ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাবে সরকার, জানালেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সেন্টমার্টিনের পথে কক্সবাজার থেকে যাত্রা করল পর্যটকবাহী ৩টি জাহাজ অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের মাটিতে প্রথম ফাইফার, ইতিহাস গড়ে উচ্ছ্বসিত হাসান মাহমুদ রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দাম বাড়ল কেজিতে ১৫ টাকা দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ থমাস ডুলি ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ

এশিয়া কাপ : বাংলাদেশের সম্ভাবনা কতটা?

  • আপডেট সময় : ০১:২৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অগাস্ট ২০২২
  • / 201
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

নতুন শুরুর কথা বলছে বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসান অধিনায়ক হওয়ার পর একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, একটা নতুন শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

তিনি নিজেই আবার বলেছেন, কয়েক দিন পর পরই যদি নতুন শুরু হয় তবে সেটা বাংলাদেশের জন্য ভালো কিছু নয়।

এই নতুন শুরুতে বাংলাদেশের দলে ঢুকেছেন সাব্বির রহমান।

তিন বছর আগে তিনি দল থেকে বাদ পড়েছিলেন, এরপর কেউই তার জায়গায় ব্যাট করে ভালো করতে পারেননি। তিনি মূলত নিজের পারফরম্যান্সের চেয়েও দলে ঢুকেছেন অন্য ক্রিকেটারদের ব্যর্থতার কারণেই।

একই সাথে দলে ফিরেছেন নাইম শেখ, এই টি টোয়েন্টি ওপেনারের স্ট্রাইক রেট ১০৩। সাম্প্রতিক সময়ে সাব্বির বা নাইম বলার মতো কোনো টি টোয়েন্টি ইনিংসই খেলেননি।

স্থানীয় গণমাধ্যমে নির্বাচকরা বলেছেন, নাইম শেখ মূলত দলে ঢুকেছেন কারণ, তাদের হাতে উপায় নেই।

একে তো লিটন দাশের ইনজুরি, তামিম ইকবাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টি টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ওপেনার আছেন কেবল এনামুল হক বিজয় আর নবাগত পারভেজ ইমন। তাই একজন ওপেনার দলে সাথে নিয়ে গেছেন তারা।

তাই এটাকে কতটা নতুন শুরু বলা যায় তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।

‘বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের পারফরম্যান্স খারাপ’, এই বক্তব্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও স্বীকার করেছেন কিছু দিন আগে।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের পরিস্থিতি কতটা খারাপ?
এশিয়া কাপে বাংলাদেশে নতুন করে শুরু করতেই হবে, নতুবা এই দলটির টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে উন্নতির কোনো আশা নেই।

শেষ ১৯ ম্যাচে, মাত্র চারটিতে জিতেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে বাংলাদেশের খেলা ১৩১টি ম্যাচের ৮৩টিতেই হেরেছে বাংলাদেশ, জয় পেয়েছে ৪৫টিতে।

২০২১ সালে দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পর বাংলাদেশ পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের সাথে সিরিজ হেরেছে এবং আফগানিস্তানের সাথে সিরিজ ড্র করেছে।

অর্থাৎ শেষ চারটি সিরিজে জয় পায়নি বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল।

বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের স্ট্রাইক রেট করুণ
কিছু দিন আগেই বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব হারানো মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের স্ট্রাইক রেট ১১৭। বর্তমান অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের স্ট্রাইক রেট ১২০। বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক যিনি টি-টোয়েন্টি দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, তামিম ইকবালের স্ট্রাইক রেট ছিল ১১৭। বর্তমান দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মুশফিকুর রহিমের স্ট্রাইক রেট ১১৫। বাংলাদেশের হার্ড হিটার হিসেবে বিবেচিত সাব্বির রহমানের টি-টোয়েন্ট স্ট্রাইক রেট ১২০।

বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের ভবিষ্যৎ ভাবা হয় আফিফ হোসেনকে, ৪৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার পরেও তার গড় ২০ এর নিচে, স্ট্রাইক রেট ১১৮। টি-টোয়েন্টি দলের নিয়মিত ওপেনার নাইম শেখের স্ট্রাইক রেট ১০৩। দলে সুযোগ পাওয়া উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান এনামুল হক বিজয়ের স্ট্রাইক রেট ১১৫। স্লগ করতে পারেন বলে ধারণা করা হয় শেখ মেহেদি হাসান, তার স্ট্রাইক রেট ১০৪। দেশ ছাড়ার আগে পাওয়ার ক্রিকেটের কথা বলেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, তার স্ট্রাইক রেট ১০৯। বাংলাদেশের একমাত্র পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের স্ট্রাইক রেট ১১৫, তাকেও হার্ড হিটার বিবেচনা করা হয় বাংলাদেশের ক্রিকেটে। বাংলাদেশের তিন ফরম্যাটেই নিয়মিত ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজের স্ট্রাইক রেট ১১৭। যেখানে প্রতিপক্ষ দলের বাবর আজমকে ১২৮ স্ট্রাইক রেট নিয়েও সমালোচনা সইতে হয়, ভারতের লোকেশ রাহুল ১৪২ স্ট্রাইক রেট নিয়েও দলে জায়গা নিয়ে নিশ্চিত নন।

বাংলাদেশের বোলিং নিয়ে খানিকটা স্বস্তি আছে
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের একমাত্র স্বস্তির জায়গা বোলিং।

বাংলাদেশের দুজন স্পিনার নাসুম আহমেদ ও শেখ মেহেদী হাসান নিয়মিত পাওয়ার প্লেতে দলকে উইকেট এনে দিচ্ছেন। এতে করে প্রতিপক্ষ কিছুটা হলেও বিপাকে পড়ে শুরুতেই। কিন্তু পুরো বিশ ওভারজুড়ে ভালো বোলিং করা হয়না।

বাংলাদেশের বোলিংয়ে সবচেয়ে বড় দুর্বলতা শক্তিশালী পেস বোলিং না থাকা।

তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, সাইফুদ্দিনরা উইকেট পেলেও বেশ খরুচে বোলিং করেন।

তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বে স্পিনটা কাজে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ধরনের উইকেটে বলে গ্রিপ পাওয়া যায়, স্পিনটাও ধরে ভালো।

নাসুম, মেহেদীরাও সুযোগ পেলে ভালো করতে পারবেন এই ধরনের কন্ডিশনে।

তবে সামগ্রিকভাবে দলের ভালো করতে হলে পেস বোলারদের যথাযথ প্রভাব ফেলা ও ব্যাটসম্যানদের রানের গতি বাড়ানোটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে।

আগামীকাল শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপ।

২০১৬ সালের মতো, এবারের এশিয়া কাপ হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে।
সূত্র : বিবিসি

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এশিয়া কাপ : বাংলাদেশের সম্ভাবনা কতটা?

আপডেট সময় : ০১:২৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অগাস্ট ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

নতুন শুরুর কথা বলছে বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসান অধিনায়ক হওয়ার পর একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, একটা নতুন শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

তিনি নিজেই আবার বলেছেন, কয়েক দিন পর পরই যদি নতুন শুরু হয় তবে সেটা বাংলাদেশের জন্য ভালো কিছু নয়।

এই নতুন শুরুতে বাংলাদেশের দলে ঢুকেছেন সাব্বির রহমান।

তিন বছর আগে তিনি দল থেকে বাদ পড়েছিলেন, এরপর কেউই তার জায়গায় ব্যাট করে ভালো করতে পারেননি। তিনি মূলত নিজের পারফরম্যান্সের চেয়েও দলে ঢুকেছেন অন্য ক্রিকেটারদের ব্যর্থতার কারণেই।

একই সাথে দলে ফিরেছেন নাইম শেখ, এই টি টোয়েন্টি ওপেনারের স্ট্রাইক রেট ১০৩। সাম্প্রতিক সময়ে সাব্বির বা নাইম বলার মতো কোনো টি টোয়েন্টি ইনিংসই খেলেননি।

স্থানীয় গণমাধ্যমে নির্বাচকরা বলেছেন, নাইম শেখ মূলত দলে ঢুকেছেন কারণ, তাদের হাতে উপায় নেই।

একে তো লিটন দাশের ইনজুরি, তামিম ইকবাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টি টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ওপেনার আছেন কেবল এনামুল হক বিজয় আর নবাগত পারভেজ ইমন। তাই একজন ওপেনার দলে সাথে নিয়ে গেছেন তারা।

তাই এটাকে কতটা নতুন শুরু বলা যায় তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।

‘বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের পারফরম্যান্স খারাপ’, এই বক্তব্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও স্বীকার করেছেন কিছু দিন আগে।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের পরিস্থিতি কতটা খারাপ?
এশিয়া কাপে বাংলাদেশে নতুন করে শুরু করতেই হবে, নতুবা এই দলটির টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে উন্নতির কোনো আশা নেই।

শেষ ১৯ ম্যাচে, মাত্র চারটিতে জিতেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে বাংলাদেশের খেলা ১৩১টি ম্যাচের ৮৩টিতেই হেরেছে বাংলাদেশ, জয় পেয়েছে ৪৫টিতে।

২০২১ সালে দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পর বাংলাদেশ পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের সাথে সিরিজ হেরেছে এবং আফগানিস্তানের সাথে সিরিজ ড্র করেছে।

অর্থাৎ শেষ চারটি সিরিজে জয় পায়নি বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল।

বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের স্ট্রাইক রেট করুণ
কিছু দিন আগেই বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব হারানো মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের স্ট্রাইক রেট ১১৭। বর্তমান অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের স্ট্রাইক রেট ১২০। বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক যিনি টি-টোয়েন্টি দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, তামিম ইকবালের স্ট্রাইক রেট ছিল ১১৭। বর্তমান দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মুশফিকুর রহিমের স্ট্রাইক রেট ১১৫। বাংলাদেশের হার্ড হিটার হিসেবে বিবেচিত সাব্বির রহমানের টি-টোয়েন্ট স্ট্রাইক রেট ১২০।

বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের ভবিষ্যৎ ভাবা হয় আফিফ হোসেনকে, ৪৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার পরেও তার গড় ২০ এর নিচে, স্ট্রাইক রেট ১১৮। টি-টোয়েন্টি দলের নিয়মিত ওপেনার নাইম শেখের স্ট্রাইক রেট ১০৩। দলে সুযোগ পাওয়া উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান এনামুল হক বিজয়ের স্ট্রাইক রেট ১১৫। স্লগ করতে পারেন বলে ধারণা করা হয় শেখ মেহেদি হাসান, তার স্ট্রাইক রেট ১০৪। দেশ ছাড়ার আগে পাওয়ার ক্রিকেটের কথা বলেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, তার স্ট্রাইক রেট ১০৯। বাংলাদেশের একমাত্র পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের স্ট্রাইক রেট ১১৫, তাকেও হার্ড হিটার বিবেচনা করা হয় বাংলাদেশের ক্রিকেটে। বাংলাদেশের তিন ফরম্যাটেই নিয়মিত ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজের স্ট্রাইক রেট ১১৭। যেখানে প্রতিপক্ষ দলের বাবর আজমকে ১২৮ স্ট্রাইক রেট নিয়েও সমালোচনা সইতে হয়, ভারতের লোকেশ রাহুল ১৪২ স্ট্রাইক রেট নিয়েও দলে জায়গা নিয়ে নিশ্চিত নন।

বাংলাদেশের বোলিং নিয়ে খানিকটা স্বস্তি আছে
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের একমাত্র স্বস্তির জায়গা বোলিং।

বাংলাদেশের দুজন স্পিনার নাসুম আহমেদ ও শেখ মেহেদী হাসান নিয়মিত পাওয়ার প্লেতে দলকে উইকেট এনে দিচ্ছেন। এতে করে প্রতিপক্ষ কিছুটা হলেও বিপাকে পড়ে শুরুতেই। কিন্তু পুরো বিশ ওভারজুড়ে ভালো বোলিং করা হয়না।

বাংলাদেশের বোলিংয়ে সবচেয়ে বড় দুর্বলতা শক্তিশালী পেস বোলিং না থাকা।

তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, সাইফুদ্দিনরা উইকেট পেলেও বেশ খরুচে বোলিং করেন।

তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বে স্পিনটা কাজে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ধরনের উইকেটে বলে গ্রিপ পাওয়া যায়, স্পিনটাও ধরে ভালো।

নাসুম, মেহেদীরাও সুযোগ পেলে ভালো করতে পারবেন এই ধরনের কন্ডিশনে।

তবে সামগ্রিকভাবে দলের ভালো করতে হলে পেস বোলারদের যথাযথ প্রভাব ফেলা ও ব্যাটসম্যানদের রানের গতি বাড়ানোটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে।

আগামীকাল শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপ।

২০১৬ সালের মতো, এবারের এশিয়া কাপ হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে।
সূত্র : বিবিসি

বিডিসংবাদ/এএইচএস