ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো হবে: প্রধানমন্ত্রী সাইফের সঙ্গেও কথা বলেন না কারিনা, রাত ১০টার পর স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে সাভার-আশুলিয়া ও গাজীপুর শিল্পাঞ্চল সাতক্ষীরায় প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক নারী ইউটিউব দেখে জাল নোটের কারখানা গড়ে আটক চার সম্পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে শেখ সাদীর জীবনদর্শন খুলনা ও বাগেরহাট সফরে প্রধানমন্ত্রী: থাকছে বিশেষ কর্মসূচি নির্বাচনে ভরাডুবির পর ট্রাম্পকে কর্মকৌশল পরিবর্তনের আহ্বান রিপাবলিকানদের মেট্রোরেলসহ তিন প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ ও অর্থায়ন চায় বাংলাদেশ কিশোরগঞ্জে সাবেক এমপির ছেলেকে নিরাপত্তা ঘটনায়: তদন্তে পুলিশ

মিরপুর-১০ নম্বরে যুবলীগ-ছাত্রলীগের অবস্থান

  • আপডেট সময় : ০১:২৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০২৪
  • / 164
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা ‘সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন’ এবং সরকার পতনের এক দফা দাবি রুখতে মাঠে নেমেছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এরই মধ্যে রাজধানীর মিরপুর ১০-নম্বর গোলচত্বরে অবস্থান নিয়েছেন তারা।

রবিবার (৪ আগস্ট) সকাল ১০টার পর থেকে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন।

এরপর মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে অবস্থান নেন ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। নেতৃত্বে রয়েছেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

প্রতক্ষদর্শীরা বলছেন, লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ছাত্রলীগ-যুবলীগ মিরপুর-১০ নম্বরে অবস্থান নেন। মোটরসাইকেলে করে এবং মিছিল নিয়ে দলে দলে আসছেন তারা। ট্রাকভর্তি করেও লোকজন আসছেন। কেউ ছবি তুলতে গেলেই আক্রমণাত্মক হয়ে এগিয়ে আসছেন তারা। বন্ধ করতে বলেন মোবাইল ফোন।

শনিবার (৩ আগস্ট) বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার মন্ত্রিসভার পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম।

২০১৮ সালে সরকার চাকরিতে কোটা বাতিল করে সরকারের জারি করা পরিপত্র চলতি বছরের জুনের শেষে অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এর পরিপ্রেক্ষিতে জুলাইয়ের শুরুতে মাঠে নামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তারা প্রথমে পরিপত্র ফিরিয়ে আনতে, অর্থাৎ কোটা না রাখার দাবিতে রাজপথে নেমে কোটা সংস্কারের দাবি জানান।

গত ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে এই আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের পরদিন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে সংঘাত হয়। এতে চট্টগ্রামে এক ছাত্রদল নেতাসহ তিন জন, ঢাকার সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে ছাত্রলীগ কর্মী ও একজন হকার এবং রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আবু সাঈদ নামে এক ছাত্র নিহত হন।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ১৭ জুলাই জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে ১৮ জুলাই ‘কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মিরপুর-১০ নম্বরে যুবলীগ-ছাত্রলীগের অবস্থান

আপডেট সময় : ০১:২৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০২৪

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা ‘সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন’ এবং সরকার পতনের এক দফা দাবি রুখতে মাঠে নেমেছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এরই মধ্যে রাজধানীর মিরপুর ১০-নম্বর গোলচত্বরে অবস্থান নিয়েছেন তারা।

রবিবার (৪ আগস্ট) সকাল ১০টার পর থেকে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন।

এরপর মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে অবস্থান নেন ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। নেতৃত্বে রয়েছেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

প্রতক্ষদর্শীরা বলছেন, লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ছাত্রলীগ-যুবলীগ মিরপুর-১০ নম্বরে অবস্থান নেন। মোটরসাইকেলে করে এবং মিছিল নিয়ে দলে দলে আসছেন তারা। ট্রাকভর্তি করেও লোকজন আসছেন। কেউ ছবি তুলতে গেলেই আক্রমণাত্মক হয়ে এগিয়ে আসছেন তারা। বন্ধ করতে বলেন মোবাইল ফোন।

শনিবার (৩ আগস্ট) বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার মন্ত্রিসভার পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম।

২০১৮ সালে সরকার চাকরিতে কোটা বাতিল করে সরকারের জারি করা পরিপত্র চলতি বছরের জুনের শেষে অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এর পরিপ্রেক্ষিতে জুলাইয়ের শুরুতে মাঠে নামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তারা প্রথমে পরিপত্র ফিরিয়ে আনতে, অর্থাৎ কোটা না রাখার দাবিতে রাজপথে নেমে কোটা সংস্কারের দাবি জানান।

গত ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে এই আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের পরদিন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে সংঘাত হয়। এতে চট্টগ্রামে এক ছাত্রদল নেতাসহ তিন জন, ঢাকার সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে ছাত্রলীগ কর্মী ও একজন হকার এবং রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আবু সাঈদ নামে এক ছাত্র নিহত হন।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ১৭ জুলাই জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে ১৮ জুলাই ‘কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।