ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালিতে ‘সব পক্ষকে’ নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে : গুতেরেস

  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 33
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সোমবার বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা সব পক্ষেরই নিশ্চিত করা উচিত।

ইরান এবং পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় তিনি এ আহ্বান জানান।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহণ করা হয়। এই হরমুজ প্রণালি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান বর্তমানে চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনায় একে অপরের ওপর চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছে।

জাতিসংঘ প্রধানের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই প্রণালিতে সৃষ্ট বিঘœ ইতোমধ্যেই নিকটবর্তী অঞ্চলের বাইরেও সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতি আরো অস্থিতিশীল হয়ে পড়ছে এবং বিভিন্ন খাতে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার ইরানি বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় জাহাজ চলাচলে অবরোধ আরোপের নির্দেশ দেন। চলতি সপ্তাহে শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরাইলি হামলার জেরে ইরান ইতোমধ্যেই প্রণালিটি দিয়ে যান চলাচল কার্যকরভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘প্রায় ২০ হাজার নাবিক এই সংঘাতের মধ্যে আটকে পড়েছে। তারা বর্তমানে জাহাজে অবস্থান করছে এবং প্রতিদিনই ক্রমবর্ধমান কষ্টের সম্মুখীন হচ্ছে।’

জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস আবারও শান্তি আলোচনার আহ্বান জানান।

মুখপাত্র বলেন, ‘একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। সব ধরনের লঙ্ঘন অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।’
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হরমুজ প্রণালিতে ‘সব পক্ষকে’ নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে : গুতেরেস

আপডেট সময় : ১০:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সোমবার বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা সব পক্ষেরই নিশ্চিত করা উচিত।

ইরান এবং পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় তিনি এ আহ্বান জানান।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহণ করা হয়। এই হরমুজ প্রণালি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান বর্তমানে চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনায় একে অপরের ওপর চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছে।

জাতিসংঘ প্রধানের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই প্রণালিতে সৃষ্ট বিঘœ ইতোমধ্যেই নিকটবর্তী অঞ্চলের বাইরেও সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতি আরো অস্থিতিশীল হয়ে পড়ছে এবং বিভিন্ন খাতে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার ইরানি বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় জাহাজ চলাচলে অবরোধ আরোপের নির্দেশ দেন। চলতি সপ্তাহে শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরাইলি হামলার জেরে ইরান ইতোমধ্যেই প্রণালিটি দিয়ে যান চলাচল কার্যকরভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘প্রায় ২০ হাজার নাবিক এই সংঘাতের মধ্যে আটকে পড়েছে। তারা বর্তমানে জাহাজে অবস্থান করছে এবং প্রতিদিনই ক্রমবর্ধমান কষ্টের সম্মুখীন হচ্ছে।’

জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস আবারও শান্তি আলোচনার আহ্বান জানান।

মুখপাত্র বলেন, ‘একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। সব ধরনের লঙ্ঘন অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।’
বিডিসংবাদ/এএইচএস