ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ থমাস ডুলি ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ দেশে সার উৎপাদন বাড়াতে তিনটি নতুন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা চ্যালেঞ্জের মুখেও এমিরেটস গ্রুপের ১.১ বিলিয়ন ডলার মুনাফা নেতানিয়াহুর চেয়ে জনপ্রিয় জোহরান মামদানি, বলছে জিবিএওর জরিপ ইরানের ওপর নতুন সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভুটানকে হারিয়ে জয় দিয়ে সাফ মিশন শুরু বাংলাদেশের সাঁথিয়ায় ভাগ্নিকে নিরাপত্তা ঘটনায়: মামা আটক

ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ

  • আপডেট সময় : ১২:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • / 5
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে উচ্চমূল্যস্ফীতিতে অতিষ্ঠ ভোটারদের ব্যাপক সমর্থন নিয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টি ভূমিধস জয় পেয়েছে। তবে এই নির্বাচনী সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই দলটির সামনে এখন বড় পরীক্ষা—সাধারণ মানুষের সংসারের খরচ কমানো। যে উচ্চমূল্যস্ফীতির কারণে রিপাবলিকানদের নির্বাচনী বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছে, সেই একই চ্যালেঞ্জ এখন ডেমোক্রেটদেরও মোকাবিলা করতে হবে। ভোক্তারা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর দাবি জানালেও, দ্রুত এটি বাস্তবায়নের সুযোগ নীতিনির্ধারকদের হাতে সীমিত। সুস্থ অর্থনীতিতে খাদ্য ও জ্বালানির দাম সাময়িকভাবে কমতে পারে, কিন্তু কয়েক বছরের মূল্যবৃদ্ধি পুষিয়ে পণ্য আগের দামে ফিরিয়ে আনা বেশ কঠিন। এ ধরনের ব্যাপক মূল্যপতন কর্মসংস্থান ও আয় কমিয়ে দিতে পারে, যা সাধারণ পরিবারের সংকট আরও বাড়িয়ে তুলবে। তাই নতুন ডেমোক্রেট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস ও বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিদের এমন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে, যা মানুষের পারিবারিক বাজেটে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাদের কেউ কেউ খাদ্যপণ্য ও জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণে নির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথাও বলেছেন। ফলে যে স্বস্তি দেয়ার চেষ্টা, শেষ পর্যন্ত তাতে পরিবারগুলো আগের চেয়েও খারাপ অবস্থায় পড়তে পারে। ডেমোক্রেটদের ক্ষমতা সীমিত পারিবারিক ব্যয়ের ওপর চাপ সৃষ্টিকারী বিভিন্ন কারণ মোকাবিলায় ডেমোক্রেটদের ক্ষমতা সীমিত।

বাজেট ও নীতি বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসি প্রায়োরিটিজ’-এর ফেডারেল বাজেট নীতির জ্যেষ্ঠ পরিচালক ব্রেন্ডান ডিউক অ্যাক্সিওসকে জানান, ২০১৯ সালের পর্যায়ে দাম ফিরিয়ে আনা অসম্ভব হলেও নীতিগত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন আনা সম্ভব। তিনি বলেন, খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিতে কাটছাঁট প্রত্যাহার, স্বাস্থ্যবিমায় ভর্তুকি পুনর্বহাল এবং ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটালে সাধারণ মানুষের খরচ কিছুটা কমতে পারে। তবে এর বড় বাধা প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সম্মতি পাওয়া। ডিউকের মতে, এআই খাতের বিনিয়োগ-বুদ্বুদ ফেটে যাওয়া কিংবা বেকারত্ব বাড়ার মতো অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো মানুষের ক্রয়ক্ষমতার প্রকৃত সংকটকে আড়াল করে রাখতে পারে, কিন্তু সমস্যার স্থায়ী সমাধান দেয় না।

ক্ষমতায় ডেমোক্রেটদের থাকলেও তাদের হাত অনেকটাই বাঁধা। বাজারে প্রত্যাশার প্রভাবে তেলের দাম কিছুটা কমলেও ইরান যুদ্ধের পরবর্তী গতিপথ ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। কংগ্রেস চাইলে শুল্ক কমানোর পক্ষে ভোট দিতে পারে, যা পণ্যের ব্যয় কমাতে সহায়তা করবে। কিন্তু এক্ষেত্রে ট্রাম্পের ভেটো দেওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। এছাড়া, ব্যবসায়ীরা সেই শুল্ক হ্রাসের পুরো সুবিধা ভোক্তাদের দেবেন কি না, তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। একইসাথে ‘অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট’ বা সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা আইনের মেয়াদোত্তীর্ণ ভর্তুকি ও মেডিকেইডের কাটছাঁট প্রত্যাহারের উদ্যোগগুলোও ডেমোক্রেটদের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য কিংবা প্রেসিডেন্টের বাধার মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সমালোচকদের আশঙ্কা তবে এসব উদ্যোগ নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে।

নির্বাচনী প্রচারণায় অনেক ডেমোক্রেট প্রার্থী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছিলেন। টেক্সাসের নবনির্বাচিত আইনপ্রণেতা জেমস তালারিকো বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ানো ও শুল্ক কমানোর পরিকল্পনা রেখেছেন। নর্থ ক্যারোলাইনার রয় কুপার সবকিছুর দাম কমাতে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আর সাউথ ক্যারোলাইনার অ্যানি অ্যান্ড্রুজ ফেডারেল গ্যাস কর সাময়িকভাবে স্থগিতের প্রস্তাব দিয়েছেন। এর পাশাপাশি অঙ্গরাজ্য পর্যায়ে সরাসরি অর্থ সহায়তার পরিকল্পনাও রয়েছে। যেমন, টেক্সাসের নবনির্বাচিত গভর্নর জিনা হিনোজোসা ১ হাজার ৫০০ ডলারের রিবেট বা অর্থ ফেরত দেওয়ার চেক প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছেন।

এই উদ্যোগগুলো নিয়ে অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বন্ড ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ডাবললাইন ক্যাপিটালের সিইও জেফ গান্ডলাখ এক্সে দেওয়া পোস্টে সতর্ক করেছেন যে, ডেমোক্রেটদের জন্য ‘সাশ্রয়ী জীবনযাপন’ নিশ্চিত করা এখন প্রধান দায়িত্ব। তিনি মনে করেন, মানুষের হাতে সরাসরি টাকা দিয়ে উচ্চমূল্যস্ফীতিকে সহনীয় করার চেষ্টা কালক্রমে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। বাস্তব পরিস্থিতি হলো, ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে দীর্ঘ সময় ধরে মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধি বেশি জরুরি, যা অত্যন্ত ধীর গতির এবং রাজনৈতিকভাবে খুব একটা আকর্ষণীয় নয়। এর পাশাপাশি নতুন করে মূল্যস্ফীতির ধাক্কা না আসার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

কংগ্রেসে বড় সাফল্য পেলেও নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্রেটদের হাতে নেই এবং প্রেসিডেন্টের ভেটো ঠেকানোর মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতাও তাদের নেই। সাধারণত অর্থনীতির দায় কংগ্রেসের চেয়ে প্রেসিডেন্টকেই বেশি নিতে হয়। তবুও ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুনরায় হোয়াইট হাউসে ফেরা এবং কংগ্রেসে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে ডেমোক্রেটদের এখনই মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় : ১২:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে উচ্চমূল্যস্ফীতিতে অতিষ্ঠ ভোটারদের ব্যাপক সমর্থন নিয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টি ভূমিধস জয় পেয়েছে। তবে এই নির্বাচনী সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই দলটির সামনে এখন বড় পরীক্ষা—সাধারণ মানুষের সংসারের খরচ কমানো। যে উচ্চমূল্যস্ফীতির কারণে রিপাবলিকানদের নির্বাচনী বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছে, সেই একই চ্যালেঞ্জ এখন ডেমোক্রেটদেরও মোকাবিলা করতে হবে। ভোক্তারা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর দাবি জানালেও, দ্রুত এটি বাস্তবায়নের সুযোগ নীতিনির্ধারকদের হাতে সীমিত। সুস্থ অর্থনীতিতে খাদ্য ও জ্বালানির দাম সাময়িকভাবে কমতে পারে, কিন্তু কয়েক বছরের মূল্যবৃদ্ধি পুষিয়ে পণ্য আগের দামে ফিরিয়ে আনা বেশ কঠিন। এ ধরনের ব্যাপক মূল্যপতন কর্মসংস্থান ও আয় কমিয়ে দিতে পারে, যা সাধারণ পরিবারের সংকট আরও বাড়িয়ে তুলবে। তাই নতুন ডেমোক্রেট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস ও বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিদের এমন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে, যা মানুষের পারিবারিক বাজেটে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাদের কেউ কেউ খাদ্যপণ্য ও জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণে নির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথাও বলেছেন। ফলে যে স্বস্তি দেয়ার চেষ্টা, শেষ পর্যন্ত তাতে পরিবারগুলো আগের চেয়েও খারাপ অবস্থায় পড়তে পারে। ডেমোক্রেটদের ক্ষমতা সীমিত পারিবারিক ব্যয়ের ওপর চাপ সৃষ্টিকারী বিভিন্ন কারণ মোকাবিলায় ডেমোক্রেটদের ক্ষমতা সীমিত।

বাজেট ও নীতি বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসি প্রায়োরিটিজ’-এর ফেডারেল বাজেট নীতির জ্যেষ্ঠ পরিচালক ব্রেন্ডান ডিউক অ্যাক্সিওসকে জানান, ২০১৯ সালের পর্যায়ে দাম ফিরিয়ে আনা অসম্ভব হলেও নীতিগত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন আনা সম্ভব। তিনি বলেন, খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিতে কাটছাঁট প্রত্যাহার, স্বাস্থ্যবিমায় ভর্তুকি পুনর্বহাল এবং ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটালে সাধারণ মানুষের খরচ কিছুটা কমতে পারে। তবে এর বড় বাধা প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সম্মতি পাওয়া। ডিউকের মতে, এআই খাতের বিনিয়োগ-বুদ্বুদ ফেটে যাওয়া কিংবা বেকারত্ব বাড়ার মতো অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো মানুষের ক্রয়ক্ষমতার প্রকৃত সংকটকে আড়াল করে রাখতে পারে, কিন্তু সমস্যার স্থায়ী সমাধান দেয় না।

ক্ষমতায় ডেমোক্রেটদের থাকলেও তাদের হাত অনেকটাই বাঁধা। বাজারে প্রত্যাশার প্রভাবে তেলের দাম কিছুটা কমলেও ইরান যুদ্ধের পরবর্তী গতিপথ ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। কংগ্রেস চাইলে শুল্ক কমানোর পক্ষে ভোট দিতে পারে, যা পণ্যের ব্যয় কমাতে সহায়তা করবে। কিন্তু এক্ষেত্রে ট্রাম্পের ভেটো দেওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। এছাড়া, ব্যবসায়ীরা সেই শুল্ক হ্রাসের পুরো সুবিধা ভোক্তাদের দেবেন কি না, তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। একইসাথে ‘অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট’ বা সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা আইনের মেয়াদোত্তীর্ণ ভর্তুকি ও মেডিকেইডের কাটছাঁট প্রত্যাহারের উদ্যোগগুলোও ডেমোক্রেটদের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য কিংবা প্রেসিডেন্টের বাধার মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সমালোচকদের আশঙ্কা তবে এসব উদ্যোগ নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে।

নির্বাচনী প্রচারণায় অনেক ডেমোক্রেট প্রার্থী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছিলেন। টেক্সাসের নবনির্বাচিত আইনপ্রণেতা জেমস তালারিকো বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ানো ও শুল্ক কমানোর পরিকল্পনা রেখেছেন। নর্থ ক্যারোলাইনার রয় কুপার সবকিছুর দাম কমাতে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আর সাউথ ক্যারোলাইনার অ্যানি অ্যান্ড্রুজ ফেডারেল গ্যাস কর সাময়িকভাবে স্থগিতের প্রস্তাব দিয়েছেন। এর পাশাপাশি অঙ্গরাজ্য পর্যায়ে সরাসরি অর্থ সহায়তার পরিকল্পনাও রয়েছে। যেমন, টেক্সাসের নবনির্বাচিত গভর্নর জিনা হিনোজোসা ১ হাজার ৫০০ ডলারের রিবেট বা অর্থ ফেরত দেওয়ার চেক প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছেন।

এই উদ্যোগগুলো নিয়ে অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বন্ড ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ডাবললাইন ক্যাপিটালের সিইও জেফ গান্ডলাখ এক্সে দেওয়া পোস্টে সতর্ক করেছেন যে, ডেমোক্রেটদের জন্য ‘সাশ্রয়ী জীবনযাপন’ নিশ্চিত করা এখন প্রধান দায়িত্ব। তিনি মনে করেন, মানুষের হাতে সরাসরি টাকা দিয়ে উচ্চমূল্যস্ফীতিকে সহনীয় করার চেষ্টা কালক্রমে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। বাস্তব পরিস্থিতি হলো, ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে দীর্ঘ সময় ধরে মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধি বেশি জরুরি, যা অত্যন্ত ধীর গতির এবং রাজনৈতিকভাবে খুব একটা আকর্ষণীয় নয়। এর পাশাপাশি নতুন করে মূল্যস্ফীতির ধাক্কা না আসার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

কংগ্রেসে বড় সাফল্য পেলেও নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্রেটদের হাতে নেই এবং প্রেসিডেন্টের ভেটো ঠেকানোর মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতাও তাদের নেই। সাধারণত অর্থনীতির দায় কংগ্রেসের চেয়ে প্রেসিডেন্টকেই বেশি নিতে হয়। তবুও ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুনরায় হোয়াইট হাউসে ফেরা এবং কংগ্রেসে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে ডেমোক্রেটদের এখনই মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।