ঢাকা ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন প্রযুক্তি ভিসা ফি ১ লাখ ডলার বহাল মার্কিন আদালতের

  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 67
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

একজন মার্কিন ফেডারেল বিচারক গতকাল মঙ্গলবার এইচ-১ বি ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত ১ লাখ ডলার ফি বহাল রেখেছেন।

যদিও তিনি স্বীকার করেছেন যে, এটি ‘মার্কিন ব্যবসা ও উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলোতে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করতে পারে।’

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

মার্কিন জেলা বিচারক বেরিল হাওয়েল ৫৬ পৃষ্ঠার এক রায়ে লিখেছেন যে ‘প্রেসিডেন্টের ‘বিস্তৃত আইনগত কর্তৃত্ব’ রয়েছে, বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে।’

গত সেপ্টেম্বর মাসে ঘোষিত ১ লাখ ডলারের ফি কার্যকর হওয়ার মাত্র ৩৬ ঘন্টা আগে কোম্পানিগুলোকে জানানো হয়, যা এটি কীভাবে কাজ করবে এবং কারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে তা নিয়ে বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।

এইচ-১ বি ভিসা ফি ট্রাম্পের বৃহত্তর অভিবাসন দমন অভিযানের অংশ। তিনি হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকে ব্যাপকভাবে অভিবাসন বিরোধী নীতি গ্রহণ করেছেন। যদিও এখন পর্যন্ত এই ভিসা সিলিকন ভ্যালিরকে লক্ষ্যবস্তু করেনি, যাদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, এইচ-১বি ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার করে আমেরিকান শ্রমিকদের বদলে কম বেতনে কাজ করতে ইচ্ছুক বিদেশি কর্মীদের আনা হচ্ছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর লটারি পদ্ধতিতে ৮৫ হাজার এইচ-১ই ভিসা প্রদান করে। এই ভিসার প্রায় তিন-চতুর্থাংশই ভারতীয় নাগরিকরা পেয়ে থাকে।

ট্রাম্পের প্রাক্তন মিত্র ইলন মাস্কসহ প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা এইচ-১বি ভিসাকে লক্ষ্যবস্তু করার বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি খাতের চাকরির শূন্যপদ পূরণের জন্য পর্যাপ্ত স্বদেশী প্রতিভা নেই।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মার্কিন প্রযুক্তি ভিসা ফি ১ লাখ ডলার বহাল মার্কিন আদালতের

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

একজন মার্কিন ফেডারেল বিচারক গতকাল মঙ্গলবার এইচ-১ বি ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত ১ লাখ ডলার ফি বহাল রেখেছেন।

যদিও তিনি স্বীকার করেছেন যে, এটি ‘মার্কিন ব্যবসা ও উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলোতে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করতে পারে।’

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

মার্কিন জেলা বিচারক বেরিল হাওয়েল ৫৬ পৃষ্ঠার এক রায়ে লিখেছেন যে ‘প্রেসিডেন্টের ‘বিস্তৃত আইনগত কর্তৃত্ব’ রয়েছে, বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে।’

গত সেপ্টেম্বর মাসে ঘোষিত ১ লাখ ডলারের ফি কার্যকর হওয়ার মাত্র ৩৬ ঘন্টা আগে কোম্পানিগুলোকে জানানো হয়, যা এটি কীভাবে কাজ করবে এবং কারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে তা নিয়ে বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।

এইচ-১ বি ভিসা ফি ট্রাম্পের বৃহত্তর অভিবাসন দমন অভিযানের অংশ। তিনি হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকে ব্যাপকভাবে অভিবাসন বিরোধী নীতি গ্রহণ করেছেন। যদিও এখন পর্যন্ত এই ভিসা সিলিকন ভ্যালিরকে লক্ষ্যবস্তু করেনি, যাদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, এইচ-১বি ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার করে আমেরিকান শ্রমিকদের বদলে কম বেতনে কাজ করতে ইচ্ছুক বিদেশি কর্মীদের আনা হচ্ছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর লটারি পদ্ধতিতে ৮৫ হাজার এইচ-১ই ভিসা প্রদান করে। এই ভিসার প্রায় তিন-চতুর্থাংশই ভারতীয় নাগরিকরা পেয়ে থাকে।

ট্রাম্পের প্রাক্তন মিত্র ইলন মাস্কসহ প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা এইচ-১বি ভিসাকে লক্ষ্যবস্তু করার বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি খাতের চাকরির শূন্যপদ পূরণের জন্য পর্যাপ্ত স্বদেশী প্রতিভা নেই।
বিডিসংবাদ/এএইচএস