ঢাকা ১২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাঁচ ধাপে ৪৩০০ ইউপি নির্বাচন ফ্লাইদুবাইয়ের উড়োজাহাজ সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায় ষড়যন্ত্র: আটক মালদ্বীপের দুই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির সামনে দ্বিমুখী বড় চ্যালেঞ্জ টঙ্গীর ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কারখানায় আগুন হুতিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান সৌদি আরবের দিল্লির যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভ: পুলিশের বাধা ভেঙে আটক সিজেপি নেতারা জেএফকে বিমানবন্দরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হয়রানির তীব্র নিন্দা জানাল অক্সিজেন ত্রুটি: মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের ফ্লাইট থেকে ৭৮ যাত্রী বাদ ইরানের সক্ষমতা ও স্থায়িত্ব বুঝতে ভুল করেছে যুক্তরাষ্ট্র: আইআরজিসি ১৫১ সদস্যের নতুন কমিটি আনছে এনসিপি

পাঁচ ধাপে ৪৩০০ ইউপি নির্বাচন

  • আপডেট সময় : ১২:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী বছরের ২৭ মের মধ্যে পাঁচ ধাপে দেশের প্রায় ৪ হাজার ৩০০ ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের চূড়ান্ত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই ধারাবাহিকতায় আগামী ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপে প্রায় ৮০০ ইউপিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বাকি ধাপগুলোর ভোট পর্যায়ক্রমে ৪ ফেব্রুয়ারি, ২৯ এপ্রিল, ১৩ মে এবং ২৭ মে সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। আইন অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যেই সব ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ইসির ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপ, ৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপ, ২৯ এপ্রিল তৃতীয় ধাপ, ১৩ মে চতুর্থ ধাপ এবং ২৭ মে পঞ্চম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, প্রতিটি ধাপের নির্বাচনের ৪২ থেকে ৪৫ দিন আগে আনুষ্ঠানিকভাবে তফসিল ঘোষণা করা হবে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা নিজ নিজ এলাকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন। সামগ্রিক প্রক্রিয়াটিকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যেই কমিশন এবার বাড়তি প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভৌগোলিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে প্রথমে জেলা ও উপজেলা সদর সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিতভাবে মোতায়েন ও পরিচালনা করা সহজ হয়। প্রয়োজনে পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে বাড়তি ফোর্স আনা হবে।

নির্বাচনে পেশিশক্তির প্রদর্শন, প্রভাব বিস্তার বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির বিষয়ে কমিশন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মানদণ্ড অনুসরণ করেই এবারের ইউপি নির্বাচন পরিচালনা করা হবে। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশন কোনো প্রকার ছাড় দেবে না। নির্বাচনি পরিবেশ বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো পক্ষের প্রতি বিশেষ বিবেচনা না করে অপরাধে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কঠোর শাস্তির বিধান সম্পর্কে তিনি জানান, নির্বাচনে জুডিসিয়াল ও এক্সিকিউটিভ—দুই ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনি বিধিমালা লঙ্ঘন করলে অপরাধের ধরন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। এমনকি কোনো প্রার্থী নির্বাচনি আইন ভঙ্গ করলে তদন্ত সাপেক্ষে তার প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও কমিশনের হাতে থাকবে। কমিশনের লক্ষ্য কাউকে শাস্তি দেওয়া নয়, বরং আইন মেনে চলার পরিবেশ তৈরি করা।

নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করা হবে বলে জানান কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। সব দলের সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছে ইসি। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং অনিয়ম রোধে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় তদারকির জন্য মনিটরিং কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের।

স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) সংশোধিত নির্বাচন বিধিমালার ৮০(ক) ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের হুমকি দেওয়া, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করা গুরুতর অপরাধ। একইসঙ্গে ভোটারদের বাধা প্রদান, মনোনয়ন দাখিলে বাধা দেওয়া বা পর্যবেক্ষকদের কাজে হস্তক্ষেপ করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এসব অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে। আমরা ভালো নির্বাচন করার জন্যই দায়িত্ব নিয়েছি। একইভাবে কমিশন অনুমোদিত গণমাধ্যম প্রতিনিধি বা পর্যবেক্ষকের কাজে বাধা দেওয়া, তাদের শারীরিক ক্ষতি করা কিংবা দায়িত্ব পালনে ব্যবহৃত সরঞ্জাম নষ্ট করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ছাড়া কোনো ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া বা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা, কোনো প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র দাখিল থেকে বিরত রাখা কিংবা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে বাধ্য করার মতো কর্মকাণ্ডও এ বিধির আওতায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

কমিশন আরও জানিয়েছে, কোনো কেন্দ্রের ফলাফল যদি পক্ষপাতদুষ্ট বা কারচুপির মাধ্যমে প্রভাবিত হয়, তবে তাৎক্ষণিক তদন্ত করে ওই কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করার ক্ষমতা রয়েছে ইসির। প্রয়োজনে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে পুনরায় নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হবে। কোনো প্রার্থী বা তার এজেন্টের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নির্দেশে বিধিমালা লঙ্ঘিত হলে কমিশন লিখিত আদেশের মাধ্যমে প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে।

সব মিলিয়ে, সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণই কমিশনের প্রধান চ্যালেঞ্জ। ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, অপরাধীদের তাৎক্ষণিক বিচার এবং প্রার্থিতা বাতিলের মতো কঠোর পদক্ষেপগুলো কার্যকরভাবে প্রয়োগের মাধ্যমেই নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করে তোলা সম্ভব বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ধাপভিত্তিক নির্বাচনি এলাকা নির্ধারণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাঁচ ধাপে ৪৩০০ ইউপি নির্বাচন

আপডেট সময় : ১২:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

আগামী বছরের ২৭ মের মধ্যে পাঁচ ধাপে দেশের প্রায় ৪ হাজার ৩০০ ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের চূড়ান্ত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই ধারাবাহিকতায় আগামী ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপে প্রায় ৮০০ ইউপিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বাকি ধাপগুলোর ভোট পর্যায়ক্রমে ৪ ফেব্রুয়ারি, ২৯ এপ্রিল, ১৩ মে এবং ২৭ মে সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। আইন অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যেই সব ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ইসির ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপ, ৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপ, ২৯ এপ্রিল তৃতীয় ধাপ, ১৩ মে চতুর্থ ধাপ এবং ২৭ মে পঞ্চম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, প্রতিটি ধাপের নির্বাচনের ৪২ থেকে ৪৫ দিন আগে আনুষ্ঠানিকভাবে তফসিল ঘোষণা করা হবে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা নিজ নিজ এলাকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন। সামগ্রিক প্রক্রিয়াটিকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যেই কমিশন এবার বাড়তি প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভৌগোলিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে প্রথমে জেলা ও উপজেলা সদর সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিতভাবে মোতায়েন ও পরিচালনা করা সহজ হয়। প্রয়োজনে পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে বাড়তি ফোর্স আনা হবে।

নির্বাচনে পেশিশক্তির প্রদর্শন, প্রভাব বিস্তার বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির বিষয়ে কমিশন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মানদণ্ড অনুসরণ করেই এবারের ইউপি নির্বাচন পরিচালনা করা হবে। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশন কোনো প্রকার ছাড় দেবে না। নির্বাচনি পরিবেশ বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো পক্ষের প্রতি বিশেষ বিবেচনা না করে অপরাধে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কঠোর শাস্তির বিধান সম্পর্কে তিনি জানান, নির্বাচনে জুডিসিয়াল ও এক্সিকিউটিভ—দুই ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনি বিধিমালা লঙ্ঘন করলে অপরাধের ধরন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। এমনকি কোনো প্রার্থী নির্বাচনি আইন ভঙ্গ করলে তদন্ত সাপেক্ষে তার প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও কমিশনের হাতে থাকবে। কমিশনের লক্ষ্য কাউকে শাস্তি দেওয়া নয়, বরং আইন মেনে চলার পরিবেশ তৈরি করা।

নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করা হবে বলে জানান কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। সব দলের সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছে ইসি। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং অনিয়ম রোধে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় তদারকির জন্য মনিটরিং কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের।

স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) সংশোধিত নির্বাচন বিধিমালার ৮০(ক) ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের হুমকি দেওয়া, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করা গুরুতর অপরাধ। একইসঙ্গে ভোটারদের বাধা প্রদান, মনোনয়ন দাখিলে বাধা দেওয়া বা পর্যবেক্ষকদের কাজে হস্তক্ষেপ করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এসব অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে। আমরা ভালো নির্বাচন করার জন্যই দায়িত্ব নিয়েছি। একইভাবে কমিশন অনুমোদিত গণমাধ্যম প্রতিনিধি বা পর্যবেক্ষকের কাজে বাধা দেওয়া, তাদের শারীরিক ক্ষতি করা কিংবা দায়িত্ব পালনে ব্যবহৃত সরঞ্জাম নষ্ট করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ছাড়া কোনো ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া বা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা, কোনো প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র দাখিল থেকে বিরত রাখা কিংবা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে বাধ্য করার মতো কর্মকাণ্ডও এ বিধির আওতায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

কমিশন আরও জানিয়েছে, কোনো কেন্দ্রের ফলাফল যদি পক্ষপাতদুষ্ট বা কারচুপির মাধ্যমে প্রভাবিত হয়, তবে তাৎক্ষণিক তদন্ত করে ওই কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করার ক্ষমতা রয়েছে ইসির। প্রয়োজনে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে পুনরায় নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হবে। কোনো প্রার্থী বা তার এজেন্টের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নির্দেশে বিধিমালা লঙ্ঘিত হলে কমিশন লিখিত আদেশের মাধ্যমে প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে।

সব মিলিয়ে, সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণই কমিশনের প্রধান চ্যালেঞ্জ। ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, অপরাধীদের তাৎক্ষণিক বিচার এবং প্রার্থিতা বাতিলের মতো কঠোর পদক্ষেপগুলো কার্যকরভাবে প্রয়োগের মাধ্যমেই নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করে তোলা সম্ভব বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ধাপভিত্তিক নির্বাচনি এলাকা নির্ধারণ করা হবে।