ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে নবনির্মিত আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারটি আজ যান চলাচলে উন্মুক্ত হল

  • আপডেট সময় : ০১:১৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জুন ২০১৭
  • / 275
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ  চট্টগ্রাম মহানগরীর মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভার যান চলাচলের জন্য পরিক্ষামূলকভাবে উম্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।

আজ শুক্রবার সোয়া তিনটার দিকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান আবদুস ছালাম আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্লাইওভার যান চলাচলের জন্য উম্মোক্ত করার পর পরই ফ্লাইওভার দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।

অনুষ্ঠানে (সিডিএ) চেয়ারম্যান আবদুস ছালাম বলেন, নগরবাসীকে ঈদ উপহার হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে ফ্লাইওভারটি খুলে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ঈদে যানজট কমাতে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, ট্রাফিক বিভাগের অনুরোধ ছিল ফ্লাইওভার খুলে দেয়ার। তাই নির্ধারিত কাজের মেয়াদের আগেই ফ্লাইওভারটির একপাশ আজ যানবাহন চলাচলের জন্য ডানপাশের দুই লেন উম্মোক্ত করে দেয়া হয়েছে। ঈদের পরে পুরোপুরি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে

৫.২ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভারের ষোলশহর দুই নম্বর গেট এবং জিইসি মোড়ে র‌্যাম্পসহ দৈর্ঘ ৬ দশমিক ৮ কিলোমিটারে উন্নীত হয়েছে। চট্টগ্রামে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় এই ফ্লাইওভারটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৬৯৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এটি নগরীর যান চলাচলে গতিশীলতা আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম।

আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভার চালু হওয়ায় চট্টগ্রামের যান চলাচলে স্বস্তি আসবে বলে মন্তব্য করেছেন নগরীর নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ। চট্টগ্রাম জজ কোটের আইনজীবি এ বি এম রিয়াদ ও নারী উদ্যোক্তা শামসাদ শিমুল বলেন গত কয়েক বছরে মুরাদপুর-জিইসি-লালখান বাজার সড়কটিতে যানজট অনেক বেড়েছে। অফিস টাইম ও সন্ধ্যার দিকে গাড়িতে অবরুদ্ধ হয়ে থাকতে হয়। তিনি মনে করেন ওই সড়কের ওপর দিয়ে ফ্লাইওভার নির্মাণ একটি যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত। এতে নাগরিক জীবনে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে আসবে।

ফ্লাইওভার প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘অতীতে সব ফ্লাইওভারে ক্রেন দিয়ে গার্ডারগুলো তোলা হতো। আমরা এ ক্ষেত্রে লাঞ্চার দিয়ে সে কাজ করছি। বাংলাদেশে দ্রত তগতিতে নিখুঁত কাজের ক্ষেত্রে মুরাদপুর-ওয়াসা ফ্লাইওভার একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ১ জুন মুরাদপুর-ওয়াসা আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারের প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদিত হয়। পরে প্রথম সংশোধিত ডিপিপি ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর আবার একনেকে অনুমোদন হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪ সালের ১২ নভেম্বর প্রকল্পটির ভৌত কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চট্টগ্রামে নবনির্মিত আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারটি আজ যান চলাচলে উন্মুক্ত হল

আপডেট সময় : ০১:১৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জুন ২০১৭

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ  চট্টগ্রাম মহানগরীর মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভার যান চলাচলের জন্য পরিক্ষামূলকভাবে উম্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।

আজ শুক্রবার সোয়া তিনটার দিকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান আবদুস ছালাম আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্লাইওভার যান চলাচলের জন্য উম্মোক্ত করার পর পরই ফ্লাইওভার দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।

অনুষ্ঠানে (সিডিএ) চেয়ারম্যান আবদুস ছালাম বলেন, নগরবাসীকে ঈদ উপহার হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে ফ্লাইওভারটি খুলে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ঈদে যানজট কমাতে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, ট্রাফিক বিভাগের অনুরোধ ছিল ফ্লাইওভার খুলে দেয়ার। তাই নির্ধারিত কাজের মেয়াদের আগেই ফ্লাইওভারটির একপাশ আজ যানবাহন চলাচলের জন্য ডানপাশের দুই লেন উম্মোক্ত করে দেয়া হয়েছে। ঈদের পরে পুরোপুরি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে

৫.২ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভারের ষোলশহর দুই নম্বর গেট এবং জিইসি মোড়ে র‌্যাম্পসহ দৈর্ঘ ৬ দশমিক ৮ কিলোমিটারে উন্নীত হয়েছে। চট্টগ্রামে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় এই ফ্লাইওভারটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৬৯৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এটি নগরীর যান চলাচলে গতিশীলতা আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম।

আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভার চালু হওয়ায় চট্টগ্রামের যান চলাচলে স্বস্তি আসবে বলে মন্তব্য করেছেন নগরীর নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ। চট্টগ্রাম জজ কোটের আইনজীবি এ বি এম রিয়াদ ও নারী উদ্যোক্তা শামসাদ শিমুল বলেন গত কয়েক বছরে মুরাদপুর-জিইসি-লালখান বাজার সড়কটিতে যানজট অনেক বেড়েছে। অফিস টাইম ও সন্ধ্যার দিকে গাড়িতে অবরুদ্ধ হয়ে থাকতে হয়। তিনি মনে করেন ওই সড়কের ওপর দিয়ে ফ্লাইওভার নির্মাণ একটি যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত। এতে নাগরিক জীবনে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে আসবে।

ফ্লাইওভার প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘অতীতে সব ফ্লাইওভারে ক্রেন দিয়ে গার্ডারগুলো তোলা হতো। আমরা এ ক্ষেত্রে লাঞ্চার দিয়ে সে কাজ করছি। বাংলাদেশে দ্রত তগতিতে নিখুঁত কাজের ক্ষেত্রে মুরাদপুর-ওয়াসা ফ্লাইওভার একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ১ জুন মুরাদপুর-ওয়াসা আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারের প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদিত হয়। পরে প্রথম সংশোধিত ডিপিপি ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর আবার একনেকে অনুমোদন হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪ সালের ১২ নভেম্বর প্রকল্পটির ভৌত কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।