ঢাকা ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুই দফায় ৬ হাজার ৫৯৮ টাকা বাড়ল সোনার দাম বয়সের ভারে নুয়ে বৃদ্ধ বারেকের সংসার চলে শাপলা বিক্রির আয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ইরানের স্পিকার |: যুদ্ধের বিরুদ্ধে ‘না’ ভোট দিয়েছে মার্কিন জনগণ পোশাকশ্রমিকদের নতুন বেতন বাস্তবায়ন জানুয়ারিতে, ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত হবে কাঠামো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা প্রতিনিধিদলের সৌজন্য বৈঠক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী রিপাবলিকানদের পরাজয়ে ইরান যুদ্ধের প্রভাব স্বীকার করলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে রিপাবলিকানদের হটিয়ে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয় এনআইডি জালিয়াতি রোধে কঠোর নির্বাচন কমিশন: অনেক কর্মকর্তা বরখাস্ত

২০ বছর আগে মাদারীপুরের জোড়া খুনে ৪ জনের ফাঁসির দণ্ড হাইকোর্টে বহাল

  • আপডেট সময় : ০৫:৩৪:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪
  • / 138
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে ২০০৩ সালে ঈদুল আজহার দিন হামলার ঘটনায় জোড়া খুনের মামলায় চারজনকে বিচারিক আদালতের দেয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।
বিচারপতি সহিদুল করিম এবং বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে আজ এ রায় দেয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ মাসুদ উল হক। পলাতকদের বিরুদ্ধে ছিলেন আইনজীবী নারগিস আক্তার।
২০০৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে ঈদুল আজহার দিন আসামিরা শটগান, কাটাবন্দুক, পিস্তল ও হাতবোমা নিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সিরাজুল হক মোল্লার কর্মী সৈয়দ আলী মোল্লা ও সুলেমান মোল্লাসহ ৩৬ জনের ওপর হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলে সৈয়দ আলী মোল্লা মারা যান। পরে হাসপাতালে সুলেমান মোল্লা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকা- ঘটে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের স্বজন আইয়ুব আলী মোল্লা বাদী হয়ে ঘটনার দিনই মামলা করেন।
এ মামলার বিচার শেষে ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন রায় দেন। রায়ে চারজনের মৃত্যুদণ্ড, এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং নয় আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাণ্ডাদেশ দেয়।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন- মহিউদ্দিন হাওলাদার, সোহাগ হাওলাদার, হালিম সরদার ও হাবি শিকদার। যাবজ্জীবন দ-প্রাপ্ত ব্যক্তি শামসুল হক হাওলাদার। ১০ বছরের দ-প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন হিরু হাওলাদার, রফিক হাওলাদার, কাইয়ুম শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার, টুটুল হাওলাদার, মোস্তফা হাওলাদার, জিন্নাত খাঁ, ইদ্রিস শেখ ও সেকান্দার শেখ।
পরে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। কারাবন্দি আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

২০ বছর আগে মাদারীপুরের জোড়া খুনে ৪ জনের ফাঁসির দণ্ড হাইকোর্টে বহাল

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে ২০০৩ সালে ঈদুল আজহার দিন হামলার ঘটনায় জোড়া খুনের মামলায় চারজনকে বিচারিক আদালতের দেয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।
বিচারপতি সহিদুল করিম এবং বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে আজ এ রায় দেয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ মাসুদ উল হক। পলাতকদের বিরুদ্ধে ছিলেন আইনজীবী নারগিস আক্তার।
২০০৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে ঈদুল আজহার দিন আসামিরা শটগান, কাটাবন্দুক, পিস্তল ও হাতবোমা নিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সিরাজুল হক মোল্লার কর্মী সৈয়দ আলী মোল্লা ও সুলেমান মোল্লাসহ ৩৬ জনের ওপর হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলে সৈয়দ আলী মোল্লা মারা যান। পরে হাসপাতালে সুলেমান মোল্লা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকা- ঘটে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের স্বজন আইয়ুব আলী মোল্লা বাদী হয়ে ঘটনার দিনই মামলা করেন।
এ মামলার বিচার শেষে ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন রায় দেন। রায়ে চারজনের মৃত্যুদণ্ড, এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং নয় আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাণ্ডাদেশ দেয়।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন- মহিউদ্দিন হাওলাদার, সোহাগ হাওলাদার, হালিম সরদার ও হাবি শিকদার। যাবজ্জীবন দ-প্রাপ্ত ব্যক্তি শামসুল হক হাওলাদার। ১০ বছরের দ-প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন হিরু হাওলাদার, রফিক হাওলাদার, কাইয়ুম শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার, টুটুল হাওলাদার, মোস্তফা হাওলাদার, জিন্নাত খাঁ, ইদ্রিস শেখ ও সেকান্দার শেখ।
পরে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। কারাবন্দি আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস