ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রামের ৯টি কলেজে এইচএসসিতে পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থীই যশোর বোর্ডে এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়: পাশের হার কমেছে ৫% রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৫.৬ শতাংশ, জিপিএ-৫ ৪৫২০ হুথিদের হামলা বন্ধে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের আরাগচির |: ফের হামলা হলে ধ্বংসাত্মক জবাব দেওয়ার ইউক্রেনকে ৫০০ প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়ার অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের এইচএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৯ হাজার কমল প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা জার্মানিতে জেন-জি বিক্ষোভের ঢেউ, সতর্ক প্রশাসন বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় উল্লম্ফন

কুড়িগ্রামের ৯টি কলেজে এইচএসসিতে পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থীই

  • আপডেট সময় : ০২:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কুড়িগ্রাম জেলার নয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, জেলায় মোট ৭০ জন পরীক্ষার্থী এসব প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নিয়েছিলেন, যাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের আটটি জেলায় মোট ৪৯টি প্রতিষ্ঠান এমন শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার তালিকায় রয়েছে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রতিষ্ঠান কুড়িগ্রামেরই। শিক্ষা বোর্ড প্রকাশিত শূন্য শতাংশ (০%) পাসকৃত কলেজের তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জেলার এই ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, শূন্য শতাংশ পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রৌমারীর চর শৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ থেকে ২৪ জন, নাগেশ্বরীর নাগেশ্বরী মডেল কলেজ থেকে ১৫ জন, সিঙ্গার ডাবরীহাট কলেজ থেকে ১০ জন, সিঙ্গার ডাবরীর হাট বিএল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৬ জন, কুটি পয়রাডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৫ জন এবং চিলাখানা মডেল কলেজ থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

এছাড়া উলিপুরের হযরত ফাতিমা (রা. পৌর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৩ জন, চিলমারীর দক্ষিণ খাউরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২ জন এবং রাজারহাটের পাঙ্গারানী লক্ষ্মীপ্রিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন, যাদের কেউ সফল হতে পারেননি।

শিক্ষাবিদ অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু এ বিষয়ে মন্তব্য করেন, চরাঞ্চল ও সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবকাঠামোগত সংকটের পাশাপাশি তীব্র শিক্ষকস্বল্পতা রয়েছে। এছাড়া শিক্ষকদের নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অনাগ্রহ ও মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত আসক্তি এমন ভয়াবহ ফলাফলের জন্য প্রধানত দায়ী বলে তিনি মনে করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কুড়িগ্রামের ৯টি কলেজে এইচএসসিতে পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থীই

আপডেট সময় : ০২:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কুড়িগ্রাম জেলার নয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, জেলায় মোট ৭০ জন পরীক্ষার্থী এসব প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নিয়েছিলেন, যাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের আটটি জেলায় মোট ৪৯টি প্রতিষ্ঠান এমন শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার তালিকায় রয়েছে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রতিষ্ঠান কুড়িগ্রামেরই। শিক্ষা বোর্ড প্রকাশিত শূন্য শতাংশ (০%) পাসকৃত কলেজের তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জেলার এই ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, শূন্য শতাংশ পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রৌমারীর চর শৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ থেকে ২৪ জন, নাগেশ্বরীর নাগেশ্বরী মডেল কলেজ থেকে ১৫ জন, সিঙ্গার ডাবরীহাট কলেজ থেকে ১০ জন, সিঙ্গার ডাবরীর হাট বিএল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৬ জন, কুটি পয়রাডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৫ জন এবং চিলাখানা মডেল কলেজ থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

এছাড়া উলিপুরের হযরত ফাতিমা (রা. পৌর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৩ জন, চিলমারীর দক্ষিণ খাউরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২ জন এবং রাজারহাটের পাঙ্গারানী লক্ষ্মীপ্রিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন, যাদের কেউ সফল হতে পারেননি।

শিক্ষাবিদ অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু এ বিষয়ে মন্তব্য করেন, চরাঞ্চল ও সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবকাঠামোগত সংকটের পাশাপাশি তীব্র শিক্ষকস্বল্পতা রয়েছে। এছাড়া শিক্ষকদের নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অনাগ্রহ ও মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত আসক্তি এমন ভয়াবহ ফলাফলের জন্য প্রধানত দায়ী বলে তিনি মনে করেন।