ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অটুট প্রতিশ্রুতি: প্রধানমন্ত্রী রিজেন্ট এয়ারওয়েজের মূল প্রতিষ্ঠানের অবসায়নের নির্দেশ হাইকোর্টের ২৪ অক্টোবর নিউইয়র্কে এএবিইএ-এর দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ইসরাইলের নির্বাচনে আরব ভোট ও নেতানিয়াহুর রাজনীতির হিসাব জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই আগামীর মূল লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী দখলমুক্ত হয়ে খেলার মাঠ এখন শিশুদের জন্য উন্মুক্ত সাতক্ষীরায় আলোচিত যুবক মৃত্যুর ঘটনায় মূল অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ভিয়েতনামের কোয়াং ত্রি বিমানবন্দরে সফল কারিগরি ফ্লাইট পরিচালনা প্রধানমন্ত্রী: জাতীয় স্বার্থে সরকার সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব সুদৃঢ় পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্য ও চলাচল সাময়িক স্থগিত ইরানের

জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অটুট প্রতিশ্রুতি: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০৩:১১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 2
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং আত্মমর্যাদা অটুট রাখাই হবে আগামী বাংলাদেশের প্রধান অঙ্গীকার। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে সাভার সেনানিবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদার করতে বদ্ধপরিকর বর্তমান সরকার।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বা জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, একটি ইউনিটের পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে প্রাপ্ত এই পতাকা কেবল একটি প্রতীক নয়, বরং এটি ওই ইউনিটের গৌরবময় ইতিহাস, শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব এবং দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার চিহ্ন। তিনি বলেন, পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা প্রত্যেক সেনাসদস্যের পবিত্র দায়িত্ব। এই পতাকা অর্জনের অর্থ হলো, নতুন উদ্যমে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার গ্রহণ করা।

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার বাহিনীকে প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ ও আধুনিক করে গড়ে তুলছে।

আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর শক্তির মূলে থাকে শৃঙ্খলা, সঠিক নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও কঠোর প্রশিক্ষণ। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, প্রযুক্তি কখনও মানুষের বিকল্প হতে পারে না। তাই প্রযুক্তিগত সক্ষমতার পাশাপাশি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীকে সমন্বিত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে কাজ করতে হবে। এছাড়া দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের লক্ষ্যে দেশীয় শিল্প প্রতিষ্ঠার ওপরও তিনি জোর দেন। এর প্রকৃত শক্তি নিহিত থাকে শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ ও জনগণের আস্থার মধ্যে; সর্বোপরি চেইন অব কমান্ডের ওপর।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের তৎকালীন উপঅধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণার মাধ্যমে সশস্ত্র প্রতিরোধের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘একটি জাতির জন্ম’ নিবন্ধের কথা উল্লেখ করে বলেন, ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ও ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য অধ্যায়। তবে মনে রাখতে হবে, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর জন্ম হয়েছে। এরপর তিনি রেজিমেন্টের বাংলাভাষী কর্মকর্তা ও সৈনিকদের একত্র করে সশস্ত্র সংগ্রামে অবতীর্ণ হওয়ার নির্দেশ দেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘একটি জাতির জন্ম’ নিবন্ধের উদ্ধৃতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ রাত ২টা ১৫ মিনিটে জিয়াউর রহমান ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তা, জেসিও ও সৈনিকদের সশস্ত্র সংগ্রামে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দেন। এ কারণেই স্বাধীনতাপ্রিয় দেশপ্রেমিক জনগণ সেনাবাহিনীর যেকোনো সাফল্যকে বাংলাদেশের সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে সেনাকর্মকর্তাদের ভূমিকা সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। যেকোনো পরিস্থিতিতে বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা সচেতনভাবে মোকাবিলা করতে হবে। তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সব পর্যায়ের সদস্যদের সংবিধান, আইন ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অবিচল থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের কৌশল দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। সাইবার স্পেস, মহাকাশ, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধের বাস্তবতায় সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বাহিনীগুলো যেন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।

দেশের কল্যাণে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রতিরক্ষার পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলায়ও তারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এছাড়া জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও তাদের সুনাম বজায় রয়েছে। সদস্যদের আবাসন, চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ ও অবসরের পর সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়ে সরকার আন্তরিক বলে জানান তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় পে-স্কেলে বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৩৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ চালুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী শুধু দেশের প্রতিরক্ষার দায়িত্বই পালন করে না; দুর্যোগ, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, অগ্নিকাণ্ড ও অন্যান্য জাতীয় জরুরি পরিস্থিতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়া সেনাসদস্যদের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত করতে ‘ওয়ান র্যাং ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অনুষ্ঠানে ৭ ও ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ও ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্য, উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী প্রধান, কূটনৈতিক কোরের প্রতিনিধি এবং সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অটুট প্রতিশ্রুতি: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:১১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং আত্মমর্যাদা অটুট রাখাই হবে আগামী বাংলাদেশের প্রধান অঙ্গীকার। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে সাভার সেনানিবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদার করতে বদ্ধপরিকর বর্তমান সরকার।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বা জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, একটি ইউনিটের পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে প্রাপ্ত এই পতাকা কেবল একটি প্রতীক নয়, বরং এটি ওই ইউনিটের গৌরবময় ইতিহাস, শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব এবং দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার চিহ্ন। তিনি বলেন, পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা প্রত্যেক সেনাসদস্যের পবিত্র দায়িত্ব। এই পতাকা অর্জনের অর্থ হলো, নতুন উদ্যমে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার গ্রহণ করা।

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার বাহিনীকে প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ ও আধুনিক করে গড়ে তুলছে।

আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর শক্তির মূলে থাকে শৃঙ্খলা, সঠিক নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও কঠোর প্রশিক্ষণ। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, প্রযুক্তি কখনও মানুষের বিকল্প হতে পারে না। তাই প্রযুক্তিগত সক্ষমতার পাশাপাশি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীকে সমন্বিত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে কাজ করতে হবে। এছাড়া দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের লক্ষ্যে দেশীয় শিল্প প্রতিষ্ঠার ওপরও তিনি জোর দেন। এর প্রকৃত শক্তি নিহিত থাকে শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ ও জনগণের আস্থার মধ্যে; সর্বোপরি চেইন অব কমান্ডের ওপর।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের তৎকালীন উপঅধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণার মাধ্যমে সশস্ত্র প্রতিরোধের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘একটি জাতির জন্ম’ নিবন্ধের কথা উল্লেখ করে বলেন, ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ও ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য অধ্যায়। তবে মনে রাখতে হবে, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর জন্ম হয়েছে। এরপর তিনি রেজিমেন্টের বাংলাভাষী কর্মকর্তা ও সৈনিকদের একত্র করে সশস্ত্র সংগ্রামে অবতীর্ণ হওয়ার নির্দেশ দেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘একটি জাতির জন্ম’ নিবন্ধের উদ্ধৃতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ রাত ২টা ১৫ মিনিটে জিয়াউর রহমান ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তা, জেসিও ও সৈনিকদের সশস্ত্র সংগ্রামে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দেন। এ কারণেই স্বাধীনতাপ্রিয় দেশপ্রেমিক জনগণ সেনাবাহিনীর যেকোনো সাফল্যকে বাংলাদেশের সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে সেনাকর্মকর্তাদের ভূমিকা সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। যেকোনো পরিস্থিতিতে বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা সচেতনভাবে মোকাবিলা করতে হবে। তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সব পর্যায়ের সদস্যদের সংবিধান, আইন ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অবিচল থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের কৌশল দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। সাইবার স্পেস, মহাকাশ, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধের বাস্তবতায় সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বাহিনীগুলো যেন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।

দেশের কল্যাণে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রতিরক্ষার পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলায়ও তারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এছাড়া জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও তাদের সুনাম বজায় রয়েছে। সদস্যদের আবাসন, চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ ও অবসরের পর সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়ে সরকার আন্তরিক বলে জানান তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় পে-স্কেলে বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৩৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ চালুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী শুধু দেশের প্রতিরক্ষার দায়িত্বই পালন করে না; দুর্যোগ, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, অগ্নিকাণ্ড ও অন্যান্য জাতীয় জরুরি পরিস্থিতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়া সেনাসদস্যদের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত করতে ‘ওয়ান র্যাং ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অনুষ্ঠানে ৭ ও ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ও ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্য, উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী প্রধান, কূটনৈতিক কোরের প্রতিনিধি এবং সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা।