সৌদি পাইপলাইন বন্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দামে সর্বকালের রেকর্ড
- আপডেট সময় : ১০:২৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 22
সৌদি আরবের একটি পাইপলাইন বন্ধের ঘটনার জেরে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার দেশটিতে প্রতি গ্যালন ডিজেলের গড় মূল্য ৬ দশমিক ২৩ ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানির এই নজিরবিহীন দাম বৃদ্ধির প্রভাব দেশটির সামগ্রিক বাজার ও সেবা খাতে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
জ্বালানি তেলের এই অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারেও। অপরিশোধিত তেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী; ব্রেন্ট ক্রুডের প্রতি ব্যারেলের মূল্য সর্বোচ্চ ১০৮ ডলার এবং মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম ১০৩ ডলার পর্যন্ত স্পর্শ করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত অপরিশোধিত তেলের দাম ৫০ শতাংশের বেশি এবং সাধারণ জ্বালানির দাম ৪৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার নাগাদ সাধারণ পেট্রোলের গড় দাম ৪ দশমিক ৩১ ডলারে পৌঁছেছে।
চলতি পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায়, পাইপলাইনটি বন্ধের পর রবিবার মাত্র ১৪টি, শনিবার ১২টি, শুক্রবার ১১টি এবং বৃহস্পতিবার কেবল ৯টি জাহাজ প্রণালিটি পাড়ি দিতে পেরেছে। সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় গত শুক্রবার এক বার্তায় জানিয়েছে, নিরাপত্তার খাতিরে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পাইপলাইনটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রয়োজনে একটি বৈঠক পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তেহরানের দাবি, রিয়াদের বিশেষ অনুরোধেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কেপিএমজির প্রধান অর্থনীতিবিদ ডায়ান সোয়াঙ্ক এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ডিজেলের অস্বাভাবিক বাড়তি খরচ কেবল যাতায়াত নয়, বরং বাজারে বিদ্যমান প্রায় প্রতিটি পণ্য ও সেবার ওপর নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করবে। সামগ্রিকভাবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে এই পরিস্থিতি বড় ধরণের সংকট সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

























