পাকিস্তানসহ অ্যারাবিয়ান সিনেমাগুলো আসা উচিৎ: নওশাদ
- আপডেট সময় : ০৬:২৬:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪
- / 178
আহমেদ তেপান্তর
‘সিনেমা হলের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে সময় লাগবে’ বলে জানিয়েছেন মধুমিতা সিনেমা হলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ। আজকালের খবরের কাছে শুক্রবার মুঠোফোনে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
বলেন, রায়হান রাফির তুফান সিনেমার পর সারা দেশেই এক ধরনের অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে। ওই সিনেমাতেই হল মালিকরা লাভের মুখ দেখেছিলো। এরপর দুই মাস সব হলই বন্ধ। ভালো সিনেমা মুক্তি না পেলে ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা কষ্টসাধ্য হবে।
অবস্থার উত্তরণের জন্য করণীয় প্রসঙ্গে নওশাদ বলেন, এ মূহুর্তে প্রদর্শক সমিতিতে যারা আছেন তাদের উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন। কিন্ত আমরা দেখতে পাচ্ছি তারা এ নিয়ে খুব একটা চিন্তিত না। কিন্তু ঐতিহ্যবাহী মধুমিতার ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আমার চিন্তার জায়গা রয়েছে। কারণ আমার হলে যেমন আয় তেমনি প্রচুর খরচও হয়। অন্যদের তেমন খরচের বালাই নেই। তাছাড়া মাল্টিপ্লেক্সগুলোও ক্ষতির মুখে পড়েছে। সমিতি এসব নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত বলে মনে হচ্ছে না।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক বিষয় নিয়ে আমাদের মাথা ঘামানোর সুযোগ নেই, কিন্তু চলমান অবস্থার দিকে নজর দিলে এতটুকু বুঝতে পারি ভারতের সঙ্গে এ মুহূর্তে সিনেমা ব্যবসাটা সুখকর হবে না। সেটা যদি না হয় তাহলে নতুন বাজারের দিকে নজর দিতে হবে।
“এক্ষেত্রে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ছাড়াও ইরান, মিশরের সিনেমাগুলোর বেশ কাটতি রয়েছে বিশে^। সেসব দেশের সিনেমাগুলো আমদানি হলে আমাদের দেশের দর্শকরা উপভোগ করতে পারবেন।”
নওশাদ বলেন, ‘বিশ^ায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশীয় সিঙ্গেল স্ক্রিনের অবস্থা এখন ত্রাহী ত্রাহী। অবস্থা উত্তরণে মধুমিতায় ইতিমধ্যে সিলভার স্ক্রিন, সাউন্ড বসেছে। খুব শিগগিরই ৪-কে মেশিনও বসবে। আমি এখন চিন্তিত এতো টাকা ইনভেস্ট করে সে পর্যন্ত কি দাঁড়ায়? যদি বিদেশি সিনেমাগুলো ঠিকঠাক আসতে শুরু করে তাহলেতো ভালোই, নইলে দেশীয় ভালো প্রডাকশনগুলো মুক্তির ব্যবস্তা নেওয়া উচিৎ প্রযোজকদের। কয়েকটা দেশীয় প্রডাকশনের কথা শুনেছি সেগুলো মুক্তি পেলে হয়তো হল মালিকরা ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।’
“এফডিসিকেন্দ্রিক নির্মাতারা গল্প আর আড্ডায় মশগুল। তাদের মাথায় নতুন ভাবনায় সিনেমার প্লট আছে বলে মনে হয় না। গত পাঁচ বছরে তেমন নির্মাতাদের ছবিও পাইনি যা দিয়ে হল লাভের মুখ দেখেছে। এক্ষেত্রে, দীপংকর দীপন, রায়হান রাফি, হিমেল আশরাফদের মতো তরুনদের পৃষ্টপোষকতা করা জরুরি। তাদের দিকে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অনুদান দিয়ে পাশে দাঁড়ায় তাহলে সস্তা চিন্তায় যারা সিনেমা বানায় তাদের ‘সিনেমা’ সংক্রান্ত যে দৌড়ঝাঁপ সেগুলো বন্ধ হবে। হওয়া উচিৎ কারণ তাদের সিনেমা না আছে গল্প, না আছে বাজেট, না আছে অভিনয় শিল্পী। এসব দেখে দর্শকবিমুখ হয়। তাই সরকারি অনুদান রাফিদের মতো নির্মাতাদের দেওয়া উচিৎ”- যোগ করেন নওশাদ।
বিডিসংবাদ/আতে


























