ঢাকা ০৯:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

বাজারে ফিরল নকিয়া ৩৩১০

  • আপডেট সময় : ১১:০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 312
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নকিয়ার উদ্ভাবিত মোবাইল ফোনগুলোর মধ্যে সবচে জনপ্রিয় বলা হয় ৩৩১০ হ্যান্ডসেটটিকে। ১৭ বছর আগে প্রথম বাজারে এসেছিল এটি। এর পর বিশ্বব্যাপী বিক্রিতে রেকর্ড করে। ২০০৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এর উৎপাদন। ১২ বছর পরে ফের বাজারে এল বহুল জনপ্রিয় এ হ্যান্ডসেটটি।

৩৩১০ মূলত জনপ্রিয়তা পায় শক্তপোক্ত ডিজাইনের জন্য। একইসঙ্গে শক্তিশালী ব্যাটারির কারণে দীর্ঘ সময় চার্জ থাকত ফোনটিতে। সেসময় ৩৩১০ হ্যান্ডসেটের ‘স্ন্যাক’ ভিডিও গেমটিও তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। তবে এতে কোনো ক্যামেরা ছিল না। পর্দা ছিল সাদাকালো।

বাজারে আসার পরে মানুষ লুফে নেয় হ্যান্ডসেটটি। ২০০৫ সালে উৎপাদন বন্ধ করার আগে ৩৩১০ মডেলের ১২ কোটি ৬০ লাখ হ্যান্ডসেট বিক্রি করে নোকিয়া।

নতুন করে বাজারে আসা ৩৩১০ হ্যান্ডসেটটি বিক্রি করবে ফিনিশ স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান এইচএমডি গ্লোবাল। তারা নকিয়ার কিছু অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণও বাজারে ছেড়েছে। ৩৩১০ এর নতুন সংস্করণে  এসেছে সামান্য পরিবর্তন।

বাইরের ডিজাইন অনেকটা একই থাকলেও যুক্ত হয়েছে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা ও ২ মেগাপিক্সিলের ক্যামেরা। জনপ্রিয় ‘স্ন্যাক’ ভিডিও গেমটিও রাখা হয়েছে নতুন সংস্করণে। পর্দা হয়েছে রঙিন। আগের মতই দীর্ঘমেয়াদি ব্যাটারি রয়েছে নতুন সংস্করণেও। একবার চার্জ দিলে চলবে প্রায় ১ মাস। কথা বলা যাবে টানা ২২ ঘণ্টা। দাম ধরা হয়েছে মাত্র ৫১ ডলার।

বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয় ৩৩১০ মডেলের হ্যান্ডসেটটি নতুন করে বাজারজাত করার মাধ্যমে এককালের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড নকিয়া সদর্পে বাজারে ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ৩৩১০ মডেলের প্রতি মানুষের নস্টালজিয়াকে কাজে লাগাতে চায় কোম্পানিটি। তবে স্মার্টফোনের এ যুগে ৩৩১০ মডেলের আইকনিক ফিচার ফোনটি নতুন করে কতটা জনপ্রিয় হতে পারে, সেটাই দেখার বিষয়।

সূত্র: বিবিসি ও দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাজারে ফিরল নকিয়া ৩৩১০

আপডেট সময় : ১১:০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

নকিয়ার উদ্ভাবিত মোবাইল ফোনগুলোর মধ্যে সবচে জনপ্রিয় বলা হয় ৩৩১০ হ্যান্ডসেটটিকে। ১৭ বছর আগে প্রথম বাজারে এসেছিল এটি। এর পর বিশ্বব্যাপী বিক্রিতে রেকর্ড করে। ২০০৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এর উৎপাদন। ১২ বছর পরে ফের বাজারে এল বহুল জনপ্রিয় এ হ্যান্ডসেটটি।

৩৩১০ মূলত জনপ্রিয়তা পায় শক্তপোক্ত ডিজাইনের জন্য। একইসঙ্গে শক্তিশালী ব্যাটারির কারণে দীর্ঘ সময় চার্জ থাকত ফোনটিতে। সেসময় ৩৩১০ হ্যান্ডসেটের ‘স্ন্যাক’ ভিডিও গেমটিও তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। তবে এতে কোনো ক্যামেরা ছিল না। পর্দা ছিল সাদাকালো।

বাজারে আসার পরে মানুষ লুফে নেয় হ্যান্ডসেটটি। ২০০৫ সালে উৎপাদন বন্ধ করার আগে ৩৩১০ মডেলের ১২ কোটি ৬০ লাখ হ্যান্ডসেট বিক্রি করে নোকিয়া।

নতুন করে বাজারে আসা ৩৩১০ হ্যান্ডসেটটি বিক্রি করবে ফিনিশ স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান এইচএমডি গ্লোবাল। তারা নকিয়ার কিছু অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণও বাজারে ছেড়েছে। ৩৩১০ এর নতুন সংস্করণে  এসেছে সামান্য পরিবর্তন।

বাইরের ডিজাইন অনেকটা একই থাকলেও যুক্ত হয়েছে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা ও ২ মেগাপিক্সিলের ক্যামেরা। জনপ্রিয় ‘স্ন্যাক’ ভিডিও গেমটিও রাখা হয়েছে নতুন সংস্করণে। পর্দা হয়েছে রঙিন। আগের মতই দীর্ঘমেয়াদি ব্যাটারি রয়েছে নতুন সংস্করণেও। একবার চার্জ দিলে চলবে প্রায় ১ মাস। কথা বলা যাবে টানা ২২ ঘণ্টা। দাম ধরা হয়েছে মাত্র ৫১ ডলার।

বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয় ৩৩১০ মডেলের হ্যান্ডসেটটি নতুন করে বাজারজাত করার মাধ্যমে এককালের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড নকিয়া সদর্পে বাজারে ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ৩৩১০ মডেলের প্রতি মানুষের নস্টালজিয়াকে কাজে লাগাতে চায় কোম্পানিটি। তবে স্মার্টফোনের এ যুগে ৩৩১০ মডেলের আইকনিক ফিচার ফোনটি নতুন করে কতটা জনপ্রিয় হতে পারে, সেটাই দেখার বিষয়।

সূত্র: বিবিসি ও দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট