ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

৯৯তম অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’

  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 14
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

৯৯তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম বিভাগে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছে মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘রইদ’। ২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বঙ্গ ও ফেসকার্ড প্রযোজিত এই সিনেমাটি অস্কারের চূড়ান্ত মনোনয়ন দৌড়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে লড়বে।

এবারের অস্কারে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ থেকে মোট পাঁচটি সিনেমা জমা পড়েছিল। বাছাই কমিটি ও জুরিদের সম্মিলিত মূল্যায়নের ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত ‘রইদ’-কে নির্বাচিত করা হয়। আন্তর্জাতিক এই চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে সিনেমাটির পুরো টিম।

সিনেমার গল্প এবং নির্মাণশৈলী নিয়ে পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন বলেন, “আমার সিনেমা অস্কারের মতো বড় একটি মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছে জেনে খুবই ভালো লাগছে। এটি খুব গভীরভাবে বাংলাদেশের সিনেমা। আমাদের অঞ্চলের গল্প, লোককাহিনী, সংস্কৃতি এবং মানুষের জীবনবোধ থেকেই সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে। আমরা কেবল বাণিজ্যিক বিনোদনের কথা ভাবিনি, বরং এর নান্দনিকতা ও নিজস্ব গল্প বলার শৈলীকেও গুরুত্ব দিয়েছি।”

সিলেটের কোম্পানিগঞ্জে চিত্রায়িত ‘রইদ’-এর কাহিনী আবর্তিত হয়েছে দরিদ্র বর্গাচাষি সাধু এবং তার স্ত্রীকে ঘিরে। নববিবাহিত দম্পতির জীবন, গ্রামীণ সমাজ ও রহস্যের জালে বুনা এই সিনেমাটিতে জাদুবাস্তবতার মিশেল ঘটেছে। এতে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, নাজিফা তুষি, গাজী রাকায়েত এবং আহসাবুল ইয়ামিন রিয়াদ। সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন সিদ্দিক আহমেদ, মেজবাউর রহমান সুমন, জাহিন ফারুক আমিন এবং সুকর্ণ শাহেদ ধীমান।

এর আগেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসা কুড়িয়েছে ‘রইদ’। ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিত চতুর্থ দা নং এশীয় চলচ্চিত্র উৎসবে সমালোচক বিভাগে সেরা এশীয় চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতেছে সিনেমাটি। এছাড়াও ৫৫তম ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল রটারডামে (IFFR) টাইগার কম্পিটিশনে নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি সিয়াটল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রদর্শিত হয়েছে। বিশ্বমঞ্চে বাংলা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার এই সুযোগকে পুরো টিম এক বড় অর্জন হিসেবে দেখছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

৯৯তম অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’

আপডেট সময় : ০৭:১৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৯৯তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম বিভাগে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছে মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘রইদ’। ২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বঙ্গ ও ফেসকার্ড প্রযোজিত এই সিনেমাটি অস্কারের চূড়ান্ত মনোনয়ন দৌড়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে লড়বে।

এবারের অস্কারে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ থেকে মোট পাঁচটি সিনেমা জমা পড়েছিল। বাছাই কমিটি ও জুরিদের সম্মিলিত মূল্যায়নের ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত ‘রইদ’-কে নির্বাচিত করা হয়। আন্তর্জাতিক এই চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে সিনেমাটির পুরো টিম।

সিনেমার গল্প এবং নির্মাণশৈলী নিয়ে পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন বলেন, “আমার সিনেমা অস্কারের মতো বড় একটি মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছে জেনে খুবই ভালো লাগছে। এটি খুব গভীরভাবে বাংলাদেশের সিনেমা। আমাদের অঞ্চলের গল্প, লোককাহিনী, সংস্কৃতি এবং মানুষের জীবনবোধ থেকেই সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে। আমরা কেবল বাণিজ্যিক বিনোদনের কথা ভাবিনি, বরং এর নান্দনিকতা ও নিজস্ব গল্প বলার শৈলীকেও গুরুত্ব দিয়েছি।”

সিলেটের কোম্পানিগঞ্জে চিত্রায়িত ‘রইদ’-এর কাহিনী আবর্তিত হয়েছে দরিদ্র বর্গাচাষি সাধু এবং তার স্ত্রীকে ঘিরে। নববিবাহিত দম্পতির জীবন, গ্রামীণ সমাজ ও রহস্যের জালে বুনা এই সিনেমাটিতে জাদুবাস্তবতার মিশেল ঘটেছে। এতে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, নাজিফা তুষি, গাজী রাকায়েত এবং আহসাবুল ইয়ামিন রিয়াদ। সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন সিদ্দিক আহমেদ, মেজবাউর রহমান সুমন, জাহিন ফারুক আমিন এবং সুকর্ণ শাহেদ ধীমান।

এর আগেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসা কুড়িয়েছে ‘রইদ’। ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিত চতুর্থ দা নং এশীয় চলচ্চিত্র উৎসবে সমালোচক বিভাগে সেরা এশীয় চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতেছে সিনেমাটি। এছাড়াও ৫৫তম ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল রটারডামে (IFFR) টাইগার কম্পিটিশনে নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি সিয়াটল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রদর্শিত হয়েছে। বিশ্বমঞ্চে বাংলা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার এই সুযোগকে পুরো টিম এক বড় অর্জন হিসেবে দেখছে।