ঢাকা ০৩:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সেন্টমার্টিনের পথে কক্সবাজার থেকে যাত্রা করল পর্যটকবাহী ৩টি জাহাজ অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের মাটিতে প্রথম ফাইফার, ইতিহাস গড়ে উচ্ছ্বসিত হাসান মাহমুদ রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দাম বাড়ল কেজিতে ১৫ টাকা দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ থমাস ডুলি ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ দেশে সার উৎপাদন বাড়াতে তিনটি নতুন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা

চুয়েটে উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের লাগাতার শাটডাউন

  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 26
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দ্বিতীয় দিনে গড়িয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক তালাবদ্ধ রেখে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন তারা। একই সঙ্গে প্রশাসনিক ভবন ও ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক কার্যক্রম অচল হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ক্যাম্পাসে কোনো ক্লাস বা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি বলে জানিয়েছেন ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।

বিক্ষোভের অংশ হিসেবে বুধবার সকাল ১১টা ২০ মিনিটের দিকে শহীদ মিনার চত্বরে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। আন্দোলনকারীদের ভাষ্যমতে, সংগৃহীত এই স্বাক্ষরগুলো পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। প্রধান ফটক বন্ধ থাকায় ক্যাম্পাসের ভেতরে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে অধ্যাপক সায়েমকে স্বপদে ফিরিয়ে আনার দাবিতে নানা স্লোগান দিচ্ছেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, গত ২৭ জুলাই যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় গত ২১ সেপ্টেম্বর তাকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই রাতেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে চুয়েট শিক্ষক সমিতিও উপাচার্য ভবনের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।

যন্ত্রকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফারহান হাসনাত আদিব বলেন, অধ্যাপক সায়েমকে অব্যাহতির খবরে ২১ সেপ্টেম্বর রাতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে তারা সর্বাত্মক শাটডাউন ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। দাবি না মানা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। একই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী যুলকারনাইন মিহাদ জানিয়েছেন, তাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো ড. সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনরায় দেখতে পাওয়া।

আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ও উপাচার্য ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দেন। নতুন নিয়োগ পাওয়া উপাচার্যের যোগদান বা দায়িত্ব গ্রহণের সিদ্ধান্ত তারা কোনোভাবেই মেনে নেবেন না বলে স্পষ্ট করেছেন। একাডেমিক ও প্রশাসনিক স্থবিরতা কাটাতে এবং শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণে কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, এখন সেটিই দেখার বিষয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পাশাপাশি দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের শাটডাউন কর্মসূচি চলবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা সায়েম স্যারকেই উপাচার্য হিসেবে চাই।’।

নিউজটি শেয়ার করুন

চুয়েটে উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের লাগাতার শাটডাউন

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দ্বিতীয় দিনে গড়িয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক তালাবদ্ধ রেখে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন তারা। একই সঙ্গে প্রশাসনিক ভবন ও ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক কার্যক্রম অচল হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ক্যাম্পাসে কোনো ক্লাস বা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি বলে জানিয়েছেন ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।

বিক্ষোভের অংশ হিসেবে বুধবার সকাল ১১টা ২০ মিনিটের দিকে শহীদ মিনার চত্বরে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। আন্দোলনকারীদের ভাষ্যমতে, সংগৃহীত এই স্বাক্ষরগুলো পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। প্রধান ফটক বন্ধ থাকায় ক্যাম্পাসের ভেতরে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে অধ্যাপক সায়েমকে স্বপদে ফিরিয়ে আনার দাবিতে নানা স্লোগান দিচ্ছেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, গত ২৭ জুলাই যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় গত ২১ সেপ্টেম্বর তাকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই রাতেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে চুয়েট শিক্ষক সমিতিও উপাচার্য ভবনের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।

যন্ত্রকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফারহান হাসনাত আদিব বলেন, অধ্যাপক সায়েমকে অব্যাহতির খবরে ২১ সেপ্টেম্বর রাতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে তারা সর্বাত্মক শাটডাউন ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। দাবি না মানা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। একই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী যুলকারনাইন মিহাদ জানিয়েছেন, তাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো ড. সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনরায় দেখতে পাওয়া।

আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ও উপাচার্য ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দেন। নতুন নিয়োগ পাওয়া উপাচার্যের যোগদান বা দায়িত্ব গ্রহণের সিদ্ধান্ত তারা কোনোভাবেই মেনে নেবেন না বলে স্পষ্ট করেছেন। একাডেমিক ও প্রশাসনিক স্থবিরতা কাটাতে এবং শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণে কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, এখন সেটিই দেখার বিষয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পাশাপাশি দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের শাটডাউন কর্মসূচি চলবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা সায়েম স্যারকেই উপাচার্য হিসেবে চাই।’।