প্রতিবাদী মানুষের মাতা

জাহাঙ্গীর ফিরোজ

নিপীড়ন রুখে দিতে একদা দাঁড়িয়েছিলেন যে নারী
নাম তাঁর রাশিমনি,
তিনি অাজ প্রতিবাদী মানুষের জলন্ত প্রতীক;
সে কী শুধু হাজংয়ের মাতা?
না, তিনি অাজ নির্যাতিত মানুষের সাহসের জ্বলন্ত মশাল
অন্ধকার ভেদ করে দুর্গম পথে অামাদের
দেখিয়ে দিলেন দিশা

রাশিমনি মাতা তুমি অামাদের।
তোমাকে ভোলার কোন অবকাশ নেই
দেখ, তোমাকে এখন এই দুর্গাপুরে প্রতিটি
বছর
সাড়ম্বরে স্মরণ করিতে জড়ো হয় হাজারো মানুষ
তোমার স্মরণ সভাতে অামি এসেছি গো মা
মৃতপ্রায় কংস নদীর জল পার হয়ে অত:পর সোমেশ্বরী স্বচ্ছতোয়া, রাতের অাধাঁরে ক্ষয়ে যাওয়া চাঁদের অালোয় বৃষ্টিবৃক্ষের নিচে দেখি অাদিবাসী মানুষের মুখ
পাদপ্রদীপের নিচে তোমাকে স্মরণ করে হাজং নারীরা
নেচে চলেছে উচ্ছ্বাসে
অামি ও বন্ধু দুলাল অার দুনিয়া মামুন
তোমাকে প্রণাম করে তোমার মহিমা শুনে
মুগ্ধ হয়ে
মেলার প্রতিটি নারী-পুরুষের চোখে রাশিমনি মাতাকে দেখেছি বিষ্ময়ে।
মা, তুমি তো শেখালে
কোন অাত্মদানই বৃথা যায় না কখনও।