রৌমারীতে ক্রিকেট খেলায় বাজি, ব্যবসায়িকে তুলে নিয়ে মারপিট
- আপডেট সময় : ১১:৩৯:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০১৯
- / 177
রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ক্রিকেট খেলা নিয়ে বাজি ধরার পাওনা টাকার দাবিতে নুরুন্নবী হোসেন (৩০) নামের এক ব্যবসায়িকে তুলে নিয়ে বেদম মারপিটের ঘটনা ঘটেছে।
এ সময় ওই ব্যবসায়ির কাছে থাকা নগদ ১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দেড়শ’ টাকার ননজুডিশিয়াল সাদা স্টাম্পে জোর করে স্বাক্ষরও নিয়ে নেয় দৃস্কৃতিকারীরা। অজ্ঞান অবস্থায় ব্যবসায়িকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গত রবিবার রৌমারী কলেজ রোডে ওই ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার চাকতাবাড়ি ঠনঠনিয়া পাড়া গ্রামের
মহিজল হকের পুত্র নুরুন্নবী হোসেন বিডি ফুডস ও বেঙ্গল বিস্কুট কোম্পানীর পণ্য সামগ্রী দোকানে দোকানে বিক্রি করেন। ঘটনার দিন ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার জন্য. দোকানে দোকানে টাকা কালেকশন করছিলেন। দুপুরের দিকে আবু সাইম ওরফে বাবলু (২৮) নামের সন্ত্রাসী তার বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে
কলেজ রোড থেকে ওই ব্যবসায়িকে তুলে নিয়ে উপজেলা ডাকবাংলোর পিছনে ফাঁকা জায়গায় নিয়ে এলোপাথারি ভাবে মারপিট করতে থাকে।
এসময় তার কাছে থাকা নগদ ১ লাখ টাকা ছিনিয়ে সাদা স্টাম্পে স্বাক্ষর নেয়া হয়। পরে অজ্ঞান অবস্থায় ব্যবসায়িকে উদ্ধার. উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
ভর্তি করা হয়। আহত নুরুন্নবী হোসেন বলেন, ‘চাকতাবাড়ি মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া বিপিএল (বাংলাদেশ প্রিমিয়াম লীগ) ক্রিকেট খেলা নিয়ে বাজি ধরেছে অনেকেই। ওই বাজির টাকা রাখা হতো আবু সাইম ওরফে বাবলুর কাছে। এ বাজি খেলায় চক্রান্ত করে আমাকে জড়ানো হয়। ওই বাবলু আমার
কাছে দেড় লাখ টাকা দাবি করে। এই টাকার জন্য আমাকে অনেক হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে সে। এর জের ধরে ঘটনার দিন আমাকে তুলে নিয়ে
আমার চোখ বের্ধে বেদম মারপিট করে। আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর দেখি আমি হাসপাতালে।’অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে একই এলাকার বাসিন্দা অভিযুক্ত আবু সাইম ওরফে বাবলু বলেন, ‘নুরুন্নবীর কাছে আমি ক্রিকেট খেলার বাজির দেড় লাখ পাই। সে টাকা না দিয়ে খালি আমাকে ঘুরায়। একারনে তার কাছ থেকে জোর করে টাকা নিয়েছি।’ তবে চাকতাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা লুৎফর রহমান, ইমাম আলী, সাইফুল ইসলাম, কুরবান আলীসহ অনেকেই জানান, ক্রিকেট খেলার বাজির টাকা নিয়ে স্থানীয় ভাবে বিচার বসা হয়েছিল।
বৈঠকে বাবলু নামের ব্যক্তি যে নুরুন্নবী হোসেনের কাছে টাকা পায় তার কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ দেখাতে পারেনি।
এ প্রসঙ্গে রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিলওয়ার হোসেন ইনাম জানান, অভিযোগ পেয়েছি। ছিনতাইয়ের বিষয় তদন্ত করা হচ্ছে।’

























