ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপি নজরুল ও তার স্ত্রীর রিমান্ড মঞ্জুর

  • আপডেট সময় : ০৬:৫৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 3
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে আত্মহননের পথে ধাবিত করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে চারদিনের এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে একদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে আসামিদের হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামসুজ্জোহা সরকার প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন। শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেন।

তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলার বিস্তারিত রহস্য উন্মোচনে বেশ কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—মরিয়মের মৃত্যুর সময় আসামিরা নিজ বাসাতেই ছিলেন, তাদের প্ররোচনা বা মানসিক চাপ ছিল কি না, পলাতক আসামি ওবায়দুর রহমানের অবস্থান শনাক্তকরণ এবং এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না তা নিশ্চিত হওয়া। মামলার এজাহারে ভুক্তভোগীর বাবার অভিযোগ ছিল, এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা মিলে মরিয়মকে নিয়মিত শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আত্মহত্যায় তাদের প্ররোচনা আছে কি না; *তারা ভুক্তভোগীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, উস্কানি, মানসিক চাপ, ভয়-ভীতিপ্রদর্শন বা অন্য কোনোভাবে আত্মহত্যায় ধাবিত করেছেন কি না; *পলাতক আসামি ওবায়দুর রহমানের ভূমিকা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ এব।

নিউজটি শেয়ার করুন

এমপি নজরুল ও তার স্ত্রীর রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট সময় : ০৬:৫৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে আত্মহননের পথে ধাবিত করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে চারদিনের এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে একদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে আসামিদের হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামসুজ্জোহা সরকার প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন। শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেন।

তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলার বিস্তারিত রহস্য উন্মোচনে বেশ কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—মরিয়মের মৃত্যুর সময় আসামিরা নিজ বাসাতেই ছিলেন, তাদের প্ররোচনা বা মানসিক চাপ ছিল কি না, পলাতক আসামি ওবায়দুর রহমানের অবস্থান শনাক্তকরণ এবং এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না তা নিশ্চিত হওয়া। মামলার এজাহারে ভুক্তভোগীর বাবার অভিযোগ ছিল, এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা মিলে মরিয়মকে নিয়মিত শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আত্মহত্যায় তাদের প্ররোচনা আছে কি না; *তারা ভুক্তভোগীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, উস্কানি, মানসিক চাপ, ভয়-ভীতিপ্রদর্শন বা অন্য কোনোভাবে আত্মহত্যায় ধাবিত করেছেন কি না; *পলাতক আসামি ওবায়দুর রহমানের ভূমিকা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ এব।