ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চ্যালেঞ্জের মুখেও এমিরেটস গ্রুপের ১.১ বিলিয়ন ডলার মুনাফা নেতানিয়াহুর চেয়ে জনপ্রিয় জোহরান মামদানি, বলছে জিবিএওর জরিপ ইরানের ওপর নতুন সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভুটানকে হারিয়ে জয় দিয়ে সাফ মিশন শুরু বাংলাদেশের সাঁথিয়ায় ভাগ্নিকে নিরাপত্তা ঘটনায়: মামা আটক ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলায় আহত আরও এক ভারতীয়র প্রয়াণ ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে স্বৈরাচারী শক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনায় ২৫ মাসে ২২৫ মৃত্যুর ঘটনা: অপরাধের স্বর্গরাজ্যে আতঙ্কিত জনজীবন শাহজালাল তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানি কনসোর্টিয়ামের বড় অংশীদারত্ব

শ্বেতপত্রের প্রতিবেদনে দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনার প্রস্তাব

  • আপডেট সময় : ১০:২১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / 130
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

দেশের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে সরকার দুই বছরের মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে পারে। যেটি সংশোধনযোগ্য হবে এবং প্রয়োজনে এর মেয়াদও বাড়ানো যাবে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)’র প্রতিবেদন প্রকাশকালে এ অভিমত তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদার, ঋণদাতা এবং অংশীজনের আস্থা বজায় রাখার মূলনীতির ধারাবাহিকতা, পূর্বাভাস ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো (এমটিবিএফ) প্রস্তুত করতে সহায়তা করবে।

কমিটির প্রধান ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)’র বিশিষ্ট ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আজ রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিটির অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে ৩৯৯ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনের ফলাফল প্রকাশ করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫) স্থগিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ পরিকল্পনার মেয়াদে লক্ষ্য নির্ধারণের একটি স্বাধীন ও বাস্তব মূল্যায়ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যেহেতু অন্তর্র্বর্তী সরকারের মেয়াদ সীমিত হবে, সেহেতু একটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত নাও হতে পারে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বাজেটের পূর্বাভাসযোগ্যতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা (২-৩ বছর) প্রয়োজন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে মধ্য-মেয়াদি কৌশলটি উন্নয়ন-সংক্রন্ত একটি রোডম্যাপ প্রদান করবে যা সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নমনীয়তা বজায় রেখে জাতীয় অগ্রাধিকারের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হবে।

এটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা জোরদারের পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক খাতে বিনিয়োগ এবং পরিবেশগত স্থায়িত্বসহ মূল ক্ষেত্রগুলোতে বিদেশি সহায়তা বরাদ্দের নিশ্চয়তা দেবে।

আন্তর্জাতিক সহায়তার নিরিখে অভ্যন্তরীণ অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হলে বাংলাদেশের উন্নয়নের গতি তরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব ও অগ্রগতির শক্ত ভিতও তৈরি হবে।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শ্বেতপত্রের প্রতিবেদনে দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনার প্রস্তাব

আপডেট সময় : ১০:২১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

দেশের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে সরকার দুই বছরের মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে পারে। যেটি সংশোধনযোগ্য হবে এবং প্রয়োজনে এর মেয়াদও বাড়ানো যাবে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)’র প্রতিবেদন প্রকাশকালে এ অভিমত তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদার, ঋণদাতা এবং অংশীজনের আস্থা বজায় রাখার মূলনীতির ধারাবাহিকতা, পূর্বাভাস ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো (এমটিবিএফ) প্রস্তুত করতে সহায়তা করবে।

কমিটির প্রধান ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)’র বিশিষ্ট ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আজ রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিটির অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে ৩৯৯ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনের ফলাফল প্রকাশ করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫) স্থগিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ পরিকল্পনার মেয়াদে লক্ষ্য নির্ধারণের একটি স্বাধীন ও বাস্তব মূল্যায়ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যেহেতু অন্তর্র্বর্তী সরকারের মেয়াদ সীমিত হবে, সেহেতু একটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত নাও হতে পারে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বাজেটের পূর্বাভাসযোগ্যতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা (২-৩ বছর) প্রয়োজন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে মধ্য-মেয়াদি কৌশলটি উন্নয়ন-সংক্রন্ত একটি রোডম্যাপ প্রদান করবে যা সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নমনীয়তা বজায় রেখে জাতীয় অগ্রাধিকারের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হবে।

এটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা জোরদারের পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক খাতে বিনিয়োগ এবং পরিবেশগত স্থায়িত্বসহ মূল ক্ষেত্রগুলোতে বিদেশি সহায়তা বরাদ্দের নিশ্চয়তা দেবে।

আন্তর্জাতিক সহায়তার নিরিখে অভ্যন্তরীণ অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হলে বাংলাদেশের উন্নয়নের গতি তরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব ও অগ্রগতির শক্ত ভিতও তৈরি হবে।

বিডিসংবাদ/এএইচএস