ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাবে সরকার, জানালেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সেন্টমার্টিনের পথে কক্সবাজার থেকে যাত্রা করল পর্যটকবাহী ৩টি জাহাজ অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের মাটিতে প্রথম ফাইফার, ইতিহাস গড়ে উচ্ছ্বসিত হাসান মাহমুদ রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দাম বাড়ল কেজিতে ১৫ টাকা দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ থমাস ডুলি ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ

আমি সাংঘাতিক ট্রমাটাইজড : ফরহাদ মজহার

  • আপডেট সময় : ১২:১৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০১৭
  • / 354
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কবি, লেখক ও গবেষক ফরহাদ মজহার বলেছেন, ‘আমি সাংঘাতিক ট্রমাটাইজড।’ মঙ্গলবার সকালে তিনি তার পরিবার সদস্যদের সাথে কথা বলার সময় নিজের অবস্থা সম্পর্কে এ মন্তব্য করেন।

সকালে তাকে খুলনা থেকে রাজধানীর আদাবর থানায় আনার পর তার স্ত্রী ফরিদা আখতার এবং কন্যা সমতলী হক থানায় তার সাথে সাক্ষাত করেন।
ফরহাদ মজহার তাদেরকে বলেন, তার ঘাড়ে প্রচণ্ড ব্যথা ছিল। তিনি চোখ খুলতে পারছিলেন না। ফরিদা আখতার বলেন, সম্ভবত দীর্ঘ সময় চোখ বেঁধে রাখার কারণে এমন অবস্থা হয়েছে। এসময় পরিবারের পক্ষ থেকে আনা উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ তাকে দেয়া হয়। এ সময় তার সাথে শারীরিক অবস্থা ছাড়া আর কোনো কথা হয়নি বলে জানান ফরিদা আখতার।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আমি সাংঘাতিক ট্রমাটাইজড : ফরহাদ মজহার

আপডেট সময় : ১২:১৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০১৭

কবি, লেখক ও গবেষক ফরহাদ মজহার বলেছেন, ‘আমি সাংঘাতিক ট্রমাটাইজড।’ মঙ্গলবার সকালে তিনি তার পরিবার সদস্যদের সাথে কথা বলার সময় নিজের অবস্থা সম্পর্কে এ মন্তব্য করেন।

সকালে তাকে খুলনা থেকে রাজধানীর আদাবর থানায় আনার পর তার স্ত্রী ফরিদা আখতার এবং কন্যা সমতলী হক থানায় তার সাথে সাক্ষাত করেন।
ফরহাদ মজহার তাদেরকে বলেন, তার ঘাড়ে প্রচণ্ড ব্যথা ছিল। তিনি চোখ খুলতে পারছিলেন না। ফরিদা আখতার বলেন, সম্ভবত দীর্ঘ সময় চোখ বেঁধে রাখার কারণে এমন অবস্থা হয়েছে। এসময় পরিবারের পক্ষ থেকে আনা উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ তাকে দেয়া হয়। এ সময় তার সাথে শারীরিক অবস্থা ছাড়া আর কোনো কথা হয়নি বলে জানান ফরিদা আখতার।