে। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালের শেষদিকে গ্রেফতার হয় মাসুম। আর আট বছর জেল খাটার পর ২০০৭ সালের শেষ দিকে জামিনে সে ছাড়া পায়। আবার শুরু করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। সর্বশেষ ২০১১ সালে শ্যামপুরের জিয়া সরণিতে হত্যা করে তার প্রতিপক্ষ গ্রুপের বাবু, জনী ও হাসানকে।

ওসি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুম জানিয়েছে, এক সময় সে শান্তিপ্রিয় ছিল। কিন্তু তার প্রথম স্ত্রীর এক ভাইয়ের কারণে সে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। প্রথম হত্যাকাণ্ডের পর তার খুনের নেশা পেয়ে বসে। এরপর একে একে নিজ হাতে ১১ জনকে হত্যা করে। এ নিয়ে তার কোনো অনুশোচনা নেই।