ঢাকা ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসরায়েলে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত: একজনের মৃত্যু, আহত একজন ডিজেল সংকট: ইউরোপের মজুত ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর চাপ সংগীতের ৬০ বছর: খুরশীদ আলমের সংবর্ধনায় সুজানা রূপার গান চুয়েটে উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে ছুটির দিনেও বিক্ষোভ অক্টোবরে তিনটি লঘুচাপের সম্ভাবনা, হতে পারে ঘূর্ণিঝড় জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব: বিমানে দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্তির সময় বাড়ালো মন্ত্রণালয় ময়মনসিংহে বাসচাপায় অটোরিকশার ৭ যাত্রী নিহত ফেসবুকের সহায়তায় শেষ পর্যন্ত সুচিত্রার বিয়ে সম্পন্ন বাংলামোটরে ব্যবসায়ীকে নিরাপত্তা ঘটনায়: বহিষ্কৃত যুবদল নেতাসহ আটক চার

ক্রিকেটের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের আবেগ আমাকে আকৃষ্ট করেছে : ডোমিঙ্গো

  • আপডেট সময় : ০৭:১৫:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০১৯
  • / 219
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক

ক্রিকেটের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের প্রবল আবেগ ও ভালবাসা রাসেল ডোমিঙ্গোকে এতটাই আকৃষ্ট করেছে যে, এ দেশকে নিজের বাড়ি হিসেবে মেনে নিতে এক সেকেন্ডও সময় নেননি।

জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে ডোমিঙ্গোর নাম ঘোাষণাকালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছিলেন, টাইগার দলের তদারকি করার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকানের উৎসাহই বাছাইয়ে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রেখেছে।

পাপনের বক্তব্যে কারো সন্দেহ থাকলেও , বাংলাদেশী গণমাধ্যমের সঙ্গে নবনিযুক্ত কোচ ডোমিঙ্গোর প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যের পর আর সেটা থাকবে না।

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক এ কোচ বলেন, ক্রিকেটের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের প্রবল আবেগ তিনি দেখেছেন মূলত সেটিই তাকে এখানে আসতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

বাঙালি কতটা ক্রিকেট পাগল জাতি ডোমিঙ্গো তার প্রমাণ পান ২০০৪ সালে প্রথমবার বাংলাদেশ সফরে। এরপর আরো ছয়বার তিনি বাংলাদেশ সফর করেন এবং প্রতিবারই ক্রিকেটের প্রতি বাংলাদেশী জনগণের আবেগের প্রমাণ পান।

ডোমিঙ্গোর নিজের ভাষায়, বিশ্বের কোথাও তিনি ক্রিকেট নিয়ে এক উন্মাদনা দেখেননি এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় এমনটা কল্পনারও বাইরে।
সংবাদ সম্মেলনে বুধবার ডোমিঙ্গো বলেন, ‘এই নিয়ে সপ্তমবার আমি বাংলাদেশে এলাম। প্রথমবার এসেছিলাম ২০০৪ সালে অনুর্ধ-১৯ বিশ্বকাপে, আজ থেকে প্রায় ১৫ বছর আগে।’

‘বাংলাদেশের জনগণ ক্রিকেটকে কতটা ভালবাসে- প্রতিবারই আমি একই চিত্র দেখেছি। আপনি দক্ষিণ আফ্রিকায় দেখবে একটা সংবাদ সম্মেলনে বড় জোড় আট থেকে নয় জন সাংবাদিক উপস্থিত থাকে। আমার জীবনে একটা সংবাদ সম্মেলনে আমি কখনো এত সাংবাদিক দেখিনি। আমি বিমান বন্দরে নেমে এত বেশি সাংবাদিক দেখেছি, যা সত্যিই অবিশ্বাস্য’ উল্লেখ করেন তিনি।

সবশেষে তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটর প্রতি বাংলাদেশের মানুষেল এই যে আবেগ এটা আমি সব সময় লক্ষ্য করেছি। আপনি দেখেছেন মাঠে বাঘের পোশাক পড়া দর্শকের উপস্থিতি সব সময় অবশ্যই দলের সমর্থনের জন্য অনেক বড় ফ্যাক্টর। সম্ভবত এটাই আমাকে এখানে আসতে অনুপ্রাণীত করেছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ক্রিকেটের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের আবেগ আমাকে আকৃষ্ট করেছে : ডোমিঙ্গো

আপডেট সময় : ০৭:১৫:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০১৯

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক

ক্রিকেটের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের প্রবল আবেগ ও ভালবাসা রাসেল ডোমিঙ্গোকে এতটাই আকৃষ্ট করেছে যে, এ দেশকে নিজের বাড়ি হিসেবে মেনে নিতে এক সেকেন্ডও সময় নেননি।

জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে ডোমিঙ্গোর নাম ঘোাষণাকালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছিলেন, টাইগার দলের তদারকি করার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকানের উৎসাহই বাছাইয়ে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রেখেছে।

পাপনের বক্তব্যে কারো সন্দেহ থাকলেও , বাংলাদেশী গণমাধ্যমের সঙ্গে নবনিযুক্ত কোচ ডোমিঙ্গোর প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যের পর আর সেটা থাকবে না।

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক এ কোচ বলেন, ক্রিকেটের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের প্রবল আবেগ তিনি দেখেছেন মূলত সেটিই তাকে এখানে আসতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

বাঙালি কতটা ক্রিকেট পাগল জাতি ডোমিঙ্গো তার প্রমাণ পান ২০০৪ সালে প্রথমবার বাংলাদেশ সফরে। এরপর আরো ছয়বার তিনি বাংলাদেশ সফর করেন এবং প্রতিবারই ক্রিকেটের প্রতি বাংলাদেশী জনগণের আবেগের প্রমাণ পান।

ডোমিঙ্গোর নিজের ভাষায়, বিশ্বের কোথাও তিনি ক্রিকেট নিয়ে এক উন্মাদনা দেখেননি এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় এমনটা কল্পনারও বাইরে।
সংবাদ সম্মেলনে বুধবার ডোমিঙ্গো বলেন, ‘এই নিয়ে সপ্তমবার আমি বাংলাদেশে এলাম। প্রথমবার এসেছিলাম ২০০৪ সালে অনুর্ধ-১৯ বিশ্বকাপে, আজ থেকে প্রায় ১৫ বছর আগে।’

‘বাংলাদেশের জনগণ ক্রিকেটকে কতটা ভালবাসে- প্রতিবারই আমি একই চিত্র দেখেছি। আপনি দক্ষিণ আফ্রিকায় দেখবে একটা সংবাদ সম্মেলনে বড় জোড় আট থেকে নয় জন সাংবাদিক উপস্থিত থাকে। আমার জীবনে একটা সংবাদ সম্মেলনে আমি কখনো এত সাংবাদিক দেখিনি। আমি বিমান বন্দরে নেমে এত বেশি সাংবাদিক দেখেছি, যা সত্যিই অবিশ্বাস্য’ উল্লেখ করেন তিনি।

সবশেষে তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটর প্রতি বাংলাদেশের মানুষেল এই যে আবেগ এটা আমি সব সময় লক্ষ্য করেছি। আপনি দেখেছেন মাঠে বাঘের পোশাক পড়া দর্শকের উপস্থিতি সব সময় অবশ্যই দলের সমর্থনের জন্য অনেক বড় ফ্যাক্টর। সম্ভবত এটাই আমাকে এখানে আসতে অনুপ্রাণীত করেছে।’