সৌদির অনুমতি মিললেই রিয়াদে ফ্লাইট চালু: বিমানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৩:৫০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
- / 5
সৌদি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রিয়াদগামী ফ্লাইট পুনরায় সচল করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বর্তমানে এ রুটে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত থাকলেও যাত্রীদের যাতায়াত সুবিধার কথা মাথায় রেখে বিকল্প হিসেবে দাম্মাম অথবা মদিনা রুটে যাত্রী পরিবহনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিমানবন্দরের ব্যাগেজ বেল্ট এলাকা পর্যবেক্ষণ করেন এবং যাত্রীদের কাছ থেকে সেবার মান সম্পর্কে সরাসরি জানতে চান। যাত্রীরা তাঁকে জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে লাগেজ হাতে পাচ্ছেন। বিমানবন্দরে সম্প্রতি চালু হওয়া সরাসরি ব্যাগেজ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি যাত্রীসেবার মান ধরে রাখা, লাগেজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি কমানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। এসময় তাঁর সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয় ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
একইদিন বিমানবন্দরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রবাসী কর্মীদের লাগেজ বহনের ভোগান্তি কমাতে দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২০০টি ট্রলি সরবরাহ করেছে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। এর মধ্যে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৫০টি এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে ২৫টি করে নতুন ট্রলি যুক্ত হয়েছে।
সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির মরদেহ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী জানান, আকাশপথের যোগাযোগ ও সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর সৌদি আরবে আটকে পড়া ওমরাহ যাত্রীদেরও ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানান তিনি।
জাপানের সঙ্গে সম্পাদিত নতুন সহযোগিতা চুক্তির বিষয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, এর আওতায় জাপানে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের আইনি সুরক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, উচ্চ বেতন এবং দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুযোগ বাড়বে। চুক্তিতে নারী কর্মীদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গর্ভাবস্থা বা সন্তান প্রসবের কারণে নারী কর্মীদের চাকরিচ্যুত করা কিংবা বাধ্যতামূলকভাবে দেশে ফেরত পাঠানোর মতো কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। মন্ত্রীর মতে, এই চুক্তি জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মপরিবেশ ও সুযোগ উন্নত করার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।























