বিশ্বের প্রথম স্থানান্তরযোগ্য গবেষণাগার

অ্যান্টার্কটিকায় অবস্থিত ‘হ্যালি সিক্স’ নামের এই গবেষণাগারটি এমনভাবে তৈরি যেন প্রয়োজন হলে খুব সহজেই তাকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া যায়৷ ‘ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভে’-এর গবেষণাগার এটি৷
বিশ্বের প্রথম স্থানান্তরযোগ্য গবেষণাগার

অ্যান্টার্কটিকায় অবস্থিত ‘হ্যালি সিক্স’ নামের এই গবেষণাগারটি এমনভাবে তৈরি যেন প্রয়োজন হলে খুব সহজেই তাকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া যায়৷ ‘ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভে’-এর গবেষণাগার এটি৷

আছে স্কি লাগানো পা

     খেয়াল করে দেখুন গবেষণাগারটিতে আটটি আলাদা অংশ একটি আরেকটির সঙ্গে জোড়া লেগে আছে৷ প্রতিটি অংশের চারটি করে হাইড্রোলিক পা আছে৷ এসব পায়ের নীচে আছে বিশেষ স্কি, যার সাহায্যে প্রতিটি অংশকে সহজে ঠেলে এদিক-সেদিক নেয়া যায়৷

ইতিমধ্যে স্থান পরিবর্তন করতে হয়েছে

যে বিশাল ফাটলটি দেখতে পাচ্ছেন সে কারণে হ্যালি সিক্সকে একবার তার আগের জায়গা থেকে সরিয়ে আনতে হয়েছে৷ ‘ব্রান্ট আইস সেলফ’ নামে অ্যান্টার্কটিকার যে অংশে গবেষণাগারটি আছে সেখানে এই ফাটল দেখা দিয়েছে৷

আরও একটি কারণে প্রথম

হ্যালি সিক্সই প্রথম গবেষণাগার যেটি ওজন স্তরে বিভিন্ন ছিদ্র থাকার খবর দিয়েছে৷ এছাড়া মহাকাশের আবহাওয়া, ওজন ডিপ্লেশন, জলবায়ু পরিবর্তন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে গবেষণা করেন সেখানকার বিশেষজ্ঞরা৷

আড্ডা মারার জায়গা

দুই নম্বর ছবিতে হ্যালি সিক্সের মাঝখানে বড় লাল রঙের যে অংশটি দেখেছেন এই ছবিতে সেটিই আলাদাভাবে দেখতে পাচ্ছেন৷ এখানে গবেষক সহ অন্যরা আড্ডার জন্য জমায়েত হন৷ গ্রীষ্মকালে ৭০ আর শীতের সময় ১৬ জন থাকেন গবেষণাগারে৷

আলোর নাচন

হ্যালি সিক্স এমন জায়গায় অবস্থিত যেখানে বছরের ১০৫ দিন ২৪ ঘণ্টাই আঁধার থাকে৷ চরম আবহাওয়ার কারণে মাঝেমধ্যেই বাকি বিশ্বের সঙ্গে সেখানকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়৷ তবে সেখানে শুধু যে খারাপ সময়ই যায় তা নয়৷ প্রায়ই সেখানকার বাসিন্দারা রাতের বেলায় আকাশে আলোর নাচন ‘অরোরা অস্ট্রালিস’ দেখতে পান৷