ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহজালালে সোনা পাচারের সময় ৫ কোটির ডিম জব্দ নাবলুসে ইউসুফ (আ.)-এর মাজার ঘিরে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে তিন মাসে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে আদায় ৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা হরমুজ প্রণালিতে ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, কেশমে তীব্র বিস্ফোরণ শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানের কঠিন শর্ত মানল বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে হ্যালোইন উৎসবে বন্দুক হামলায় ঝরল ২৪ প্রাণ গাজীপুরে অস্থিরতা এড়াতে ২৫ পোশাক কারখানা ছুটি ঘোষণা ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন হামলা অব্যাহত নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মিলবে ২০ বছর

শাহজালালে সোনা পাচারের সময় ৫ কোটির ডিম জব্দ

  • আপডেট সময় : ০১:২০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক দুটি অভিযানে প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের ছয়টি সোনার ‘ডিম’ জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। সোমবার (২ নভেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। জব্দ হওয়া এই সোনার মোট ওজন ২ কেজি ৭২৮ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে আবুধাবিগামী বিজি-১২৭ ফ্লাইটে তল্লাশি চালান। সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে ফ্লাইটটি ছাড়ার কথা ছিল। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন এক যাত্রীকে উড়োজাহাজ থেকে নামিয়ে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১ কেজি ৩৬৪ গ্রাম ওজনের তিনটি সোনার ডিম উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল।

একই সময়ে বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজ এলাকায় চালানো দ্বিতীয় অভিযানে আরও তিনটি সোনার ডিম পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া এই সোনার ওজনও ১ কেজি ৩৬৪ গ্রাম। কাস্টমস গোয়েন্দাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্টরা জানান, উদ্ধার করা সোনাগুলো আগে আবুধাবি থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। তবে দেশের বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় এগুলো পুনরায় আবুধাবিতে ফেরত নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল পাচারকারীদের।

জব্দ করা সোনার প্রকৃত উৎস, এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের কার্যক্রম নিয়ে নিবিড় তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। বিমানবন্দর ব্যবহার করে স্বর্ণ পাচারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি ও তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলেও সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে এই চক্রের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কারা জড়িত, তা শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহজালালে সোনা পাচারের সময় ৫ কোটির ডিম জব্দ

আপডেট সময় : ০১:২০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক দুটি অভিযানে প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের ছয়টি সোনার ‘ডিম’ জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। সোমবার (২ নভেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। জব্দ হওয়া এই সোনার মোট ওজন ২ কেজি ৭২৮ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে আবুধাবিগামী বিজি-১২৭ ফ্লাইটে তল্লাশি চালান। সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে ফ্লাইটটি ছাড়ার কথা ছিল। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন এক যাত্রীকে উড়োজাহাজ থেকে নামিয়ে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১ কেজি ৩৬৪ গ্রাম ওজনের তিনটি সোনার ডিম উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল।

একই সময়ে বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজ এলাকায় চালানো দ্বিতীয় অভিযানে আরও তিনটি সোনার ডিম পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া এই সোনার ওজনও ১ কেজি ৩৬৪ গ্রাম। কাস্টমস গোয়েন্দাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্টরা জানান, উদ্ধার করা সোনাগুলো আগে আবুধাবি থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। তবে দেশের বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় এগুলো পুনরায় আবুধাবিতে ফেরত নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল পাচারকারীদের।

জব্দ করা সোনার প্রকৃত উৎস, এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের কার্যক্রম নিয়ে নিবিড় তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। বিমানবন্দর ব্যবহার করে স্বর্ণ পাচারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি ও তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলেও সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে এই চক্রের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কারা জড়িত, তা শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।