ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ছয় মাসের শীর্ষে এমপির রাজনৈতিক বক্তব্যে হাততালি দেওয়া নিয়ে তোপের মুখে পীরগঞ্জের ইউএনও চরফ্যাশন-ঢাকা নৌরুটে রোটেশন প্রথায় জিম্মি লঞ্চ যাত্রীরা চাঁদাবাজদের ধরতে আসছে নতুন আইন: আইজিপি নতুন পোশাকে যাত্রা শুরু করছে পিআইএ কেবিন ক্রু ফিলিপাইনে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত, প্রাণ হারালেন চার পাইলট চৌদ্দগ্রামে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৩৯ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি রাষ্ট্রদূত দাউদ আলীকে ফেরানো মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব সিদ্ধান্ত: শামা ওবায়েদ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা পুলিশ বল প্রয়োগে ফ্যাসিবাদী, না করলে দুর্বল: আইজিপি

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতারে নিরাপত্তাকর্মীদের বাধা

  • আপডেট সময় : ০১:৫০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 121
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে তদন্তকারীরা তার বাসভবন থেকে গ্রেফতারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ নিরাপত্তা বাহিনী তাদের বাধা দিয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে এই কথা বলা হয়েছে। সিউল থেকে এএফপি এই খবর জানায়।

ইউনকে ইতোমধ্যেই আইন প্রণেতারা দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করেছেন। গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর হওয়ার পর যদি ইউন সুক গ্রেফতার হন তাহলে তিনি হবেন দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে নির্বাচিত প্রথম প্রেসিডেন্ট যিনি অভিশংসিত হওয়ার পরে গ্রেফতার হবেন।

প্রেসিডেন্ট ইউন গত ৩ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণকালে সামরিক আইন জারির ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার এই ঘোষণার পর সংসদে সংখ্যাগরিষ্ট বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা পার্লামেন্ট ভবন ঘিরে রাখে। মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে সামরিক প্রত্যাহার করা হয়।

দেশটির দুর্নীতি তদন্তকারী কার্যালয় (সিআইও) বলছে, প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর শুরু হয়েছে। তদন্তকারী কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও পুলিশকে ইওলের বাসভবনের ভেতরে ঢুকতে দেখা গেছে।

ঘটনাস্থল থেকে এএফপি’র সাংবাদিক জানান, জ্যেষ্ঠ কৌঁসুলি লি ডাই-হোয়ানসহ তদন্তকারী কর্মীরা কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী অতিক্রম করেই বাসভবনের ঢোকার চেষ্টা করছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ জানিয়েছে, ইওলের বাসভবনের ভেতরে থাকা সেনাবাহিনীর একটি দল তাদের প্রতিহত করেছে।

প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা কর্মীরা তদন্তকারীদের পরোয়ানা মানবেন কিনা, তা স্পষ্ট নয়। প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা কর্মীরা এর আগে ইওলের বাসভবনে পুলিশের প্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করেছেন।

সিনিয়র প্রসিকিউটর লি ডাই-হোয়ানসহ তদন্তকারীরা ইউনকে আটক করার জন্য তাদের গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রেসিডেন্ট ইউনের বাসভবনে প্রবেশের চেষ্টা করে।

দেশটির দুর্নীতি তদন্তকারী কার্যালয় বলছে, প্রেসিডেন্ট ইউন সুকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করা শুরু হয়েছে। তদন্তকারী কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও পুলিশকে ইওলের বাসভবনের ভেতরে ঢুকতে দেখা গেছে।

ইউনের আইনি দল গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার প্রচেষ্টাকে অস্বীকার করে বলেছেন এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আরো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইওলের আইনজীবী ইওন ক্যাপ কিউন বলেছেন, বেআইনি পরোয়ানা কার্যকর করা বৈধ নয়।

ঘটনাস্থল থেকে এএফপি’র সাংবাদিক জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের বাসভবন চত্বরে পুলিশের কয়েক ডজন বাস, শত শত পোশাকধারী পুলিশকে অবস্থান নিতে দেখা গেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ইওলের সমর্থকদের সঙ্গে ইওল বিরোধী বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২ হাজার ৭০০ পুলিশ ও ১৩৫টি পুলিশের বাস ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে।

এই সপ্তাহের শুরুতে একটি আদালত তাকে আটক করার জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা অনুমোদন করেছেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতারে নিরাপত্তাকর্মীদের বাধা

আপডেট সময় : ০১:৫০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে তদন্তকারীরা তার বাসভবন থেকে গ্রেফতারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ নিরাপত্তা বাহিনী তাদের বাধা দিয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে এই কথা বলা হয়েছে। সিউল থেকে এএফপি এই খবর জানায়।

ইউনকে ইতোমধ্যেই আইন প্রণেতারা দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করেছেন। গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর হওয়ার পর যদি ইউন সুক গ্রেফতার হন তাহলে তিনি হবেন দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে নির্বাচিত প্রথম প্রেসিডেন্ট যিনি অভিশংসিত হওয়ার পরে গ্রেফতার হবেন।

প্রেসিডেন্ট ইউন গত ৩ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণকালে সামরিক আইন জারির ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার এই ঘোষণার পর সংসদে সংখ্যাগরিষ্ট বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা পার্লামেন্ট ভবন ঘিরে রাখে। মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে সামরিক প্রত্যাহার করা হয়।

দেশটির দুর্নীতি তদন্তকারী কার্যালয় (সিআইও) বলছে, প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর শুরু হয়েছে। তদন্তকারী কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও পুলিশকে ইওলের বাসভবনের ভেতরে ঢুকতে দেখা গেছে।

ঘটনাস্থল থেকে এএফপি’র সাংবাদিক জানান, জ্যেষ্ঠ কৌঁসুলি লি ডাই-হোয়ানসহ তদন্তকারী কর্মীরা কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী অতিক্রম করেই বাসভবনের ঢোকার চেষ্টা করছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ জানিয়েছে, ইওলের বাসভবনের ভেতরে থাকা সেনাবাহিনীর একটি দল তাদের প্রতিহত করেছে।

প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা কর্মীরা তদন্তকারীদের পরোয়ানা মানবেন কিনা, তা স্পষ্ট নয়। প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা কর্মীরা এর আগে ইওলের বাসভবনে পুলিশের প্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করেছেন।

সিনিয়র প্রসিকিউটর লি ডাই-হোয়ানসহ তদন্তকারীরা ইউনকে আটক করার জন্য তাদের গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রেসিডেন্ট ইউনের বাসভবনে প্রবেশের চেষ্টা করে।

দেশটির দুর্নীতি তদন্তকারী কার্যালয় বলছে, প্রেসিডেন্ট ইউন সুকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করা শুরু হয়েছে। তদন্তকারী কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও পুলিশকে ইওলের বাসভবনের ভেতরে ঢুকতে দেখা গেছে।

ইউনের আইনি দল গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার প্রচেষ্টাকে অস্বীকার করে বলেছেন এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আরো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইওলের আইনজীবী ইওন ক্যাপ কিউন বলেছেন, বেআইনি পরোয়ানা কার্যকর করা বৈধ নয়।

ঘটনাস্থল থেকে এএফপি’র সাংবাদিক জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের বাসভবন চত্বরে পুলিশের কয়েক ডজন বাস, শত শত পোশাকধারী পুলিশকে অবস্থান নিতে দেখা গেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ইওলের সমর্থকদের সঙ্গে ইওল বিরোধী বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২ হাজার ৭০০ পুলিশ ও ১৩৫টি পুলিশের বাস ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে।

এই সপ্তাহের শুরুতে একটি আদালত তাকে আটক করার জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা অনুমোদন করেছেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস