ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আশুলিয়া ও গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ, পুলিশ-বিজিবি মোতায়েন সৌদি আরবে ফ্লাইট বিধিনিষেধ: বিপাকে প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী এইচএসসি ফলাফল: গোদাগাড়ীতে জিপিএ-৫ পেলেন কেবল নুসরাত আইনে রূপান্তর হচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ ও ক্রয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশ ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন ৩৫ উড়োজাহাজ কেনা নিয়ে সংসদীয় কমিটিতে বিস্তারিত আলোচনা ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার বন্ধ করার আহ্বান জহির উদ্দিন স্বপনের ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম ২০৬০ টাকা কালিয়াকৈরে শ্রমিক আন্দোলন: বাড়ি মালিকদের সতর্ক করতে গণবিজ্ঞপ্তি জাতীয় নিরাপত্তায় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আশুলিয়া ও গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ, পুলিশ-বিজিবি মোতায়েন

  • আপডেট সময় : ১০:১২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার অদূরে আশুলিয়া এবং গাজীপুরের বিভিন্ন পোশাক শিল্পাঞ্চলে ন্যূনতম মজুরি সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিকদের অসন্তোষ তীব্র রূপ নিয়েছে। সোমবার সকালে সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেওয়া তৈরি পোশাক কর্মীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর একাধিকবার পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে আশুলিয়ায় পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

আশুলিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ ও কারখানায় ছুটি

সোমবার সকালের দিকে আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলের সড়কগুলোতে তিন দফা দাবিতে অবস্থান নেন বিপুল সংখ্যক পোশাক শ্রমিক। এ সময় যানবাহন চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে পুলিশ তাদের দ্রুত সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং পুলিশের ওপর লক্ষ্য করে বিক্ষুব্ধদের ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে, যা পরবর্তীতে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নেয়। তবে প্রথমিক পর্যালোচনায় কোনো বড় ধরনের হতাহতের তথ্য মেলেনি। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

  • নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বাড়ইপাড়া মোড়ে সকালে প্রথম বিক্ষোভ প্রদর্শিত হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে সক্ষম হয়।
  • নিশ্চিন্তপুর এলাকার নিউ এইজ কারখানার ভেতরে শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রেখে প্রতিবাদ জানান এবং পরবর্তীতে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কে জড়ো হন।
  • পরিস্থিতি বিবেচনায় নিট এশিয়া, আল-মুসলিম, টাউজার লাইন ও অনন্ত গার্মেন্টসসহ বেশ কয়েকটি তৈরি পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।

সাভার এলাকার পোশাক কারখানাগুলোতে পরিস্থিতি তুলনামূলক স্বাভাবিক ছিল এবং শ্রমিকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মস্থলে যোগ দিতে দেখা গেছে বলে শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

শ্রমিক গ্রেপ্তার ও শিক্ষক-নেতাদের উদ্বেগ

নিউ এইজ কারখানার এক শ্রমিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তারা একদম শান্তিশৃঙ্খলার সাথে নিজেদের দাবি তুলে ধরছিলেন, কিন্তু পুলিশ খামাখা তাদের হটাতে চড়াও হয়। এছাড়া আগের দিন অর্থাৎ রবিবার তাদের দুই সহকর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে দাবি করে তাদের দ্রুত মুক্তির দাবি তোলেন তিনি।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড সোয়েটার শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু জানান, সোমবার সকালে কাজের শুরুতে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা এসে কাজ না করে প্রতিবাদের পথ বেছে নেন। রবিবার আটক হওয়া শ্রমিকদের মুক্তির জোর দাবি জানানোর সাথে সাথে অধিকার আদায়ের চলমান কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর আচরণের সমালোচনা করেন এই শ্রমিক নেতা।

পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বক্তব্য

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, সকালে সড়ক আটকে শ্রমিকেরা দাঁড়িয়ে পড়লেও দ্রুতই তাদের বুঝিয়ে সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি রুখতে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গাগুলোতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন আছে। রবিবার নিউ এইজ পোশাক কারখানার এক শ্রমিক আটকের বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেন।

শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, আগের দিন রবিবার ওই অঞ্চলের ১৭৭টি পোশাক কারখানায় একযোগে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে সোমবারের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে কতগুলো কারখানা পুরোপুরি উৎপাদনে ছিল তা তাত্ক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

গাজীপুর ও কালিয়াকৈরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও বিজিবি মোতায়েন

কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর অঞ্চলে টানা চতুর্থ দিনের মতো তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন পোশাক কর্মীরা। সোমবার দুপুর বারোটার দিকে পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার বিভিন্ন গলি থেকে হঠাৎ বের হয়ে বিক্ষোভকারীরা পুলিশ সদস্যদের ওপর ইটপাটকেল ছোঁড়েন। এর আগে সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের হরিণহাটি, মৌচাক ও পল্লীবিদ্যুৎ মোড়ে পথ আটকে যানবাহন ভাঙচুরের চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা।

গাজীপুরের থমথমে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে পুলিশ। পরবর্তীতে অতিরিক্ত নিরাপত্তার স্বার্থে শিল্পাঞ্চলে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি ২১ জন প্রশাসনিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে যৌথ দল সড়কগুলোতে টহল দেওয়া শুরু করেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গাজীপুর এলাকার প্রায় সব কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করতে হয়েছে।

পরিস্থিতির জটিলতা নিয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, সড়ক থেকে বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে দেওয়া হলেও তারা বারবার অলিগলি পেরিয়ে আবার মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আশুলিয়া ও গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ, পুলিশ-বিজিবি মোতায়েন

আপডেট সময় : ১০:১২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

ঢাকার অদূরে আশুলিয়া এবং গাজীপুরের বিভিন্ন পোশাক শিল্পাঞ্চলে ন্যূনতম মজুরি সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিকদের অসন্তোষ তীব্র রূপ নিয়েছে। সোমবার সকালে সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেওয়া তৈরি পোশাক কর্মীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর একাধিকবার পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে আশুলিয়ায় পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

আশুলিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ ও কারখানায় ছুটি

সোমবার সকালের দিকে আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলের সড়কগুলোতে তিন দফা দাবিতে অবস্থান নেন বিপুল সংখ্যক পোশাক শ্রমিক। এ সময় যানবাহন চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে পুলিশ তাদের দ্রুত সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং পুলিশের ওপর লক্ষ্য করে বিক্ষুব্ধদের ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে, যা পরবর্তীতে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নেয়। তবে প্রথমিক পর্যালোচনায় কোনো বড় ধরনের হতাহতের তথ্য মেলেনি। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

  • নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বাড়ইপাড়া মোড়ে সকালে প্রথম বিক্ষোভ প্রদর্শিত হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে সক্ষম হয়।
  • নিশ্চিন্তপুর এলাকার নিউ এইজ কারখানার ভেতরে শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রেখে প্রতিবাদ জানান এবং পরবর্তীতে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কে জড়ো হন।
  • পরিস্থিতি বিবেচনায় নিট এশিয়া, আল-মুসলিম, টাউজার লাইন ও অনন্ত গার্মেন্টসসহ বেশ কয়েকটি তৈরি পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।

সাভার এলাকার পোশাক কারখানাগুলোতে পরিস্থিতি তুলনামূলক স্বাভাবিক ছিল এবং শ্রমিকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মস্থলে যোগ দিতে দেখা গেছে বলে শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

শ্রমিক গ্রেপ্তার ও শিক্ষক-নেতাদের উদ্বেগ

নিউ এইজ কারখানার এক শ্রমিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তারা একদম শান্তিশৃঙ্খলার সাথে নিজেদের দাবি তুলে ধরছিলেন, কিন্তু পুলিশ খামাখা তাদের হটাতে চড়াও হয়। এছাড়া আগের দিন অর্থাৎ রবিবার তাদের দুই সহকর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে দাবি করে তাদের দ্রুত মুক্তির দাবি তোলেন তিনি।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড সোয়েটার শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু জানান, সোমবার সকালে কাজের শুরুতে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা এসে কাজ না করে প্রতিবাদের পথ বেছে নেন। রবিবার আটক হওয়া শ্রমিকদের মুক্তির জোর দাবি জানানোর সাথে সাথে অধিকার আদায়ের চলমান কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর আচরণের সমালোচনা করেন এই শ্রমিক নেতা।

পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বক্তব্য

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, সকালে সড়ক আটকে শ্রমিকেরা দাঁড়িয়ে পড়লেও দ্রুতই তাদের বুঝিয়ে সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি রুখতে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গাগুলোতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন আছে। রবিবার নিউ এইজ পোশাক কারখানার এক শ্রমিক আটকের বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেন।

শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, আগের দিন রবিবার ওই অঞ্চলের ১৭৭টি পোশাক কারখানায় একযোগে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে সোমবারের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে কতগুলো কারখানা পুরোপুরি উৎপাদনে ছিল তা তাত্ক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

গাজীপুর ও কালিয়াকৈরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও বিজিবি মোতায়েন

কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর অঞ্চলে টানা চতুর্থ দিনের মতো তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন পোশাক কর্মীরা। সোমবার দুপুর বারোটার দিকে পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার বিভিন্ন গলি থেকে হঠাৎ বের হয়ে বিক্ষোভকারীরা পুলিশ সদস্যদের ওপর ইটপাটকেল ছোঁড়েন। এর আগে সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের হরিণহাটি, মৌচাক ও পল্লীবিদ্যুৎ মোড়ে পথ আটকে যানবাহন ভাঙচুরের চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা।

গাজীপুরের থমথমে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে পুলিশ। পরবর্তীতে অতিরিক্ত নিরাপত্তার স্বার্থে শিল্পাঞ্চলে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি ২১ জন প্রশাসনিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে যৌথ দল সড়কগুলোতে টহল দেওয়া শুরু করেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গাজীপুর এলাকার প্রায় সব কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করতে হয়েছে।

পরিস্থিতির জটিলতা নিয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, সড়ক থেকে বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে দেওয়া হলেও তারা বারবার অলিগলি পেরিয়ে আবার মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।