গ্রেফতারের পর কারাগারে আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আজিজ রাসেল। গতকাল গুলশানের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন দুদক কর্মকর্তারা। একই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালউদ্দিন চৌধুরীকেও।

গ্রেফতারের পর আসামিদের আদালতে উপস্থাপন করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে দুদক। আদালত দুদকের ওই আবেদন নাকচ করে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে যেকোনো দুদিন কারাফটকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন। আসামিদের পক্ষে এদিন জামিন আবেদন করা হলে তাও নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার।

প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে মামলাটি করা হয় গত বুধবার রাতে। দুদকের উপসহকারী পরিচালক সিলভিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলাটি করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ইকবালউদ্দিন চৌধুরী রাজউকের চেয়ারম্যান থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ও অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে অন্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে দুই ভাই শওকত আজিজ রাসেল ও আশফাক আজিজ রুবেলকে ২০ কাঠা জমির দুটি প্লট বরাদ্দ দেন।

শওকত আজিজ রাসেলের ভাই আশফাক আজিজ রুবেলও এ মামলার আসামি। পারটেক্স গ্রুপের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। মামলার অন্য আসামিরা হলেন— এসডি ফয়েজ, একেএম ওয়াহেদুল ইসলাম, এসএম জাফরুল্লাহ, এইচএম জহিরুল হক ও রেজাউল করিম তরফদার। একসময় রাজউক বোর্ডের সদস্য ছিলেন তারা।

উল্লেখ্য, পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান এমএ হাসেমের ছেলে শওকত আজিজ রাসেল আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এমডি। পারটেক্স থেকে ভাগ হয়ে গঠিত আম্বার গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে আম্বার কটন, আম্বার বোর্ডস, আম্বার ডেনিম, আম্বার আইটি, আম্বার লাইফস্টাইলসহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠান। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবিএল) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক হিসেবেও রয়েছেন শওকত আজিজ রাসেল।