ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহায়তা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 17
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশে নতুন করে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এই আহ্বান জানান। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় চীনের গঠনমূলক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, চীনের সক্রিয় উদ্যোগ এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান ও টেকসই প্রত্যাবাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি তৈরি পোশাক শিল্প, বৈদ্যুতিক যান উৎপাদন, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর এবং সৌরশক্তির মতো সম্ভাবনাময় খাতে চীনা বিনিয়োগ ও কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। এ সময় আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি বাড়াতে কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরের মতো উদ্যোগগুলোকে তিনি স্বাগত জানান এবং পারস্পরিক স্বার্থে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

দুই দেশের সম্পর্কের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের চীন সফর দুই দেশের মৈত্রী স্থাপনে মাইলফলক ছিল। এছাড়া, ২০২৬ সালের এপ্রিলে নিজের চীন সফরসহ বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ ও তরুণ নেতৃবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীদের চীন ভ্রমণ উভয় দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহায়তা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় : ০৩:১৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশে নতুন করে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এই আহ্বান জানান। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় চীনের গঠনমূলক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, চীনের সক্রিয় উদ্যোগ এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান ও টেকসই প্রত্যাবাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি তৈরি পোশাক শিল্প, বৈদ্যুতিক যান উৎপাদন, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর এবং সৌরশক্তির মতো সম্ভাবনাময় খাতে চীনা বিনিয়োগ ও কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। এ সময় আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি বাড়াতে কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরের মতো উদ্যোগগুলোকে তিনি স্বাগত জানান এবং পারস্পরিক স্বার্থে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

দুই দেশের সম্পর্কের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের চীন সফর দুই দেশের মৈত্রী স্থাপনে মাইলফলক ছিল। এছাড়া, ২০২৬ সালের এপ্রিলে নিজের চীন সফরসহ বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ ও তরুণ নেতৃবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীদের চীন ভ্রমণ উভয় দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।