ঢাকা ০৯:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

বাণিজ্য জটিলতা দূর করতে ভারতকে এগিয়ে আসতে হবে

  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৭
  • / 369
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে পণ্য রফতানিতে সক্ষমতা অর্জন করেছে। পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশে বাংলাদেশের তৈরি পণ্যের বেশ চাহিদা রয়েছে। রফতানি দিনদিন বাড়ছে। ভারত বাংলাদেশের ঘনিষ্ট বন্ধুরাষ্ট্র। অনেক বড় রাষ্ট্র, বাজারও অনেক বড়। ভারত বাংলাদেশকে তামাক ও মদ ছাড়া সব পণ্য ডিউটি ও কোটা ফ্রি রফতানির সুবিধা প্রদান করেছে। কিন্তু শুল্ক সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বাংলাদেশ আশানুরূপ রফতানি করতে পাচ্ছে না।

ভারত সফররত বাণিজ্যমন্ত্রী শনিবার রাতে ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স এবং ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় আয়োজিত অন্ধ্র প্রদেশের বিশাখাপত্তনমে পার্টনারশিপ সামিটের দ্বিতীয় দিনের ৮ নং প্ল্যানারি সেশনে বক্তৃতার সময় এ সব কথা বলেন।

তোফায়েল বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের প্রতি বাংলাদেশের প্রত্যাশা অনেক। পারষ্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি সম্ভব। উভয় দেশ আলোচনায় বসলে চলমান সমস্যাগুলো নিরসন করা যাবে। বাংলাদেশ আশা করছে আলোচনার মাধ্যমে বাণিজ্য জটিলতাগুলো দূর করা সম্ভব হবে। এ জন্য ভারতকে এগিয়ে আসতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ২৫টি পণ্য বিশ্বের ৬৮টি দেশে রফতানি করে আয় করতো মাত্র ৩৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে ১৯৬টি দেশে ৭২৯টি পণ্য রফতানি করে আয় হচ্ছে ৩৪.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, আগামী অর্থবছরে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হবে ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অথচ ২০০৫-৬ সালে দেশের রফতানি ছিল মাত্র ১০.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

দেশের ৫০ বছর পূর্তিতে ২০২১ সালে রফতানি লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আসবে তৈরি পোশাক থেকে। বাংলাদেশ শুধু তৈরি পোশাকের উপর সীমাবদ্ধ থাকবে না। সরকার সপ্তম পঞ্চমবার্ষিকী পরিকল্পনা মোতাবেক রফতানি পণ্যের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বাজার সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি দেশের ওষুধ, জাহাজ তৈরি, আইটি, ফার্নিচার, কৃষিজাত পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

কসফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির সেক্রেটারি জেনারেল চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জির সভাপতিত্বে এ প্ল্যানারি সেশনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী নির্মলা সিতারামান, নেপালের বাণিজ্যমন্ত্রী রোমি গোচান ঠাকালি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাণিজ্য জটিলতা দূর করতে ভারতকে এগিয়ে আসতে হবে

আপডেট সময় : ০১:৪৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৭

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে পণ্য রফতানিতে সক্ষমতা অর্জন করেছে। পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশে বাংলাদেশের তৈরি পণ্যের বেশ চাহিদা রয়েছে। রফতানি দিনদিন বাড়ছে। ভারত বাংলাদেশের ঘনিষ্ট বন্ধুরাষ্ট্র। অনেক বড় রাষ্ট্র, বাজারও অনেক বড়। ভারত বাংলাদেশকে তামাক ও মদ ছাড়া সব পণ্য ডিউটি ও কোটা ফ্রি রফতানির সুবিধা প্রদান করেছে। কিন্তু শুল্ক সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বাংলাদেশ আশানুরূপ রফতানি করতে পাচ্ছে না।

ভারত সফররত বাণিজ্যমন্ত্রী শনিবার রাতে ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স এবং ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় আয়োজিত অন্ধ্র প্রদেশের বিশাখাপত্তনমে পার্টনারশিপ সামিটের দ্বিতীয় দিনের ৮ নং প্ল্যানারি সেশনে বক্তৃতার সময় এ সব কথা বলেন।

তোফায়েল বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের প্রতি বাংলাদেশের প্রত্যাশা অনেক। পারষ্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি সম্ভব। উভয় দেশ আলোচনায় বসলে চলমান সমস্যাগুলো নিরসন করা যাবে। বাংলাদেশ আশা করছে আলোচনার মাধ্যমে বাণিজ্য জটিলতাগুলো দূর করা সম্ভব হবে। এ জন্য ভারতকে এগিয়ে আসতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ২৫টি পণ্য বিশ্বের ৬৮টি দেশে রফতানি করে আয় করতো মাত্র ৩৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে ১৯৬টি দেশে ৭২৯টি পণ্য রফতানি করে আয় হচ্ছে ৩৪.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, আগামী অর্থবছরে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হবে ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অথচ ২০০৫-৬ সালে দেশের রফতানি ছিল মাত্র ১০.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

দেশের ৫০ বছর পূর্তিতে ২০২১ সালে রফতানি লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আসবে তৈরি পোশাক থেকে। বাংলাদেশ শুধু তৈরি পোশাকের উপর সীমাবদ্ধ থাকবে না। সরকার সপ্তম পঞ্চমবার্ষিকী পরিকল্পনা মোতাবেক রফতানি পণ্যের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বাজার সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি দেশের ওষুধ, জাহাজ তৈরি, আইটি, ফার্নিচার, কৃষিজাত পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

কসফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির সেক্রেটারি জেনারেল চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জির সভাপতিত্বে এ প্ল্যানারি সেশনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী নির্মলা সিতারামান, নেপালের বাণিজ্যমন্ত্রী রোমি গোচান ঠাকালি।