চুমু-বিকিনিতে আপত্তি নেই পরীমনির!

মডেল ও অভিনেত্রী পরীমনি একের পর এক নতুন খবর দিচ্ছেন। সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে চিত্রনায়িকা তিনি বলেছেন, চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে তিনি চুমুও খাবেন আবার বিকিনিও পরবেন। নিজের কাজ নিয়ে কথা বলেন ঢালিউডের হালের সেনসেশন পরীমনি।

সাক্ষাৎকারটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

কেমন আছেন?
পরীমনি: খুব ভাল। এই কিছুক্ষণ আগে শুটিং থেকে ফিরলাম। এবার ডিনার খেতে খেতে আপনার সঙ্গে গল্প করব।

অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে ১০-এ কত দেবেন?
পরীমনি: দুয়ের বেশি দেব না। কারণ আমি এখনও শিখছি। প্রতিদিনই আমার নতুন নতুন পরীক্ষা চলছে। তাই এই বিচার করার আমি কেউ নই। তবে অভিনয়টা আমার মধ্যে আছে এটা আমি জানি।

ঢাকাই নায়িকাদের দৌড়ে আপনি নিজেকে কোথায় রাখবেন?
পরীমনি: একটা কথাই বলব, ইন্ডাস্ট্রিতে অনেকে এসেই পরীমনি হতে চায়। তবে আমি কারও জায়গা নিতে চাই না। আমি মনে করি, ব্যক্তিগত আক্রমণ না করে প্রত্যেকেরই নিজের জায়গা করে নেওয়া উচিত।

অভিনয়ের জন্য আপনি কতটা সাহসী হতে পারবেন? পর্দায় চুমু খেতে বা বিকিনি পরতে আপত্তি আছে?
পরীমনি: দেখুন, শিল্পীদের ক্ষেত্রে এই ট্যাবু থাকা উচিত নয়। আমারও নেই। তাই চিত্রনাট্যের ডিমান্ড থাকলে আমি চুমুও খাব, বিকিনিও পরব।

কোনও স্বপ্নের চরিত্র?
পরীমনি: রবীন্দ্রনাথের গল্পের যে কোনও চরিত্রে অভিনয় করা আমার স্বপ্ন।

কেন?
পরীমনি: রবি ঠাকুর আমার প্রথম প্রেমিক। আমি আঁকতে শেখার পর প্রথম ওনার ছবিই একেছি। তাই এই অবসেশন আমার আছে।

পরীমনি সাতক্ষীরা জেলায় ১৯৯২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার আসল নাম শামসুন্নাহার স্মৃতি। ছোটবেলায় বাবা মনিরুল ইসলাম এবং মা সালমা সুলতানাকে হারানোর পর পরীমনি বড় হয়েছেন পিরোজপুরে নানা শামসুল হক গাজীর কাছে, এসএসসি পর্যন্ত বরিশালেই পড়াশোনা করেছেন।

পরীমনি ২০১১ সালে ঢাকায় চলে আসেন এবং বাফায় নাচ শিখেন। মডেলিং এর মাধ্যমে তার কর্ম জীবন শুরু করেন। ২০১৫ সালে ভালোবাসা সীমাহীন চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার বড় পর্দায় অভিষেক হয়। শামসুন্নাহার স্মৃতি থেকে আজকের পরীমনি হয়ে উঠা নায়িকা চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে নিজের অভিব্যাক্তি প্রকাশ করেছেন।