ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহজালালে সোনা পাচারের সময় আটক বিমানকর্মী ও যাত্রী জনগণের কাছে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিতের আহ্বান ড. মঈন খানের মহেশপুরে তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও সারসংকটের প্রতিবাদে জামায়াতের আফ্রিকার সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের ডাক দিলেন সিসি শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: ভারতীয় হাইকমিশনার শাহজালালে যাত্রীসেবার মান যাচাইয়ে মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন সব সমস্যার সমাধান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই করবেন: রাশেদ খাঁন বগুড়ায় পুকুরে ডুবে সাত বছরের শিশুর মৃত্যু ট্রাম্পের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক ও জুবাইদা রহমান মনপুরায় ডেঙ্গু ও পানিবাহিত রোগ রুখতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

শাহজালালে সোনা পাচারের সময় আটক বিমানকর্মী ও যাত্রী

  • আপডেট সময় : ০৯:০৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ টাকা মূল্যের সোনার বারসহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কর্মী ও একজন যাত্রীকে আটক করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। উদ্ধারকৃত সোনার ওজন ১ হাজার ৪৯ দশমিক ৪০ গ্রাম বা প্রায় ১ দশমিক ০৫ কেজি। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের হিসাবে এসব স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ১০ লাখ টাকা। স্বর্ণের বার উদ্ধারের পর বিমানবন্দর এলাকায় বিষয়টি নিয়ে তৎপরতা বাড়ানো হয়।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১১টা ২০ মিনিটে বিমানবন্দরে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এসময় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মী ওবায়দুর রহমানের দেহ তল্লাশি করে টিস্যুতে মোড়ানো অবস্থায় নয়টি সোনার বার উদ্ধার করেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। বারগুলো তার শার্টের পকেট ও কোমরের বেল্টে লুকানো ছিল। বিমানবন্দর এভসেক ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ওবায়দুর রহমানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই পাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজন যাত্রীকেও আটক করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে ওই যাত্রীর নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। জব্দকৃত সোনার উৎস এবং বিমানবন্দরে এগুলো কীভাবে প্রবেশ করানো হলো, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এ ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা জানতে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। অপর ব্যক্তি একজন যাত্রী হলেও তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চোরাচালান রোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই অভিযানটি চালানো হয়েছে। কাস্টমস আইন-২০২৩ ও সংশ্লিষ্ট প্রচলিত আইন অনুযায়ী আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধারকৃত সোনা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র তৈরির কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে চোরাচালান ঠেকাতে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো চক্রের তথ্য পাওয়া যায় কি না, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহজালালে সোনা পাচারের সময় আটক বিমানকর্মী ও যাত্রী

আপডেট সময় : ০৯:০৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ টাকা মূল্যের সোনার বারসহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কর্মী ও একজন যাত্রীকে আটক করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। উদ্ধারকৃত সোনার ওজন ১ হাজার ৪৯ দশমিক ৪০ গ্রাম বা প্রায় ১ দশমিক ০৫ কেজি। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের হিসাবে এসব স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ১০ লাখ টাকা। স্বর্ণের বার উদ্ধারের পর বিমানবন্দর এলাকায় বিষয়টি নিয়ে তৎপরতা বাড়ানো হয়।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১১টা ২০ মিনিটে বিমানবন্দরে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এসময় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মী ওবায়দুর রহমানের দেহ তল্লাশি করে টিস্যুতে মোড়ানো অবস্থায় নয়টি সোনার বার উদ্ধার করেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। বারগুলো তার শার্টের পকেট ও কোমরের বেল্টে লুকানো ছিল। বিমানবন্দর এভসেক ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ওবায়দুর রহমানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই পাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজন যাত্রীকেও আটক করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে ওই যাত্রীর নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। জব্দকৃত সোনার উৎস এবং বিমানবন্দরে এগুলো কীভাবে প্রবেশ করানো হলো, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এ ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা জানতে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। অপর ব্যক্তি একজন যাত্রী হলেও তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চোরাচালান রোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই অভিযানটি চালানো হয়েছে। কাস্টমস আইন-২০২৩ ও সংশ্লিষ্ট প্রচলিত আইন অনুযায়ী আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধারকৃত সোনা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র তৈরির কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে চোরাচালান ঠেকাতে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো চক্রের তথ্য পাওয়া যায় কি না, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।