ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপত্তা ঝুঁকিতে শাহ আমানত বিমানবন্দর: রানওয়েতে দফায় দফায় সম্পদ নুরের বক্তৃতায় মগবাজার-বাংলামোটর তোলপাড়: মন্তব্য রাশেদ খাঁনের প্রকাশ্যে সমালোচনা করে জরিমানা গুনলেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হুতিদের হামলা: নিহত ৫ গাজীপুরে ইয়াবাসহ আটক অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ছিনিয়ে নিতে রেলওয়ে কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ ও বিজ্ঞানীদের সুযোগ বাড়ানোর নির্দেশ রাষ্ট্রপতির বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারে আট সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে চায়না এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়ন চাইলেন জ্বালানিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ নিরাপত্তায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস লালমোহনে নজরুল বর্ষ উদযাপন

সিলেট টেস্টের প্রথম দিন এগিয়ে জিম্বাবুয়ে

  • আপডেট সময় : ০১:০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • / 257
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খেলাধুলা ডেস্ক
সিলেট টেস্টে জিম্বাবুয়ের শুরুটা এরচেয়ে ভালো বোধহয় হতেই পারত না। প্রথমদিন দুই সেশনের মধ্যেই বাংলাদেশকে অলআউট করল ১৯১ রানে। শেষ বিকেলে ব্যাট করতে নেমে শুরুটাও হলো দুর্দান্ত। দুই ওপেনার ব্রায়ান বেনেট-বেন কারানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে বিনা উইকেটে ৬৭ রান তুলে প্রথম দিনের খেলা শেষ করল জিম্বাবুয়ে। আগামীকাল দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করবে ১২৪ রানে পিছিয়ে থেকে।

অবশ্য আজ আলোকস্বল্পতায় নির্ধারিত সময়ের সাথে অতিরিক্ত ত্রিশ মিনিট যোগ করার পরেও দিনের খেলার বাকি ছিল প্রায় ১৫ ওভার। দিনের নির্ধারিত ৯০ ওভার খেলা হলে জিম্বাবুয়ের দলীয় সংগ্রহ একশো পেরিয়ে যেতে পারত আজই।

দুই জিম্বাবুইয়ান ওপেনার আজ শেষ সেশনে বাংলাদেশের বোলারদের সুযোগ দেননি বলেই চলে। তবে ইনিংসের অষ্টম ওভারে খালেদ আহমেদের বলে কারানের ব্যাট ছুঁয়ে বেরিয়ে গেছে স্লিপ কর্ডন ফুঁড়ে। ১৪তম ওভারে নাহিদ রানার বলে বেনেটের আপার কাট উড়ে যায় দ্বিতীয় স্লিপের ওপর দিয়ে। বোলাররা চ্যালেঞ্জ যা ছুঁড়তে পেরেছেন সেই দুইবারই।

নাহিদ রানা অবশ্য ইনিংসের শুরুর দিকে বেস ভুগিয়েছেন দুজনই, বিশেষত বেনেটকে। ১৪০ কিমি/ঘণ্টা বেগের বলগুলো বেরিয়ে গেছে স্টাম্প আর ব্যাটের কানার পাশ দিয়ে। যদিও সেসব চ্যালেঞ্জ ব্যাট হাতে দারুণভাবে সামলেছেন দুজন মিলে। ৩৭ বলে ৬ চারে ৪০ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন বেনেট, আর বাঁহাতি কারানের ব্যাট থেকে এসেছে ৪৯ বল৩ ১৭* রান।

এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে এক রানের ব্যবধানে দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। সাদমান ইসলামের পর মাহমুদুল হাসান জয়কে জোড়া আঘাতে ফিরিয়েছেন ভিক্টর নুয়াচি। ৬৬ রানের জুটিতে সেই চাপ সামলে ওঠেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। অবশ্য লাঞ্চের পর শান্তর বিদায়েই শুরু হয় বাংলাদেশের ব্যাটিং ধ্বস। পাঁচে নেমে মুশফিকুর রহিম ইনিংস বড় করতে পারেননি। ফিফটি ছুঁয়েও নিজের উইকেট গিফট করে এসেছেন মুমিনুল। ব্যর্থ হয়েছেন মিরাজও।

দ্বিতীয় সেশনে মাত্র ৭০ রানের পাঁচ উইকেট হারায় বাংলাদেশ, ৭ উইকেটে ১৫৪ রান তুলে চা-বিরতিতে যান জাকের আলী ও হাসান মাহমুদ। জাকেরের ওপর শেষ ভরসাটা ছিল দলের, যদিও টেইলএন্ডারদের নিয়ে বেশি দূর এগোতে পারেননি তিনি। ওয়েসলে মাধেভেরেকে উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে মারতে গিয়ে কভারে ব্রায়ান বেনেটের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। চারটি চারের মারে রানের গতি কিছুটা বাড়ানো হাসান মাহমুদ বোল্ড হয়েছেন মুজারাবানির বলে। চার বল খেলে রানের খাতা খোলার আগেই শেষ ব্যাটার হিসেবে জিম্বাবুয়েকে উইকেট দিয়েছেন নাহিদ রানা।

বিডিসংবাদ ডটকম/আতে

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সিলেট টেস্টের প্রথম দিন এগিয়ে জিম্বাবুয়ে

আপডেট সময় : ০১:০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

খেলাধুলা ডেস্ক
সিলেট টেস্টে জিম্বাবুয়ের শুরুটা এরচেয়ে ভালো বোধহয় হতেই পারত না। প্রথমদিন দুই সেশনের মধ্যেই বাংলাদেশকে অলআউট করল ১৯১ রানে। শেষ বিকেলে ব্যাট করতে নেমে শুরুটাও হলো দুর্দান্ত। দুই ওপেনার ব্রায়ান বেনেট-বেন কারানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে বিনা উইকেটে ৬৭ রান তুলে প্রথম দিনের খেলা শেষ করল জিম্বাবুয়ে। আগামীকাল দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করবে ১২৪ রানে পিছিয়ে থেকে।

অবশ্য আজ আলোকস্বল্পতায় নির্ধারিত সময়ের সাথে অতিরিক্ত ত্রিশ মিনিট যোগ করার পরেও দিনের খেলার বাকি ছিল প্রায় ১৫ ওভার। দিনের নির্ধারিত ৯০ ওভার খেলা হলে জিম্বাবুয়ের দলীয় সংগ্রহ একশো পেরিয়ে যেতে পারত আজই।

দুই জিম্বাবুইয়ান ওপেনার আজ শেষ সেশনে বাংলাদেশের বোলারদের সুযোগ দেননি বলেই চলে। তবে ইনিংসের অষ্টম ওভারে খালেদ আহমেদের বলে কারানের ব্যাট ছুঁয়ে বেরিয়ে গেছে স্লিপ কর্ডন ফুঁড়ে। ১৪তম ওভারে নাহিদ রানার বলে বেনেটের আপার কাট উড়ে যায় দ্বিতীয় স্লিপের ওপর দিয়ে। বোলাররা চ্যালেঞ্জ যা ছুঁড়তে পেরেছেন সেই দুইবারই।

নাহিদ রানা অবশ্য ইনিংসের শুরুর দিকে বেস ভুগিয়েছেন দুজনই, বিশেষত বেনেটকে। ১৪০ কিমি/ঘণ্টা বেগের বলগুলো বেরিয়ে গেছে স্টাম্প আর ব্যাটের কানার পাশ দিয়ে। যদিও সেসব চ্যালেঞ্জ ব্যাট হাতে দারুণভাবে সামলেছেন দুজন মিলে। ৩৭ বলে ৬ চারে ৪০ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন বেনেট, আর বাঁহাতি কারানের ব্যাট থেকে এসেছে ৪৯ বল৩ ১৭* রান।

এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে এক রানের ব্যবধানে দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। সাদমান ইসলামের পর মাহমুদুল হাসান জয়কে জোড়া আঘাতে ফিরিয়েছেন ভিক্টর নুয়াচি। ৬৬ রানের জুটিতে সেই চাপ সামলে ওঠেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। অবশ্য লাঞ্চের পর শান্তর বিদায়েই শুরু হয় বাংলাদেশের ব্যাটিং ধ্বস। পাঁচে নেমে মুশফিকুর রহিম ইনিংস বড় করতে পারেননি। ফিফটি ছুঁয়েও নিজের উইকেট গিফট করে এসেছেন মুমিনুল। ব্যর্থ হয়েছেন মিরাজও।

দ্বিতীয় সেশনে মাত্র ৭০ রানের পাঁচ উইকেট হারায় বাংলাদেশ, ৭ উইকেটে ১৫৪ রান তুলে চা-বিরতিতে যান জাকের আলী ও হাসান মাহমুদ। জাকেরের ওপর শেষ ভরসাটা ছিল দলের, যদিও টেইলএন্ডারদের নিয়ে বেশি দূর এগোতে পারেননি তিনি। ওয়েসলে মাধেভেরেকে উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে মারতে গিয়ে কভারে ব্রায়ান বেনেটের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। চারটি চারের মারে রানের গতি কিছুটা বাড়ানো হাসান মাহমুদ বোল্ড হয়েছেন মুজারাবানির বলে। চার বল খেলে রানের খাতা খোলার আগেই শেষ ব্যাটার হিসেবে জিম্বাবুয়েকে উইকেট দিয়েছেন নাহিদ রানা।

বিডিসংবাদ ডটকম/আতে