ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

বিপিএল ঘিরে চট্টগ্রামে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

  • আপডেট সময় : ১২:৩৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭
  • / 316
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ  বিপিএল ঘিরে চট্টগ্রামে গড়ে তোলা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আজ ২৪ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে দেশের ঘরোয়া আসরের সবচেয়ে এই বড় আসরের তৃতীয় পর্ব। চলবে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত।

২৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে এ আসরের সাতটি দল চট্টগ্রামে এসে পৌছেছে। যাদের নিরাপত্তায় গড়ে তোলা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী। সম্পন্ন হয়েছে মাঠের প্রস্তুতি।

সিএমপি সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম পর্বের এ খেলায় অংশ নিতে চট্টগ্রামে ইতোমধ্যে এসে পৌছেছে সাতটি দল। দলের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তায় প্রায় এক হাজার ৫০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। টহলে রয়েছে র‌্যাব সদস্যরাও।

সিএমপির কমিশনার ইকবাল বাহার এ প্রসঙ্গে বলেন, ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার স্বার্থে ইতোমধ্যে বেশকিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত চলাচলে অনুৎসাহিত করা, নগরীর প্রধান সড়ক শেখ মুজিব রোড যানজট মুক্ত রাখা এবং মোবাইল ছাড়া অন্য কোন কিছু নিয়ে মাঠে প্রবেশ না করার কথা বলেছেন তিনি।

ইকবাল বাহার বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে আসা সাতটি দলের পাঁচটি দল হোটেল রেডিসন ব্লুতে, বাকি দুটি দলের একটি প্যানিনসুলা এবং আরেকটি আগ্রাবাদ হোটেলে অবস্থান করছে। আমরা প্রতিটি টিমকে নিরাপত্তার স্বার্থে বলে দিয়েছি ক্রিকেটাররা যাতে ব্যক্তিগতভাবে চলাচল না করে। একান্তে প্রয়োজন হলে প্রতিটি হোটেলেই পুলিশ টিম থাকবে। তাদের সঙ্গে নিয়ে যেন বের হন।

ইকবাল বাহার জানান, বিপিএলের সবগুলো খেলাই হবে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। মাঠের পরিচর্যার কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এম আজিজ স্টেডিয়ামে অনুশীলন করবে বিভিন্ন দল। মাঠে দর্শকরা শুধুমাত্র মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। পানির বোতলসহ অন্য কোনো খাদ্যসামগ্রী নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। জাতীয় পতাকা আর প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রবেশ করা যাবে, তবে লাঠিবিহীন হতে হবে।

পুলিশ কমিশনার বলেন, মাঠে পানিসহ অন্যান্য খাদ্য পাওয়া যাবে। সেখান থেকে কিনে খেতে হবে। বাইরে থেকে কোনো কিছু নিয়ে মাঠে প্রবেশ করা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্বে নিরাপত্তায় কাজ করবে ১৫০০ পুলিশ সদস্য। অবশ্য খেলা চলাকালীন মাঠে ১১০০ পুলিশ কাজ করবেন। সবমিলিয়ে ১৫০০ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বলেন, নগরীর প্রধান সড়ক শেখ মুজিব রোডকে যানজট মুক্ত রাখতে হচ্ছে। এটা বেশিক্ষণ অবরুদ্ধ করে রাখা মানে যানজট বাড়ানো। তাই আমরা চাইবো খেলোয়াড়দের কম সময়ে আনা নেওয়ার কাজটা সারতে।

টিকিট নিয়ে যাতে দর্শকদের ভোগান্তি এড়াতে খেলা শুরুর চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা আগে থেকেই টিকেট বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) বুথে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। বিটাক মোড় ও এম এ আজিজ স্টেডিয়াম এলাকার নির্দিষ্ট কাউন্টার থেকে আজ শুক্রবার সকাল থেকে দর্শকরা টিকিট সংগ্রহ করছেন।

খেলা চলাকালীন নিরাপত্তা নিয়ে কড়কাড়ি থাকায় সাগরিকা এলাকায় বিভিন্ন অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা ভোগান্তিতে পড়েন। প্রায় সময় তারা সেদিকে প্রবেশ করতে পারে না। তাই তাদের জন্য এবার আলাদা স্টিকারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যা দেখিয়ে তারা নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে যেতে পারবেন বলে জানান পুলিশ কমিশনার।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিপিএল ঘিরে চট্টগ্রামে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

আপডেট সময় : ১২:৩৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ  বিপিএল ঘিরে চট্টগ্রামে গড়ে তোলা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আজ ২৪ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে দেশের ঘরোয়া আসরের সবচেয়ে এই বড় আসরের তৃতীয় পর্ব। চলবে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত।

২৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে এ আসরের সাতটি দল চট্টগ্রামে এসে পৌছেছে। যাদের নিরাপত্তায় গড়ে তোলা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী। সম্পন্ন হয়েছে মাঠের প্রস্তুতি।

সিএমপি সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম পর্বের এ খেলায় অংশ নিতে চট্টগ্রামে ইতোমধ্যে এসে পৌছেছে সাতটি দল। দলের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তায় প্রায় এক হাজার ৫০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। টহলে রয়েছে র‌্যাব সদস্যরাও।

সিএমপির কমিশনার ইকবাল বাহার এ প্রসঙ্গে বলেন, ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার স্বার্থে ইতোমধ্যে বেশকিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত চলাচলে অনুৎসাহিত করা, নগরীর প্রধান সড়ক শেখ মুজিব রোড যানজট মুক্ত রাখা এবং মোবাইল ছাড়া অন্য কোন কিছু নিয়ে মাঠে প্রবেশ না করার কথা বলেছেন তিনি।

ইকবাল বাহার বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে আসা সাতটি দলের পাঁচটি দল হোটেল রেডিসন ব্লুতে, বাকি দুটি দলের একটি প্যানিনসুলা এবং আরেকটি আগ্রাবাদ হোটেলে অবস্থান করছে। আমরা প্রতিটি টিমকে নিরাপত্তার স্বার্থে বলে দিয়েছি ক্রিকেটাররা যাতে ব্যক্তিগতভাবে চলাচল না করে। একান্তে প্রয়োজন হলে প্রতিটি হোটেলেই পুলিশ টিম থাকবে। তাদের সঙ্গে নিয়ে যেন বের হন।

ইকবাল বাহার জানান, বিপিএলের সবগুলো খেলাই হবে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। মাঠের পরিচর্যার কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এম আজিজ স্টেডিয়ামে অনুশীলন করবে বিভিন্ন দল। মাঠে দর্শকরা শুধুমাত্র মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। পানির বোতলসহ অন্য কোনো খাদ্যসামগ্রী নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। জাতীয় পতাকা আর প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রবেশ করা যাবে, তবে লাঠিবিহীন হতে হবে।

পুলিশ কমিশনার বলেন, মাঠে পানিসহ অন্যান্য খাদ্য পাওয়া যাবে। সেখান থেকে কিনে খেতে হবে। বাইরে থেকে কোনো কিছু নিয়ে মাঠে প্রবেশ করা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্বে নিরাপত্তায় কাজ করবে ১৫০০ পুলিশ সদস্য। অবশ্য খেলা চলাকালীন মাঠে ১১০০ পুলিশ কাজ করবেন। সবমিলিয়ে ১৫০০ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বলেন, নগরীর প্রধান সড়ক শেখ মুজিব রোডকে যানজট মুক্ত রাখতে হচ্ছে। এটা বেশিক্ষণ অবরুদ্ধ করে রাখা মানে যানজট বাড়ানো। তাই আমরা চাইবো খেলোয়াড়দের কম সময়ে আনা নেওয়ার কাজটা সারতে।

টিকিট নিয়ে যাতে দর্শকদের ভোগান্তি এড়াতে খেলা শুরুর চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা আগে থেকেই টিকেট বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) বুথে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। বিটাক মোড় ও এম এ আজিজ স্টেডিয়াম এলাকার নির্দিষ্ট কাউন্টার থেকে আজ শুক্রবার সকাল থেকে দর্শকরা টিকিট সংগ্রহ করছেন।

খেলা চলাকালীন নিরাপত্তা নিয়ে কড়কাড়ি থাকায় সাগরিকা এলাকায় বিভিন্ন অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা ভোগান্তিতে পড়েন। প্রায় সময় তারা সেদিকে প্রবেশ করতে পারে না। তাই তাদের জন্য এবার আলাদা স্টিকারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যা দেখিয়ে তারা নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে যেতে পারবেন বলে জানান পুলিশ কমিশনার।