ব্রাজিলে পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৯
- আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
- / 942
মীর আহমেদ মীরু, ব্রাজিল থেকেঃ ব্রাজিলে ৫২’র ভাষা আন্দোলনে শহীদ সকল ভাষা সৈনিকদের প্রতি ভালবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতে পালিত হল আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মাতৃভাষা দিবস।
পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র বাংলাদেশে নিজ মায়ের ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করে এক দৃষ্ঠান্ত উপস্থাপন করেছিল বাঙালীর বীর ভাষাসৈনিকরা। এদের মধ্যে ছিলেন সালাম,বরকত,রফিক,শফিক এবং জব্বারসহ আরো অনেকে। সকলের আত্নত্যাগে বাংলা পেয়েছে মর্যাদা এবং রাষ্ট্রভাষা হয়েছে বাংলা।
সেই মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করা ভাষা সৈনিকদের স্বরণে ব্রাজিলের সাও পাওলোতে বাংলাদেশ দূতাবাস ব্রাসিলিয়ার আয়োজনে পালিত হয় মহান একুশে ও আন্তর্জআতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৯।
এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মো. জুলফিকার রহমান, দূতাবাস প্রধান সামিয়া ইসলাম রনি এবং কাউন্সিলর আবদুল্লাহ আল-মামুন।
উক্ত অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে তাদের প্রতি তৈরী স্মৃতিস্তম্বে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়। এরপর তাদের স্বরণে পালন করা হয় দু’মিনিট নীরবতা।
ভাষা শহীদদের উদ্দেশ্যে বিশেষ মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুসাঙ্গিক কার্যক্রম শুরু হয় এবং মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর দেয়া বাণীপাঠ উপস্থাপন করা হয়।
এ সময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির শুভেচ্ছা বক্তব্যে রাখেন বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মো. জুলফিকার রহমান।
প্রবাসীদের সম্মিলনে আয়োজিত এই দিবসে মো. জুলফিকার রহমান প্রবাসীদের উদ্দেশ্য বলেন, ‘ব্রাজিলে বসবাসরত প্রবাসীরা দেশের সম্পদ। তাদের উপার্জিত অর্থ দিয়ে দেশে রেমিটেন্স বৃদ্ধি পায়। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে এই আয়োজনে তাদের সমস্যা ও অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে সংশোধন করার সরকারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং সহযোগিতা নেওয়ার আশ্বাস দিলাম।
ব্রাজিলে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জীবন-যাপন ও তাদের সমস্যা নিয়ে এক মতবিনিমর সভা হয়। সেখানে বসবাসরত প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ-অভিযোগ এবং তাদের দাবি নিয়ে রাষ্ট্রদূতের সাথে আলোচনা করা হয়।
এ সময় দূতালয় প্রধান সামিয়া ইসলাম রনি এবং কাউন্সিলর আবদুল্লাহ আল-মামুন বিশেষ বিশেষ বক্তব্য রাখেন।
সবশেষে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং নৈশভোজের মধ্য দিয়ে এই আয়োজন শেষ করা হয়। সাংস্কৃতিক প্রোগ্রামে ছিল ব্রাজিল বাংলা ব্যন্ড দলের মনোরম সঙ্গীত এবং শিশুদের খালি গলায় কবিতা পাঠ ও গান পরিবেশন করা হয়।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল ব্রাজিলের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ও অতিথিবৃন্দ ।
দেখুন ভিডিও
বিডিসংবাদ/এএইচএস




















