ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আফ্রিকার সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের ডাক দিলেন সিসি শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: ভারতীয় হাইকমিশনার শাহজালালে যাত্রীসেবার মান যাচাইয়ে মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন সব সমস্যার সমাধান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই করবেন: রাশেদ খাঁন বগুড়ায় পুকুরে ডুবে সাত বছরের শিশুর মৃত্যু ট্রাম্পের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক ও জুবাইদা রহমান মনপুরায় ডেঙ্গু ও পানিবাহিত রোগ রুখতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঢাকার মাদক ব্যবসায় শিশুদের সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন উদ্বেগ শেখ হাসিনাকে ফেরানোর নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই: দীনেশ ত্রিবেদী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ৪ শীর্ষ নেতা কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার

শাহজালালে যাত্রীসেবার মান যাচাইয়ে মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা ও ব্যাগেজ ডেলিভারি ব্যবস্থার হালচাল দেখতে গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আকস্মিক পরিদর্শনে যান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বিমানবন্দরের কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ ও সেবার মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তিনি এই সফরে যান। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি বিমানবন্দরে যান এবং সেখানে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনের শুরুতেই মন্ত্রী সরাসরি লাগেজ বেল্ট এলাকায় উপস্থিত হন। সেখানে তিনি বিমান থেকে নামার পর লাগেজ সংগ্রহের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। মন্ত্রী যাত্রীদের কাছে জানতে চান, বিমান থেকে নামার পর কত দ্রুত তারা লাগেজ হাতে পাচ্ছেন, ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার জটিলতা আছে কি না এবং সার্বিক যাত্রীসেবার মান কেমন। যাত্রীরা তাদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ব্যাগেজ ডেলিভারি ব্যবস্থার প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লাগেজ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

যাত্রীদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার পর মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত রাখার ওপর বিশেষ তাগিদ দেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, বিমানবন্দরের প্রতিটি কার্যক্রমে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও সন্তুষ্টিই হওয়া উচিত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। যাত্রীদের যাতে কোনোভাবেই অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের আরও বেশি তৎপর থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

বিশেষভাবে ব্যাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের সময় কমিয়ে আনা এবং যাত্রীদের অপেক্ষার সময়কাল কমানোর বিষয়ে মন্ত্রী গুরুত্বারোপ করেন। লাগেজ পাওয়ার পর টার্মিনাল ত্যাগ করার প্রক্রিয়াটি যেন আরও দ্রুত ও সহজ হয়, সে বিষয়েও তিনি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় যাত্রীদের লাগেজ বহনের সুবিধার জন্য বিমানবন্দরে ট্রলির সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির নির্দেশ দেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। পর্যাপ্ত ট্রলি না থাকলে যাত্রীরা যে ধরনের ভোগান্তিতে পড়েন, তা দূর করতে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন মন্ত্রী।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী বিমানবন্দরের সার্বিক কার্যক্রমে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। সেবামূলক বিষয়গুলো নিয়মিত তদারকি করা এবং তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। মন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনা ও যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই মাঠ পর্যায়ের পরিদর্শন পরিচালিত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহজালালে যাত্রীসেবার মান যাচাইয়ে মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

আপডেট সময় : ০৬:১৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা ও ব্যাগেজ ডেলিভারি ব্যবস্থার হালচাল দেখতে গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আকস্মিক পরিদর্শনে যান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বিমানবন্দরের কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ ও সেবার মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তিনি এই সফরে যান। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি বিমানবন্দরে যান এবং সেখানে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনের শুরুতেই মন্ত্রী সরাসরি লাগেজ বেল্ট এলাকায় উপস্থিত হন। সেখানে তিনি বিমান থেকে নামার পর লাগেজ সংগ্রহের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। মন্ত্রী যাত্রীদের কাছে জানতে চান, বিমান থেকে নামার পর কত দ্রুত তারা লাগেজ হাতে পাচ্ছেন, ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার জটিলতা আছে কি না এবং সার্বিক যাত্রীসেবার মান কেমন। যাত্রীরা তাদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ব্যাগেজ ডেলিভারি ব্যবস্থার প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লাগেজ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

যাত্রীদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার পর মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত রাখার ওপর বিশেষ তাগিদ দেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, বিমানবন্দরের প্রতিটি কার্যক্রমে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও সন্তুষ্টিই হওয়া উচিত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। যাত্রীদের যাতে কোনোভাবেই অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের আরও বেশি তৎপর থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

বিশেষভাবে ব্যাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের সময় কমিয়ে আনা এবং যাত্রীদের অপেক্ষার সময়কাল কমানোর বিষয়ে মন্ত্রী গুরুত্বারোপ করেন। লাগেজ পাওয়ার পর টার্মিনাল ত্যাগ করার প্রক্রিয়াটি যেন আরও দ্রুত ও সহজ হয়, সে বিষয়েও তিনি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় যাত্রীদের লাগেজ বহনের সুবিধার জন্য বিমানবন্দরে ট্রলির সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির নির্দেশ দেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। পর্যাপ্ত ট্রলি না থাকলে যাত্রীরা যে ধরনের ভোগান্তিতে পড়েন, তা দূর করতে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন মন্ত্রী।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী বিমানবন্দরের সার্বিক কার্যক্রমে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। সেবামূলক বিষয়গুলো নিয়মিত তদারকি করা এবং তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। মন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনা ও যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই মাঠ পর্যায়ের পরিদর্শন পরিচালিত হয়েছে।