ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মেট্রোরেলসহ তিন প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ ও অর্থায়ন চায় বাংলাদেশ কিশোরগঞ্জে সাবেক এমপির ছেলেকে নিরাপত্তা ঘটনায়: তদন্তে পুলিশ নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার সীতাকুণ্ডে দুর্ঘটনা: ফুটওভারব্রিজ নির্মাণের চিঠি জেলা প্রশাসকের আন্দোলন দমনে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর টুঙ্গিপাড়া প্রেস ক্লাবের ৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য প্রীতি সম্মেলন পোশাকশিল্পে অস্থিরতার নেপথ্যে রাজনৈতিক চক্রান্ত, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাঠের সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন টেনেরিফের ফুটবলার হেসুস দে মিগেল আন্দোলন শ্রমিকদের নয়, ইন্ধন দিচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুনামগঞ্জে প্রেমের বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০

চাঁদে যাওয়ার প্রস্তুতি নাও, শিশুদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০৬:০১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুলাই ২০২৪
  • / 127
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি


নিউজ ডেস্ক

চাঁদে যাওয়ার জন্য জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণায় উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য করে তুলতে শিশুদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার গোপালগঞ্জের গিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ উদ্বোধনকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত এই স্কুলটিতে এ সময় তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের আঁকা ‘এসো বঙ্গবন্ধুকে জানি’ শীর্ষক অ্যালবামেরও মোড়ক উন্মোচন করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা একদিন চাঁদে যাব। কাজেই এখন থেকেই সেভাবে তোমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজের জীবনের কোনো সুখ, সুবিধা কিছুই দেখেননি। শুধু একটাই চিন্তা ছিল, এ দেশের মানুষকে কীভাবে দরিদ্রতা থেকে মুক্তি দেবেন। কীভাবে একটা উন্নত জীবন দেবেন এবং ছোট্ট শিশুরা যাতে একটা সুন্দর জীবন পেতে পারে, সেটাই তাঁর লক্ষ্য ছিল।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমি মনে করি, আজ যে উদ্যোগ এখানে নেওয়া হয়েছে অথবা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যেসব শিশু, তাদের আঁকা ছবি দিয়ে অ্যালবাম করা বা ছবির মাধ্যমে ইতিহাসকে যে তুলে ধরা, এর মাধ্যমে শিশুদের ইতিহাস জানার সুযোগ হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগের জন্য শিক্ষক, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে শিশুদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমাদের জন্য দোয়া ও আশীর্বাদ রইল। তোমরা লেখাপড়া শিখে বড় হও। কারণ, যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলব, তোমরাই হবে তার স্মার্ট নাগরিক, যারা দেশ চালাবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তোমাদের মাঝ থেকেই বের হয়ে আসবে আমার মতো প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী; তোমরা বড় বড় জায়গায় যাবে, গবেষণা করবে, বিজ্ঞানী হবে। আর আমরা একসময় চাঁদেও যাব, কোনো চিন্তা নেই। কাজেই সবাইকে এখন থেকে সেভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে, পড়াশোনা করতে হবে।’

এর আগে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অধ্যয়নকৃত বিদ্যালয়ে পৌঁছালে শিক্ষার্থীরা তাঁকে স্বাগত জানায়। শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। তিনি সেখানে কিছুক্ষণ সময় কাটান এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নার ঘুরে দেখেন। যেখানে জাতির পিতার ওপর রচিত বিভিন্ন বই রাখা হয়েছে। পরে তিনি টুঙ্গিপাড়া মাল্টিপারপাস পৌর সুপার মার্কেট পরিদর্শন করেন।

এর আগে সকালে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সেখানে ফাতেহা পাঠ করেন ও জাতির পিতা এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাতে যোগ দেন।

গতকাল শুক্রবার পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যায় দুই দিনের সফরে পিতৃভূমি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া এসে পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে গোপালগঞ্জে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

বিডিসংবাদ/আতে

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চাঁদে যাওয়ার প্রস্তুতি নাও, শিশুদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:০১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুলাই ২০২৪


নিউজ ডেস্ক

চাঁদে যাওয়ার জন্য জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণায় উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য করে তুলতে শিশুদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার গোপালগঞ্জের গিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ উদ্বোধনকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত এই স্কুলটিতে এ সময় তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের আঁকা ‘এসো বঙ্গবন্ধুকে জানি’ শীর্ষক অ্যালবামেরও মোড়ক উন্মোচন করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা একদিন চাঁদে যাব। কাজেই এখন থেকেই সেভাবে তোমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজের জীবনের কোনো সুখ, সুবিধা কিছুই দেখেননি। শুধু একটাই চিন্তা ছিল, এ দেশের মানুষকে কীভাবে দরিদ্রতা থেকে মুক্তি দেবেন। কীভাবে একটা উন্নত জীবন দেবেন এবং ছোট্ট শিশুরা যাতে একটা সুন্দর জীবন পেতে পারে, সেটাই তাঁর লক্ষ্য ছিল।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমি মনে করি, আজ যে উদ্যোগ এখানে নেওয়া হয়েছে অথবা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যেসব শিশু, তাদের আঁকা ছবি দিয়ে অ্যালবাম করা বা ছবির মাধ্যমে ইতিহাসকে যে তুলে ধরা, এর মাধ্যমে শিশুদের ইতিহাস জানার সুযোগ হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগের জন্য শিক্ষক, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে শিশুদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমাদের জন্য দোয়া ও আশীর্বাদ রইল। তোমরা লেখাপড়া শিখে বড় হও। কারণ, যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলব, তোমরাই হবে তার স্মার্ট নাগরিক, যারা দেশ চালাবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তোমাদের মাঝ থেকেই বের হয়ে আসবে আমার মতো প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী; তোমরা বড় বড় জায়গায় যাবে, গবেষণা করবে, বিজ্ঞানী হবে। আর আমরা একসময় চাঁদেও যাব, কোনো চিন্তা নেই। কাজেই সবাইকে এখন থেকে সেভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে, পড়াশোনা করতে হবে।’

এর আগে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অধ্যয়নকৃত বিদ্যালয়ে পৌঁছালে শিক্ষার্থীরা তাঁকে স্বাগত জানায়। শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। তিনি সেখানে কিছুক্ষণ সময় কাটান এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নার ঘুরে দেখেন। যেখানে জাতির পিতার ওপর রচিত বিভিন্ন বই রাখা হয়েছে। পরে তিনি টুঙ্গিপাড়া মাল্টিপারপাস পৌর সুপার মার্কেট পরিদর্শন করেন।

এর আগে সকালে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সেখানে ফাতেহা পাঠ করেন ও জাতির পিতা এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাতে যোগ দেন।

গতকাল শুক্রবার পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যায় দুই দিনের সফরে পিতৃভূমি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া এসে পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে গোপালগঞ্জে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

বিডিসংবাদ/আতে