ঢাকা ১১:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঝিনাইদহে ১৯ বছর যাবত একটি রাস্তা চলাচলে অনুপযোগী

  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুন ২০১৭
  • / 236
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালা-লক্ষীপুর গ্রামের রাস্তা টি দীর্ঘ প্রায় ১৯ বছর যাবত এই ইটের রাস্তাটি মেরামতের কোন আলামত পাওয়া যায়নি। এলাকায় একমাত্র চলাচলের রাস্তাটি গ্রামের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। গ্রামটির প্রধান সড়ক সচল না থাকার কারনে তারা বিভিন্ন প্রকার ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। কিন্তু এলাকার জনপ্রতিনিধিরা রাস্তার হালহকিকত দেখার পর ও তারা বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। এ রাস্তা তাদের শহর ও বাজারে যাবার এক মাত্র পথ।

এ রাস্তা দিয়ে এখন ভ্যান, রিক্সা, বাইসাইকেল, মোটর সাইকেল, ট্রাক ও পায়ে হেটে চলাচলে অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। গ্রামের মনিুষ তাদের ক্ষেতের ফসল বিক্রি করতে শহরে নিতে পারছে না। রাস্তার অবস্থা বেহাল থাকার কারনে কোন যানবাহন কুষকদের মালামাল নিতে চাচ্ছে না। একটু বর্ষা হলে তো রাস্তা দিয়ে চলতে গেলে মানুষদের পড়তে হয় নানা ভোগান্তিতে। প্রায় ১৯ বছর আগে রাস্তাটিতে ইটের কাজ হয়েছে। এর পর থেকে এ রাস্তায় মেরামতের কোন কাজ সহয়নি। গ্রামবাসি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে রাস্তার ব্যাপারে জানালে, তাদের কে জানিয়ে দেয় দ্রুত মেরামতের কাজ হবে ।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালা-লক্ষিপুর রাস্তাটি খুবই ব্যাস্ততম থাকে সর্বসময়। গ্রামবাসি ও স্কুল ,কলেজের শিক্ষার্থীদের আসা যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটাই।একটু বর্ষা হলে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না। রাস্তার দু,পাশে কাদা পানিতে ভর্তি থাকে । রাস্তার ইট উঠে গেছে অনেক আগ থেকে। কাদা পানিতে ভোরে থাকে। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস দেখার কেউ নেই। বিভিন্ন নির্বাচনের প্রার্থীরা ভোট নেবার জন্য বলে থাকেন তারা পাশ করার পর তাদের নাকি প্রথম কাজ হবে এ রাস্তা মেরামত । কিন্তু ভোটে পাশ করার পর কেউ মনে রাখেনি দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতি। আগে এলাকাবাসি স্তর ভিত্তিক জনপ্রতিনিধিদের কাছে রাস্তার ব্যাপারে গেলে তাদের কে জানিয়ে দেওয়া হয় আপনাদের রাস্তার কাজ তাড়াতাড়ি করা হবে । কিন্তু হাজারো প্রতিশ্রুত শুনার পর ও কেউ তাদের কথা রাখেনি ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঝিনাইদহে ১৯ বছর যাবত একটি রাস্তা চলাচলে অনুপযোগী

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুন ২০১৭

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালা-লক্ষীপুর গ্রামের রাস্তা টি দীর্ঘ প্রায় ১৯ বছর যাবত এই ইটের রাস্তাটি মেরামতের কোন আলামত পাওয়া যায়নি। এলাকায় একমাত্র চলাচলের রাস্তাটি গ্রামের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। গ্রামটির প্রধান সড়ক সচল না থাকার কারনে তারা বিভিন্ন প্রকার ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। কিন্তু এলাকার জনপ্রতিনিধিরা রাস্তার হালহকিকত দেখার পর ও তারা বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। এ রাস্তা তাদের শহর ও বাজারে যাবার এক মাত্র পথ।

এ রাস্তা দিয়ে এখন ভ্যান, রিক্সা, বাইসাইকেল, মোটর সাইকেল, ট্রাক ও পায়ে হেটে চলাচলে অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। গ্রামের মনিুষ তাদের ক্ষেতের ফসল বিক্রি করতে শহরে নিতে পারছে না। রাস্তার অবস্থা বেহাল থাকার কারনে কোন যানবাহন কুষকদের মালামাল নিতে চাচ্ছে না। একটু বর্ষা হলে তো রাস্তা দিয়ে চলতে গেলে মানুষদের পড়তে হয় নানা ভোগান্তিতে। প্রায় ১৯ বছর আগে রাস্তাটিতে ইটের কাজ হয়েছে। এর পর থেকে এ রাস্তায় মেরামতের কোন কাজ সহয়নি। গ্রামবাসি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে রাস্তার ব্যাপারে জানালে, তাদের কে জানিয়ে দেয় দ্রুত মেরামতের কাজ হবে ।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালা-লক্ষিপুর রাস্তাটি খুবই ব্যাস্ততম থাকে সর্বসময়। গ্রামবাসি ও স্কুল ,কলেজের শিক্ষার্থীদের আসা যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটাই।একটু বর্ষা হলে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না। রাস্তার দু,পাশে কাদা পানিতে ভর্তি থাকে । রাস্তার ইট উঠে গেছে অনেক আগ থেকে। কাদা পানিতে ভোরে থাকে। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস দেখার কেউ নেই। বিভিন্ন নির্বাচনের প্রার্থীরা ভোট নেবার জন্য বলে থাকেন তারা পাশ করার পর তাদের নাকি প্রথম কাজ হবে এ রাস্তা মেরামত । কিন্তু ভোটে পাশ করার পর কেউ মনে রাখেনি দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতি। আগে এলাকাবাসি স্তর ভিত্তিক জনপ্রতিনিধিদের কাছে রাস্তার ব্যাপারে গেলে তাদের কে জানিয়ে দেওয়া হয় আপনাদের রাস্তার কাজ তাড়াতাড়ি করা হবে । কিন্তু হাজারো প্রতিশ্রুত শুনার পর ও কেউ তাদের কথা রাখেনি ।