ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রসংস্কার প্রক্রিয়া ক্ষমতার রাজনীতিতে জিম্মি: টিআইবি সৌদি ফ্লাইট সংকট: কর্মস্থলে ফিরতে হিমশিম খাচ্ছেন প্রবাসী কর্মীরা দিল্লিতে ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন তরুণ ভোটাররা দিল্লিতে ‘তেরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচির আগে আটক অভিজিৎ দীপকে শ্রীপুরে পরিত্যক্ত বোতল কুড়িয়ে বিপত্তি সাবেক এসবি প্রধান মনিরুলের পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ সৌদিতে হামলার ঘটনায় আটকে পড়া পাবনার ৫০ যাত্রী দেশে পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় আহত ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক কুমিল্লায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে যুবদল নেতার মৃত্যু

২ মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ: ইলিশ ধরতে নদীতে জেলেরা

  • আপডেট সময় : ০১:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ মে ২০১৭
  • / 584
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোলা প্রতিনিধি:  ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ ,তাই মধ্য রাতেই ইলিশ শিকারে নেমে পড়ছেন ভোলার জেলেরা। মাছ ধরাকে কেন্দ্র করেই তাই জাল নৌকা নিয়ে জেলেদের প্রস্তুতি। জেলে পুর্নবাসনের চাল সবার ভাগ্যে না জুটলেও দুই মাস পর ইলিশ শিকারে নামবেন এমন খুশির ঝিলিক তাদের চোঁখ-মুখে। ইলিশ আহরনের পর শেই মাছ বিক্রির টাকায় মহাজনের দেনা আর এনজিও ঋন পরিশোধ করবেন এমন আশা তাদের। সেকারনেই জেলে পাড়ায় এবং মৎস্যঘাটে উৎসবের আমেজ।

ইলিশ ধরার প্রস্তুতি এবং বেকার জেলেদের এমন কর্মব্যস্ততা ভোলার মেঘনা পাড়ে। জেলার তিন শতাধিক মৎস্যঘাটেই যেন একই চিত্র। সুতোর জালে ঋনের দায়ে আটকে পড়া জেলেদের যেন সকল দুশ্চিন্তা দুর হয়ে গেছে। তবে জেলেরা আতংক ভরা মৌসুমে পর্যপ্ত ইলিশ না পেলে তাদের এ স্বপ্ন অপূর্নই থেকে যাবে।

জেলা মৎস্য অফিসের দেয়া তথ্যে জানা গেছে, সরকারি হিসাবে জেলার সাত উপজেলায় মোট নিবন্ধিত জেলে রয়েছে একলাখ ২৫ হাজার। এরমধ্যে মার্চ-এপ্রিল দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা সময়ে পুর্নবাসনোর চাল বরাদ্দ হয়েছে ৫২ হাজার জেলের জন্য। তবে বরাদ্দ না থাকায় বাকি ৭৫ হাজার জেলের ভাগ্যে জুটেনি।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, ৫২ হাজার ১৫০ জেলের জন্য চাল বরাদ্দ হয়েছে, প্রত্যেক জেলের জন্য ১৬০ কেজি করে চাল দেয়া হবে এবং এ চাল বিতরন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এদিকে ভোলা সদরের ইলিশা, রাজাপুর, নাছির মাঝি, ভোলার খাল ও তুলাতলী ঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, ইলিশ শিকারের জন্য জেলেদের প্রস্তুতি। কেউ নৌকা প্রস্তুত করছেন, কেউ জাল বুনছেন কেউবা ডিজেলসহ মাছ ধরার অন্যান্য উপকরন সংগ্রহ করছেন।

এদের মধ্যে আমজাদ মাঝি, আনু মাঝি ও আসাদ বলেন, দুই মাস নিশিদ্ধ ছিলো, তাই মাছ শিকার কেতে পারিনি। পরিবার পরিজন নিয়ে বেকার সময় পার করেছি, এখন নিষেধাজ্ঞা শেষ তাই নদীত নামবো। অনেক দেনা রয়েছে সেগুলো পরিশোধের চিন্তা তো আছেই।

কামরুজ্জামান শাহীন

ভোলা

০১৭১২-৯৬০৭৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

২ মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ: ইলিশ ধরতে নদীতে জেলেরা

আপডেট সময় : ০১:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ মে ২০১৭

ভোলা প্রতিনিধি:  ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ ,তাই মধ্য রাতেই ইলিশ শিকারে নেমে পড়ছেন ভোলার জেলেরা। মাছ ধরাকে কেন্দ্র করেই তাই জাল নৌকা নিয়ে জেলেদের প্রস্তুতি। জেলে পুর্নবাসনের চাল সবার ভাগ্যে না জুটলেও দুই মাস পর ইলিশ শিকারে নামবেন এমন খুশির ঝিলিক তাদের চোঁখ-মুখে। ইলিশ আহরনের পর শেই মাছ বিক্রির টাকায় মহাজনের দেনা আর এনজিও ঋন পরিশোধ করবেন এমন আশা তাদের। সেকারনেই জেলে পাড়ায় এবং মৎস্যঘাটে উৎসবের আমেজ।

ইলিশ ধরার প্রস্তুতি এবং বেকার জেলেদের এমন কর্মব্যস্ততা ভোলার মেঘনা পাড়ে। জেলার তিন শতাধিক মৎস্যঘাটেই যেন একই চিত্র। সুতোর জালে ঋনের দায়ে আটকে পড়া জেলেদের যেন সকল দুশ্চিন্তা দুর হয়ে গেছে। তবে জেলেরা আতংক ভরা মৌসুমে পর্যপ্ত ইলিশ না পেলে তাদের এ স্বপ্ন অপূর্নই থেকে যাবে।

জেলা মৎস্য অফিসের দেয়া তথ্যে জানা গেছে, সরকারি হিসাবে জেলার সাত উপজেলায় মোট নিবন্ধিত জেলে রয়েছে একলাখ ২৫ হাজার। এরমধ্যে মার্চ-এপ্রিল দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা সময়ে পুর্নবাসনোর চাল বরাদ্দ হয়েছে ৫২ হাজার জেলের জন্য। তবে বরাদ্দ না থাকায় বাকি ৭৫ হাজার জেলের ভাগ্যে জুটেনি।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, ৫২ হাজার ১৫০ জেলের জন্য চাল বরাদ্দ হয়েছে, প্রত্যেক জেলের জন্য ১৬০ কেজি করে চাল দেয়া হবে এবং এ চাল বিতরন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এদিকে ভোলা সদরের ইলিশা, রাজাপুর, নাছির মাঝি, ভোলার খাল ও তুলাতলী ঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, ইলিশ শিকারের জন্য জেলেদের প্রস্তুতি। কেউ নৌকা প্রস্তুত করছেন, কেউ জাল বুনছেন কেউবা ডিজেলসহ মাছ ধরার অন্যান্য উপকরন সংগ্রহ করছেন।

এদের মধ্যে আমজাদ মাঝি, আনু মাঝি ও আসাদ বলেন, দুই মাস নিশিদ্ধ ছিলো, তাই মাছ শিকার কেতে পারিনি। পরিবার পরিজন নিয়ে বেকার সময় পার করেছি, এখন নিষেধাজ্ঞা শেষ তাই নদীত নামবো। অনেক দেনা রয়েছে সেগুলো পরিশোধের চিন্তা তো আছেই।

কামরুজ্জামান শাহীন

ভোলা

০১৭১২-৯৬০৭৩৪