ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তথ্য ফাঁসকারীদের ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত: ট্রাম্প মক্কায় মসজিদে অনৈতিক কাজে জড়িত দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার: ৪ জেলে কারাগারে নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার সৌদিতে কঠোর বিধিনিষেধ: ১০৩ ফ্লাইটে বিপাকে ১৫ হাজার যাত্রী ইরানে জিবিইউ-৪৩/বি বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা মার্কিন বাহিনীর মোজাম্বিক থেকে দেশে ফিরল প্রবাসী জসিমের মৃত অবস্থায় পাওয়া পেশোয়ারে স্কুলের ছাদ ধসে ২৯ জনের প্রাণহানি আইএমএফের ঋণ পেতে পূরণ করতে হবে নির্দিষ্ট শর্ত: অর্থমন্ত্রী ফেনীর ফাজিলপুরে ১৯ নভেম্বর বিনামূল্যে রোগী দেখবেন অধ্যাপক ডা. কাজী দ্বীন মোহাম্মদ

ঝিনাইদহে ১৯ বছর যাবত একটি রাস্তা চলাচলে অনুপযোগী

  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুন ২০১৭
  • / 247
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালা-লক্ষীপুর গ্রামের রাস্তা টি দীর্ঘ প্রায় ১৯ বছর যাবত এই ইটের রাস্তাটি মেরামতের কোন আলামত পাওয়া যায়নি। এলাকায় একমাত্র চলাচলের রাস্তাটি গ্রামের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। গ্রামটির প্রধান সড়ক সচল না থাকার কারনে তারা বিভিন্ন প্রকার ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। কিন্তু এলাকার জনপ্রতিনিধিরা রাস্তার হালহকিকত দেখার পর ও তারা বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। এ রাস্তা তাদের শহর ও বাজারে যাবার এক মাত্র পথ।

এ রাস্তা দিয়ে এখন ভ্যান, রিক্সা, বাইসাইকেল, মোটর সাইকেল, ট্রাক ও পায়ে হেটে চলাচলে অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। গ্রামের মনিুষ তাদের ক্ষেতের ফসল বিক্রি করতে শহরে নিতে পারছে না। রাস্তার অবস্থা বেহাল থাকার কারনে কোন যানবাহন কুষকদের মালামাল নিতে চাচ্ছে না। একটু বর্ষা হলে তো রাস্তা দিয়ে চলতে গেলে মানুষদের পড়তে হয় নানা ভোগান্তিতে। প্রায় ১৯ বছর আগে রাস্তাটিতে ইটের কাজ হয়েছে। এর পর থেকে এ রাস্তায় মেরামতের কোন কাজ সহয়নি। গ্রামবাসি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে রাস্তার ব্যাপারে জানালে, তাদের কে জানিয়ে দেয় দ্রুত মেরামতের কাজ হবে ।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালা-লক্ষিপুর রাস্তাটি খুবই ব্যাস্ততম থাকে সর্বসময়। গ্রামবাসি ও স্কুল ,কলেজের শিক্ষার্থীদের আসা যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটাই।একটু বর্ষা হলে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না। রাস্তার দু,পাশে কাদা পানিতে ভর্তি থাকে । রাস্তার ইট উঠে গেছে অনেক আগ থেকে। কাদা পানিতে ভোরে থাকে। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস দেখার কেউ নেই। বিভিন্ন নির্বাচনের প্রার্থীরা ভোট নেবার জন্য বলে থাকেন তারা পাশ করার পর তাদের নাকি প্রথম কাজ হবে এ রাস্তা মেরামত । কিন্তু ভোটে পাশ করার পর কেউ মনে রাখেনি দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতি। আগে এলাকাবাসি স্তর ভিত্তিক জনপ্রতিনিধিদের কাছে রাস্তার ব্যাপারে গেলে তাদের কে জানিয়ে দেওয়া হয় আপনাদের রাস্তার কাজ তাড়াতাড়ি করা হবে । কিন্তু হাজারো প্রতিশ্রুত শুনার পর ও কেউ তাদের কথা রাখেনি ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঝিনাইদহে ১৯ বছর যাবত একটি রাস্তা চলাচলে অনুপযোগী

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুন ২০১৭

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালা-লক্ষীপুর গ্রামের রাস্তা টি দীর্ঘ প্রায় ১৯ বছর যাবত এই ইটের রাস্তাটি মেরামতের কোন আলামত পাওয়া যায়নি। এলাকায় একমাত্র চলাচলের রাস্তাটি গ্রামের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। গ্রামটির প্রধান সড়ক সচল না থাকার কারনে তারা বিভিন্ন প্রকার ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। কিন্তু এলাকার জনপ্রতিনিধিরা রাস্তার হালহকিকত দেখার পর ও তারা বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। এ রাস্তা তাদের শহর ও বাজারে যাবার এক মাত্র পথ।

এ রাস্তা দিয়ে এখন ভ্যান, রিক্সা, বাইসাইকেল, মোটর সাইকেল, ট্রাক ও পায়ে হেটে চলাচলে অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। গ্রামের মনিুষ তাদের ক্ষেতের ফসল বিক্রি করতে শহরে নিতে পারছে না। রাস্তার অবস্থা বেহাল থাকার কারনে কোন যানবাহন কুষকদের মালামাল নিতে চাচ্ছে না। একটু বর্ষা হলে তো রাস্তা দিয়ে চলতে গেলে মানুষদের পড়তে হয় নানা ভোগান্তিতে। প্রায় ১৯ বছর আগে রাস্তাটিতে ইটের কাজ হয়েছে। এর পর থেকে এ রাস্তায় মেরামতের কোন কাজ সহয়নি। গ্রামবাসি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে রাস্তার ব্যাপারে জানালে, তাদের কে জানিয়ে দেয় দ্রুত মেরামতের কাজ হবে ।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালা-লক্ষিপুর রাস্তাটি খুবই ব্যাস্ততম থাকে সর্বসময়। গ্রামবাসি ও স্কুল ,কলেজের শিক্ষার্থীদের আসা যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটাই।একটু বর্ষা হলে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না। রাস্তার দু,পাশে কাদা পানিতে ভর্তি থাকে । রাস্তার ইট উঠে গেছে অনেক আগ থেকে। কাদা পানিতে ভোরে থাকে। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস দেখার কেউ নেই। বিভিন্ন নির্বাচনের প্রার্থীরা ভোট নেবার জন্য বলে থাকেন তারা পাশ করার পর তাদের নাকি প্রথম কাজ হবে এ রাস্তা মেরামত । কিন্তু ভোটে পাশ করার পর কেউ মনে রাখেনি দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতি। আগে এলাকাবাসি স্তর ভিত্তিক জনপ্রতিনিধিদের কাছে রাস্তার ব্যাপারে গেলে তাদের কে জানিয়ে দেওয়া হয় আপনাদের রাস্তার কাজ তাড়াতাড়ি করা হবে । কিন্তু হাজারো প্রতিশ্রুত শুনার পর ও কেউ তাদের কথা রাখেনি ।