ঢাকা ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মেট্রোরেলসহ তিন প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ ও অর্থায়ন চায় বাংলাদেশ কিশোরগঞ্জে সাবেক এমপির ছেলেকে নিরাপত্তা ঘটনায়: তদন্তে পুলিশ নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার সীতাকুণ্ডে দুর্ঘটনা: ফুটওভারব্রিজ নির্মাণের চিঠি জেলা প্রশাসকের আন্দোলন দমনে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর টুঙ্গিপাড়া প্রেস ক্লাবের ৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য প্রীতি সম্মেলন পোশাকশিল্পে অস্থিরতার নেপথ্যে রাজনৈতিক চক্রান্ত, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাঠের সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন টেনেরিফের ফুটবলার হেসুস দে মিগেল আন্দোলন শ্রমিকদের নয়, ইন্ধন দিচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুনামগঞ্জে প্রেমের বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০

বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৬ সে.মি. উপরে প্রবাহিত হচ্ছে

  • আপডেট সময় : ০৭:২৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুলাই ২০২৪
  • / 160
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

উজান থেকে আসা ঢলে বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। বন্যার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সারিয়াকান্দির বাঁধের পূর্ব পাড়ের ১৭টি ইউনিয়ন প্লবিত হয়েছে। ওইসব অঞ্চলের সাড়ে ২২ হাজার পরিবারের ৭৮ হাজার ৩২৩ জন মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে এমনটি জানিয়েছে জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া। জেলা প্রশাসক শুক্রবার নিজে বন্যা কবলিত এলাকার পানি বন্দি মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছেন।
পানি উন্নয়ণ বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হুমায়ন কবির জানান, শুক্রবার বেলা ৩টায় যমুনার পানি সারিয়াকান্দি পয়েন্টে বিপদ সীমার ৫৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় সারিয়াকান্দি পয়েন্টে যমুনার পানি ৩২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। সারিয়াকান্দি পয়েন্টে পানি উন্নয়ণ বোর্ডের দেয়া যমুনার বিপদ সীমা ১৬ দশমিক ২৫ সেন্টিমিটার। শুক্রবার বেলা ১২টায় ৫৬ সেন্টিমিটার বন্যার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ১৬ দশমিক ৮১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মতলুবর রহমান জানান, শুধু সারিয়াকান্দিতে ১০৮৫ হেক্টর জমির আউস ধান, ভূট্টা পাট ও সবজি বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।
এ দিকে বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম আজ সোনাতলা ও সারিয়াকান্দি উপজেলা বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছন । তিনি সোনাতলা উপজেলার বন্যা কবলিত মানুষের মধ্যে ৫০ টন চাল বিতরণ করেছেন। বৃহস্পতিবার তিনি সারিয়াকান্দিতে ১০০ টন চাল বন্য দুর্গতদের মধ্যে বিতরণ করেছেন।
জেলা প্রশাসক জানান, যতদিন বন্যা আছে ততোদিন বন্যা কবলিত মানুষের মধ্যে ত্রাণ দেয়া হবে। তিনি বলেন- ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ১০ লাখ টাকা, ৫০০ প্যাকেট শুকনা খাবার (ডাল,চিড়া, তেল, পাউরুটি, পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যবালেটসহ বিভিন্ন উপকরণ) পাওয়া গেছে। প্রয়োজনে জেলা প্রশাসক স্থানীয়ভাবে ত্রাণের ব্যবস্থা করবেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৬ সে.মি. উপরে প্রবাহিত হচ্ছে

আপডেট সময় : ০৭:২৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুলাই ২০২৪

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

উজান থেকে আসা ঢলে বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। বন্যার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সারিয়াকান্দির বাঁধের পূর্ব পাড়ের ১৭টি ইউনিয়ন প্লবিত হয়েছে। ওইসব অঞ্চলের সাড়ে ২২ হাজার পরিবারের ৭৮ হাজার ৩২৩ জন মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে এমনটি জানিয়েছে জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া। জেলা প্রশাসক শুক্রবার নিজে বন্যা কবলিত এলাকার পানি বন্দি মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছেন।
পানি উন্নয়ণ বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হুমায়ন কবির জানান, শুক্রবার বেলা ৩টায় যমুনার পানি সারিয়াকান্দি পয়েন্টে বিপদ সীমার ৫৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় সারিয়াকান্দি পয়েন্টে যমুনার পানি ৩২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। সারিয়াকান্দি পয়েন্টে পানি উন্নয়ণ বোর্ডের দেয়া যমুনার বিপদ সীমা ১৬ দশমিক ২৫ সেন্টিমিটার। শুক্রবার বেলা ১২টায় ৫৬ সেন্টিমিটার বন্যার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ১৬ দশমিক ৮১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মতলুবর রহমান জানান, শুধু সারিয়াকান্দিতে ১০৮৫ হেক্টর জমির আউস ধান, ভূট্টা পাট ও সবজি বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।
এ দিকে বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম আজ সোনাতলা ও সারিয়াকান্দি উপজেলা বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছন । তিনি সোনাতলা উপজেলার বন্যা কবলিত মানুষের মধ্যে ৫০ টন চাল বিতরণ করেছেন। বৃহস্পতিবার তিনি সারিয়াকান্দিতে ১০০ টন চাল বন্য দুর্গতদের মধ্যে বিতরণ করেছেন।
জেলা প্রশাসক জানান, যতদিন বন্যা আছে ততোদিন বন্যা কবলিত মানুষের মধ্যে ত্রাণ দেয়া হবে। তিনি বলেন- ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ১০ লাখ টাকা, ৫০০ প্যাকেট শুকনা খাবার (ডাল,চিড়া, তেল, পাউরুটি, পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যবালেটসহ বিভিন্ন উপকরণ) পাওয়া গেছে। প্রয়োজনে জেলা প্রশাসক স্থানীয়ভাবে ত্রাণের ব্যবস্থা করবেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস