ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেতানিয়াহুর চেয়ে জনপ্রিয় জোহরান মামদানি, বলছে জিবিএওর জরিপ ইরানের ওপর নতুন সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভুটানকে হারিয়ে জয় দিয়ে সাফ মিশন শুরু বাংলাদেশের সাঁথিয়ায় ভাগ্নিকে নিরাপত্তা ঘটনায়: মামা আটক ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলায় আহত আরও এক ভারতীয়র প্রয়াণ ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে স্বৈরাচারী শক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনায় ২৫ মাসে ২২৫ মৃত্যুর ঘটনা: অপরাধের স্বর্গরাজ্যে আতঙ্কিত জনজীবন শাহজালাল তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানি কনসোর্টিয়ামের বড় অংশীদারত্ব খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্যে বিএনপি নেতার ছেলেকে মৃত্যুর ঘটনায়

অভাবে পড়ে নিলামে অলিম্পিক পদক বিক্রি

  • আপডেট সময় : ০১:১৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০১৭
  • / 322
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন যে সোভিয়েত জিমন্যাস্ট, সেই ওলগা করবুট তাঁর সাতটি পদক এবং ট্রফি নিলামে বিক্রি করে দিয়েছেন।

বলা হচ্ছে, অর্থনৈতিক সংকটে পড়ার কারণেই ওলগা করবাট এসব নিলামে তোলেন।

যুক্তরাষ্ট্রে এক নিলামে তাঁর দুটি স্বর্ণ এবং একটি রৌপ্য পদক সহ মোট সাতটি পদক ও ট্রফি নিলামে বিক্রি হয় এক লাখ ৮৩ হাজার ডলারে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয় মিউনিখ অলিম্পিকে জেতা একটি স্বর্ণপদক (৬৬ হাজার ডলার)।

ওলগা করবুটের জন্ম বেলারুশে, যেটি তখন সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল। ১৯৯১ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান অভিবাসী হয়ে। এখন থাকেন আরিজোনায়। রাশিয়ার একটি সংবাদ সাইট গ্যাজেটার খবর অনুযায়ী, ওলগা করবাট আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়েছিলেন।

১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে জিমন্যাস্টিকসে ওলগা করবুটের চোখ ধাঁধাঁনো সাফল্য তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। তখন তাঁর বয়স মাত্র ১৭ বছর।

তাকে ‘মিনস্কের চড়ুই’ নাম দেয়া হয়েছিল। সতের বছরের ওলগার মিষ্টি চেহারা আর নিষ্পাপ হাসি কোটি কোটি মানুষের মন জয় করে। রাতারাতি ওলগা পরিণত হন এক কিংবদন্তীতে।

সেবার ওলগা জিমন্যাস্টিকসে তিনটি স্বর্ণপদক এবং একটি রৌপ্য পদক জেতেন। ১৯৭৬ সালের মন্ট্রিল অলিম্পিকেও একটি স্বর্ণ পদক এবং একটি রৌপ্য পদক জেতেন তিনি।

পদকগুলো নিলামে বিক্রির আয়োজন করে হেরিটেজ অকশন্স। ওলগা করবুট সম্পর্কে তারা বলেছে, আজকের জীবিত জিমন্যাস্টদের মধ্যে এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে যিনি ওলগার দ্বারা অনুপ্রাণিত হননি। জিমন্যাস্টিকসকে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় করতে তার বিরাট ভূমিকা ছিল।”

অলিম্পিক গেমসে ওলগা করবুট ‘অ্যাসিমেট্রিক বারে’ যেসব খেলা দেখিয়েছিলেন তার একটিকে তার নামেই ‘করবুট ফ্লিপ’ বলা হয়। কিন্তু এটি এতটাই বিপদজনক বলে বিবেচনা করা হয় যে এখন অলিম্পিক গেমসে এটি দেখানো নিষিদ্ধ।

ইউটিউবে অবশ্য তার সেই বিখ্যাত ‘করবুট ফ্লিপ’ এখনো দেখতে পারেন যে কেউ। বারের ওপর সমারসল্ট দিয়ে শুরু হয় তাঁর এই ফ্লিপ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

অভাবে পড়ে নিলামে অলিম্পিক পদক বিক্রি

আপডেট সময় : ০১:১৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০১৭

১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন যে সোভিয়েত জিমন্যাস্ট, সেই ওলগা করবুট তাঁর সাতটি পদক এবং ট্রফি নিলামে বিক্রি করে দিয়েছেন।

বলা হচ্ছে, অর্থনৈতিক সংকটে পড়ার কারণেই ওলগা করবাট এসব নিলামে তোলেন।

যুক্তরাষ্ট্রে এক নিলামে তাঁর দুটি স্বর্ণ এবং একটি রৌপ্য পদক সহ মোট সাতটি পদক ও ট্রফি নিলামে বিক্রি হয় এক লাখ ৮৩ হাজার ডলারে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয় মিউনিখ অলিম্পিকে জেতা একটি স্বর্ণপদক (৬৬ হাজার ডলার)।

ওলগা করবুটের জন্ম বেলারুশে, যেটি তখন সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল। ১৯৯১ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান অভিবাসী হয়ে। এখন থাকেন আরিজোনায়। রাশিয়ার একটি সংবাদ সাইট গ্যাজেটার খবর অনুযায়ী, ওলগা করবাট আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়েছিলেন।

১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে জিমন্যাস্টিকসে ওলগা করবুটের চোখ ধাঁধাঁনো সাফল্য তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। তখন তাঁর বয়স মাত্র ১৭ বছর।

তাকে ‘মিনস্কের চড়ুই’ নাম দেয়া হয়েছিল। সতের বছরের ওলগার মিষ্টি চেহারা আর নিষ্পাপ হাসি কোটি কোটি মানুষের মন জয় করে। রাতারাতি ওলগা পরিণত হন এক কিংবদন্তীতে।

সেবার ওলগা জিমন্যাস্টিকসে তিনটি স্বর্ণপদক এবং একটি রৌপ্য পদক জেতেন। ১৯৭৬ সালের মন্ট্রিল অলিম্পিকেও একটি স্বর্ণ পদক এবং একটি রৌপ্য পদক জেতেন তিনি।

পদকগুলো নিলামে বিক্রির আয়োজন করে হেরিটেজ অকশন্স। ওলগা করবুট সম্পর্কে তারা বলেছে, আজকের জীবিত জিমন্যাস্টদের মধ্যে এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে যিনি ওলগার দ্বারা অনুপ্রাণিত হননি। জিমন্যাস্টিকসকে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় করতে তার বিরাট ভূমিকা ছিল।”

অলিম্পিক গেমসে ওলগা করবুট ‘অ্যাসিমেট্রিক বারে’ যেসব খেলা দেখিয়েছিলেন তার একটিকে তার নামেই ‘করবুট ফ্লিপ’ বলা হয়। কিন্তু এটি এতটাই বিপদজনক বলে বিবেচনা করা হয় যে এখন অলিম্পিক গেমসে এটি দেখানো নিষিদ্ধ।

ইউটিউবে অবশ্য তার সেই বিখ্যাত ‘করবুট ফ্লিপ’ এখনো দেখতে পারেন যে কেউ। বারের ওপর সমারসল্ট দিয়ে শুরু হয় তাঁর এই ফ্লিপ।