ঢাকা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো হবে: প্রধানমন্ত্রী সাইফের সঙ্গেও কথা বলেন না কারিনা, রাত ১০টার পর স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে সাভার-আশুলিয়া ও গাজীপুর শিল্পাঞ্চল সাতক্ষীরায় প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক নারী ইউটিউব দেখে জাল নোটের কারখানা গড়ে আটক চার সম্পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে শেখ সাদীর জীবনদর্শন খুলনা ও বাগেরহাট সফরে প্রধানমন্ত্রী: থাকছে বিশেষ কর্মসূচি নির্বাচনে ভরাডুবির পর ট্রাম্পকে কর্মকৌশল পরিবর্তনের আহ্বান রিপাবলিকানদের মেট্রোরেলসহ তিন প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ ও অর্থায়ন চায় বাংলাদেশ কিশোরগঞ্জে সাবেক এমপির ছেলেকে নিরাপত্তা ঘটনায়: তদন্তে পুলিশ

অন্তর্বর্তী সরকার চালাবে দেশ : সেনা প্রধান

  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অগাস্ট ২০২৪
  • / 137
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতির উদ্দেশে গতকাল বক্তব্য দেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে দেশ পরিচালনা করা হবে। তিনি বলেন, ‘দেশে একটা ক্রান্তিকাল চলছে। সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের আমন্ত্রণ করেছিলাম। আমরা সুন্দর আলোচনা করেছি।

সেখানে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। এই সরকারের মাধ্যমে দেশের সব কার্যকলাপ চলবে। আমরা এখন মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে যাব। তাঁর কাছে গিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিষয়ে আলোচনা করে দেশ পরিচালনা করব।

’ গতকাল সোমবার বিকেলে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, সব হত্যা, সব অন্যায়ের বিচার আমরা করব। আপনারা সেনাবাহিনীর প্রতি, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আস্থা রাখেন। আমি সব দায়-দায়িত্ব নিচ্ছি।

আপনাদের জানমাল রক্ষাসহ আপনাদের কথা দিচ্ছি, আপনারা আশাহত হবেন না। ইনশাআল্লাহ আপনাদের যত দাবি আছে, সেগুলো আমরা পূরণ করব এবং দেশে একটা শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনব। আপনারা আমার সঙ্গে সহযোগিতা করেন। দয়া করে এই ভাঙচুর, হত্যা, মারামারি, সংঘর্ষ থেকে বিরত হন।’
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, আপনারা যদি আমার কথামতো চলেন, আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করি, নিঃসন্দেহে আমরা একটা সুন্দর পরিণতির দিকে অগ্রসর হতে পারব।

আপনারা আমাকে দয়া করে সাহায্য করেন। মারামারি করে এই সংঘাতের মাধ্যমে আমরা আর কিছু অ্যাচিভ করতে পারব না। আর কিছু আমরা পাব না।’
তিনি বলেন, ‘সুতরাং দয়া করে আপনারা সমস্ত ধ্বংসযজ্ঞ, সমস্ত অরাজকতা, সমস্ত সংঘর্ষ থেকে বিরত হন। ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই মিলে সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে অগ্রসর হব।’

দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা কিছু সময় দেন, ইনশাআল্লাহ সবাই মিলে সব কিছু সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম হব। আপনারা আর সংঘাতের পথে যাবেন না। দেশের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। দেশের অর্থ-সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে, লোকজন মারা যাচ্ছে। এসব কাজ থেকে বিরত হন। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করুন, আমি কথা দিচ্ছি, সমস্ত হত্যার বিচার করব। আপনারা সেনাবাহিনীর প্রতি আস্থা রাখুন, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আস্থা রাখুন, আমি সমস্ত দায়-দায়িত্ব নিচ্ছি।’

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কত সদস্য হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে সেনাপ্রধান বলেন, ‘এখনো খুব আর্লি স্টেজ। আমরা মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে যাব। আলাপ-আলোচনা করে ঠিক করা হবে। আজকেই রাষ্ট্রপতির কাছে যাব। রাতের মধ্যেই সমাধানে যাওয়ার চেষ্টা করব। দু-এক দিন আমাদের সময় লাগতে পারে।’

আলোচনায় কারা উপস্থিত ছিলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘জামায়াতের আমির, বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা, জাতীয় পার্টির নেতারা, সুধীসমাজের প্রতিনিধি ছিলেন। আওয়ামী লীগের কেউ ছিল না। সময় কম ছিল। যাঁদের পেয়েছি, তাঁদের বলেছি। হেফাজতে ইসলামের মামুনুল হক, জোনায়েদ সাকি ছিলেন। অধ্যাপক আসিফ নজরুল ছিলেন। তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বার্তাও দিয়েছেন। এখন ছাত্রদের কাজ শান্ত হওয়া ও আমাদের সাহায্য করা।’

সেনাবাহিনী শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজ চালিয়ে যাবে উল্লেখ করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘সবার দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে সাহায্য করা। পরিস্থিতি শান্ত হলে কারফিউ বা জরুরি অবস্থার প্রয়োজন নেই। আমি আদেশ দিয়েছি, কোনো গোলাগুলি হবে না। সেনাবাহিনী, পুলিশ কোনো গুলি চালাবে না। আশা করছি, এই বক্তব্যের পর পরিস্থিতির উন্নতি হবে।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে গণভবন অভিমুখে ‘লং মার্চ’ কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে গতকাল প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এমন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর বিকেলে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সূত্রে জানা যায়, সেনাপ্রধানের ভাষণের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে নেতাদের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। সেখানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস; জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা হামিদুর রহমান আজাদ, জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু, কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ চৌধুরী; হেফাজতে ইসলামের মাওলানা মামুনুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, খেলাফত মজলিসের মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গতকাল সন্ধ্যায় আইএসপিআর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান শিগগিরই ছাত্র-শিক্ষক প্রতিনিধির সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

অন্তর্বর্তী সরকার চালাবে দেশ : সেনা প্রধান

আপডেট সময় : ০৭:০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অগাস্ট ২০২৪

জাতির উদ্দেশে গতকাল বক্তব্য দেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে দেশ পরিচালনা করা হবে। তিনি বলেন, ‘দেশে একটা ক্রান্তিকাল চলছে। সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের আমন্ত্রণ করেছিলাম। আমরা সুন্দর আলোচনা করেছি।

সেখানে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। এই সরকারের মাধ্যমে দেশের সব কার্যকলাপ চলবে। আমরা এখন মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে যাব। তাঁর কাছে গিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিষয়ে আলোচনা করে দেশ পরিচালনা করব।

’ গতকাল সোমবার বিকেলে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, সব হত্যা, সব অন্যায়ের বিচার আমরা করব। আপনারা সেনাবাহিনীর প্রতি, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আস্থা রাখেন। আমি সব দায়-দায়িত্ব নিচ্ছি।

আপনাদের জানমাল রক্ষাসহ আপনাদের কথা দিচ্ছি, আপনারা আশাহত হবেন না। ইনশাআল্লাহ আপনাদের যত দাবি আছে, সেগুলো আমরা পূরণ করব এবং দেশে একটা শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনব। আপনারা আমার সঙ্গে সহযোগিতা করেন। দয়া করে এই ভাঙচুর, হত্যা, মারামারি, সংঘর্ষ থেকে বিরত হন।’
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, আপনারা যদি আমার কথামতো চলেন, আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করি, নিঃসন্দেহে আমরা একটা সুন্দর পরিণতির দিকে অগ্রসর হতে পারব।

আপনারা আমাকে দয়া করে সাহায্য করেন। মারামারি করে এই সংঘাতের মাধ্যমে আমরা আর কিছু অ্যাচিভ করতে পারব না। আর কিছু আমরা পাব না।’
তিনি বলেন, ‘সুতরাং দয়া করে আপনারা সমস্ত ধ্বংসযজ্ঞ, সমস্ত অরাজকতা, সমস্ত সংঘর্ষ থেকে বিরত হন। ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই মিলে সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে অগ্রসর হব।’

দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা কিছু সময় দেন, ইনশাআল্লাহ সবাই মিলে সব কিছু সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম হব। আপনারা আর সংঘাতের পথে যাবেন না। দেশের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। দেশের অর্থ-সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে, লোকজন মারা যাচ্ছে। এসব কাজ থেকে বিরত হন। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করুন, আমি কথা দিচ্ছি, সমস্ত হত্যার বিচার করব। আপনারা সেনাবাহিনীর প্রতি আস্থা রাখুন, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আস্থা রাখুন, আমি সমস্ত দায়-দায়িত্ব নিচ্ছি।’

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কত সদস্য হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে সেনাপ্রধান বলেন, ‘এখনো খুব আর্লি স্টেজ। আমরা মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে যাব। আলাপ-আলোচনা করে ঠিক করা হবে। আজকেই রাষ্ট্রপতির কাছে যাব। রাতের মধ্যেই সমাধানে যাওয়ার চেষ্টা করব। দু-এক দিন আমাদের সময় লাগতে পারে।’

আলোচনায় কারা উপস্থিত ছিলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘জামায়াতের আমির, বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা, জাতীয় পার্টির নেতারা, সুধীসমাজের প্রতিনিধি ছিলেন। আওয়ামী লীগের কেউ ছিল না। সময় কম ছিল। যাঁদের পেয়েছি, তাঁদের বলেছি। হেফাজতে ইসলামের মামুনুল হক, জোনায়েদ সাকি ছিলেন। অধ্যাপক আসিফ নজরুল ছিলেন। তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বার্তাও দিয়েছেন। এখন ছাত্রদের কাজ শান্ত হওয়া ও আমাদের সাহায্য করা।’

সেনাবাহিনী শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজ চালিয়ে যাবে উল্লেখ করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘সবার দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে সাহায্য করা। পরিস্থিতি শান্ত হলে কারফিউ বা জরুরি অবস্থার প্রয়োজন নেই। আমি আদেশ দিয়েছি, কোনো গোলাগুলি হবে না। সেনাবাহিনী, পুলিশ কোনো গুলি চালাবে না। আশা করছি, এই বক্তব্যের পর পরিস্থিতির উন্নতি হবে।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে গণভবন অভিমুখে ‘লং মার্চ’ কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে গতকাল প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এমন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর বিকেলে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সূত্রে জানা যায়, সেনাপ্রধানের ভাষণের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে নেতাদের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। সেখানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস; জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা হামিদুর রহমান আজাদ, জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু, কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ চৌধুরী; হেফাজতে ইসলামের মাওলানা মামুনুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, খেলাফত মজলিসের মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গতকাল সন্ধ্যায় আইএসপিআর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান শিগগিরই ছাত্র-শিক্ষক প্রতিনিধির সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসবেন।