ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদি ফ্লাইট সংকট: কর্মস্থলে ফিরতে হিমশিম খাচ্ছেন প্রবাসী কর্মীরা দিল্লিতে ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন তরুণ ভোটাররা দিল্লিতে ‘তেরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচির আগে আটক অভিজিৎ দীপকে শ্রীপুরে পরিত্যক্ত বোতল কুড়িয়ে বিপত্তি সাবেক এসবি প্রধান মনিরুলের পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ সৌদিতে হামলার ঘটনায় আটকে পড়া পাবনার ৫০ যাত্রী দেশে পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় আহত ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক কুমিল্লায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে যুবদল নেতার মৃত্যু পাবনায় ইয়াবা-গাঁজাসহ পাঁচ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

১৫ এপ্রিল থেকে রাজধানীতে বন্ধ সিটিং সার্ভিস বাস

  • আপডেট সময় : ০১:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০১৭
  • / 399
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীতে গণপরিবহনে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে রাজধানী ঢাকায় কোনো গেটলক অথবা সিটিং সার্ভিস থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে পরিবহন মালিক সমিতি। কারণ হিসেবে সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, এসব বাস-মিনিবাসের নামে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়। যাত্রাপথে দাঁড়িয়ে থাকার পরও যাত্রীরা ওঠার সুযোগ পায় না। তারই প্রেক্ষিতে ঢাকার রাস্তায় স্পেশাল সার্ভিস বাস বা  মিনিবাসও চলতে পারবে না।

মঙ্গলবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েতুল্যাহ সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১৫ তারিখের পর যাত্রীদের কাছ থেকে কোনভাবেই অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া যাবে না। ভাড়ার তালিকা বাসের ভেতর দৃশ্যমান স্থানে টানিয়ে রাখতে হবে। ছাদের ওপরে ক্যারিয়ার সাইট অ্যাঙ্গেল ও ভেতরের অতিরিক্ত আসন খুলে ফেলতে হবে। প্রতিটি বাস ও মিনিবাসে নারী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা আসন সংরক্ষণ করতে হবে। রং চটা, রংবিহীন, জরাজীর্ণ বাস মেরামত করে রাস্তায় নামাতে হবে। এর জন্য একমাস সময় দেওয়া হবে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা পরিদর্শন করা হবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিআরটিএ এবং ডিএমপিকে চিঠি দেওয়া হবে।

ঢাকায় পরিবহন খাতে প্রচুর চাঁদাবাজির অভিযোগে ব্যাপারে খন্দকার এনায়েতুল্যাহ বলেন, কোম্পানির নামে বাস চলাচল শুরুর পরই চাঁদাবাজি বেড়েছে। একজন মালিকের গাড়ি থাক বা না থাক ওই মালিকের অধীনে চাঁদা দিয়ে গাড়ি চালায়। এ ছাড়া ডিএমপিকে প্রতিদিন ১০৭টা বাস রিকুইজিশনে দিতে হয়। এ জন্য পুলিশ বাস মালিককে দেয় ৩০০ টাকা। এ টাকায় শ্রমিকের বেতন দেওয়া যায় না। মালিকের কিছুই থাকে না।

এর আগে সব মালিকেরা এক বৈঠক করেন। বৈঠকে নতুন মোটরযান খসড়া আইনের আইন অমান্য করার জন্য প্রচুর জরিমানার ব্যাপারটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নিয়ম অমান্য করলে জরিমানা কমানোর জন্য আন্দোলনে যেতে চায় মালিক পক্ষ। তারা এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

১৫ এপ্রিল থেকে রাজধানীতে বন্ধ সিটিং সার্ভিস বাস

আপডেট সময় : ০১:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০১৭

রাজধানীতে গণপরিবহনে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে রাজধানী ঢাকায় কোনো গেটলক অথবা সিটিং সার্ভিস থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে পরিবহন মালিক সমিতি। কারণ হিসেবে সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, এসব বাস-মিনিবাসের নামে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়। যাত্রাপথে দাঁড়িয়ে থাকার পরও যাত্রীরা ওঠার সুযোগ পায় না। তারই প্রেক্ষিতে ঢাকার রাস্তায় স্পেশাল সার্ভিস বাস বা  মিনিবাসও চলতে পারবে না।

মঙ্গলবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েতুল্যাহ সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১৫ তারিখের পর যাত্রীদের কাছ থেকে কোনভাবেই অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া যাবে না। ভাড়ার তালিকা বাসের ভেতর দৃশ্যমান স্থানে টানিয়ে রাখতে হবে। ছাদের ওপরে ক্যারিয়ার সাইট অ্যাঙ্গেল ও ভেতরের অতিরিক্ত আসন খুলে ফেলতে হবে। প্রতিটি বাস ও মিনিবাসে নারী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা আসন সংরক্ষণ করতে হবে। রং চটা, রংবিহীন, জরাজীর্ণ বাস মেরামত করে রাস্তায় নামাতে হবে। এর জন্য একমাস সময় দেওয়া হবে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা পরিদর্শন করা হবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিআরটিএ এবং ডিএমপিকে চিঠি দেওয়া হবে।

ঢাকায় পরিবহন খাতে প্রচুর চাঁদাবাজির অভিযোগে ব্যাপারে খন্দকার এনায়েতুল্যাহ বলেন, কোম্পানির নামে বাস চলাচল শুরুর পরই চাঁদাবাজি বেড়েছে। একজন মালিকের গাড়ি থাক বা না থাক ওই মালিকের অধীনে চাঁদা দিয়ে গাড়ি চালায়। এ ছাড়া ডিএমপিকে প্রতিদিন ১০৭টা বাস রিকুইজিশনে দিতে হয়। এ জন্য পুলিশ বাস মালিককে দেয় ৩০০ টাকা। এ টাকায় শ্রমিকের বেতন দেওয়া যায় না। মালিকের কিছুই থাকে না।

এর আগে সব মালিকেরা এক বৈঠক করেন। বৈঠকে নতুন মোটরযান খসড়া আইনের আইন অমান্য করার জন্য প্রচুর জরিমানার ব্যাপারটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নিয়ম অমান্য করলে জরিমানা কমানোর জন্য আন্দোলনে যেতে চায় মালিক পক্ষ। তারা এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করবেন।