ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদি রুটে ফ্লাইট বাতিলের সময় বাড়াল ইতিহাদ ও ফ্লাইদুবাই সোনাদিয়া সমুদ্রবন্দর না হওয়ায় বড় কৌশলগত সুযোগ হারিয়েছে বাংলাদেশ অর্থমন্ত্রী -: বিগত সরকারের আমলে জিডিপি’র হিসাবে গরমিল পাওয়া গেছে ইসরাইলি নির্বাচনের ফল চ্যালেঞ্জ করে আদালতে লিকুদ পার্টি প্রকৃত সফলতার পথে মুমিনের জীবনযাপনের ৮টি মৌলিক গুণ নাশকতা ও আতঙ্ক ছড়াতে বাসে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণ: ডিএমপি ইয়েমেনে সৌদি বিমান হামলায় ৩৩ জনের প্রাণহানি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠিত শেখ হাসিনাকে ফেরাতে আইনি প্রক্রিয়া চলছে: আইনমন্ত্রী আর্থিকের চেয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতিতে বিচার বিভাগের বেশি ক্ষতি: আইনমন্ত্রী

বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুবিধা বাড়াতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮
  • / 319
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ ডেস্ক: বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব বাণিজ্যে সফলতা অর্জন করতে হলে বাণিজ্য অবকাঠামো সুবিধা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। এজন্য উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় সুবিধাদি নিশ্চিত করতে দ্রত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ রিজিওনাল কানেকটিভিটি প্রকল্প-১(বিআরসিপি) এর আওতায় ন্যাশনাল ট্রেড এন্ড ট্রান্সপোর্ট ফেসিলিটেশন কমিটির প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী এখন ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো অর্থাৎ অনলাইনে স্বল্প সময়ে এবং স্বল্প খরচের ব্যবসা-বাণিজ্য জনপ্রিয়। আমদানি-রফতানির কাজে ব্যবহৃত দেশের নৌ ও স্থল বন্দরগুলোকে আধুনিক করতে হবে। সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উল্লেখ্য,আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট ভূ-অবকাঠামো এবং পদ্ধতিগত পরিঅবকাঠামোর উন্নয়ন,নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য সমন্বয় এবং দক্ষতা বৃদ্ধিকল্পে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং রফতানি বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ রিজিওনাল কানেকটিভিটি প্রকল্প-১(বিআরসিপি) গ্রহণ করেছে সরকার।

বিশ্বব্যাংক এবং বাংলাদেশ সরকার যৌথভাবে প্রকল্পে অর্থায়ন করছে। বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ,বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে।

সভায় সড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম,বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু,লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক,অর্থ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার,রেলপথ বিভাগের সচিব মোফাজ্জেল হোসেন, নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের সচিব মো. আব্দুস সামাদ,ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার,আইসিটি ডিভিশনের সচিব জুয়েনা আজিজ, প্রকল্প পরিচালক মুনীর চৌধুরী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুবিধা বাড়াতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৩০:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮

বিডিসংবাদ ডেস্ক: বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব বাণিজ্যে সফলতা অর্জন করতে হলে বাণিজ্য অবকাঠামো সুবিধা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। এজন্য উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় সুবিধাদি নিশ্চিত করতে দ্রত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ রিজিওনাল কানেকটিভিটি প্রকল্প-১(বিআরসিপি) এর আওতায় ন্যাশনাল ট্রেড এন্ড ট্রান্সপোর্ট ফেসিলিটেশন কমিটির প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী এখন ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো অর্থাৎ অনলাইনে স্বল্প সময়ে এবং স্বল্প খরচের ব্যবসা-বাণিজ্য জনপ্রিয়। আমদানি-রফতানির কাজে ব্যবহৃত দেশের নৌ ও স্থল বন্দরগুলোকে আধুনিক করতে হবে। সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উল্লেখ্য,আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট ভূ-অবকাঠামো এবং পদ্ধতিগত পরিঅবকাঠামোর উন্নয়ন,নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য সমন্বয় এবং দক্ষতা বৃদ্ধিকল্পে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং রফতানি বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ রিজিওনাল কানেকটিভিটি প্রকল্প-১(বিআরসিপি) গ্রহণ করেছে সরকার।

বিশ্বব্যাংক এবং বাংলাদেশ সরকার যৌথভাবে প্রকল্পে অর্থায়ন করছে। বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ,বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে।

সভায় সড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম,বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু,লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক,অর্থ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার,রেলপথ বিভাগের সচিব মোফাজ্জেল হোসেন, নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের সচিব মো. আব্দুস সামাদ,ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার,আইসিটি ডিভিশনের সচিব জুয়েনা আজিজ, প্রকল্প পরিচালক মুনীর চৌধুরী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।