ঢাকা ০৪:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লালবাগে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর রহস্যজনক অন্তর্ধানের ঘটনায় তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে সমর্থকদের নিয়ে শপথ নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া ও চীনের উত্থান: গত ২৫ বছরে আমূল বদলে যাওয়া বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন: বিশ্বনেতাদের বরণে প্রস্তুত দিল্লি, মোদির সঙ্গে পুতিন-পেজেশকিয়ানের বৈঠক আজ একতরফা আধিপত্য রুখতে ব্রিকসের ওপর জোর দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এআই কি মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি? বড় সতর্কবার্তা দিলেন গবেষকরা মক্কা চুক্তির পর ইয়েমেনে সৌদি জোটের ব্যাপক বিমান হামলার অভিযোগ শনিবার ভারতে শুরু হচ্ছে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন, পুতিনসহ যোগ দিচ্ছেন বিশ্বনেতারা মানুষের বর্জ্য থেকে তৈরি কংক্রিট: প্রচলিত সিমেন্টের চেয়েও বেশি শক্তিশালী ও টেকসই ৯/১১ হামলা ও ইসলামভীতি: যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও বিতর্কিত কিছু তথ্য

বইমেলায় ‘খোঁপায় তারার ফুল’

  • আপডেট সময় : ১২:৫৭:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 749
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অমর একুশে বইমেলায় এসেছে তরুণ কবি জিয়া হক ও তানজিলা তাসনিমের শুভবিবাহে নিবেদিত ম্যারেজ মেমোরেন্ডাম ‘খোঁপায় তারার ফুল’। ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করেছে ‘যুক্তপ্রকাশ’। প্রচ্ছদ করেছেন বিপ্লব বিপ্রদাশ। নামলিপি (ক্যালিগ্রাফি) আরিফুর রহমান।

বইমেলার লিটল ম্যাগ চত্বরের উন্মুক্ত ১৩ (সময়ের জানালা) নং স্টলে পাওয়া যাবে ‘খোঁপায় তারার ফুল’।

জিয়া হক ও তানজিলা তাসনিমকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন— আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ, কালান্তর সম্পাদক মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান।

ছড়া-কবিতা লিখেছেন— আবু সালেহ, লুৎফর রহমান রিটন, খালেদ হোসাইন, কাজী জহিরুল ইসলাম, বুলবুল সরওয়ার, ড. তপন বাগচী, রোমেন রায়হান, সরকার আমিন, মাহফুজুর রহমান আখন্দ, জুলফিকার শাহাদাৎ, জগলুল হায়দার, অশোকেশ রায়, মনসুর আজিজ, নাসিরুদ্দীন তুসী, অদিতি বসুরায়, আতিক হেলাল, সতীশ বিশ্বাস, ব্রত রায়, আহমেদ সাব্বির, রেদওয়ানুল হক, আফসার নিজাম, পলাশ মাহবুব, আলম সিদ্দিকী, মুহিববুল্লাহ জামী, মাহমুদা ফিরদৌসীয়া কাদ্রী, মোঃ বাকী বিল্লাহ, মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মুহিব নেছার, মিতা আলী, নাজমুন নাহার, যায়েদ বিন আব্দুস সালাম, মামুন সারওয়ার, নাজমুল হাসান, আবিদ আজম, হাসনাইন ইকবাল, দেলাওয়ার জাহান, নাদিয়া জান্নাত, জিসান মেহবুব, সাদী মিনহাজ, আলমগীর রাসেল, সিফাত চাখারী, শামস আরেফিন, হাবীবাহ্ নাসরীন, বিশ্বজিৎ মিত্র, নোমান সাদিক, নাছিব মাহদী, সুজন শান্তনু, রেবেকা ইসলাম, ওয়াহিদ আল হাসান, আহাদ আলী মোল্লা, আলাউদ্দিন আদর, শারাবান তাহুরা, মাহমুদ আল ফাহাদ, আসমা আক্তার ব্লু, ইসলাম তরিক, খালিদ অ্যালেক্স, আবিদ আল আহসান, মনজুর সিদ্দিকী, আবুযর গিফারী, ইউসুফ আরেফিন মাসুদ, তরিকুল ফাহিম, মুকুল মুনীর, ইয়াছিন ফয়সাল, কহিনুর কলি, এম নাহিদ, ইউসুফ কবিয়াল, শাহ মোহাম্মদ আতিকুল্লাহ, সাজ্জাদুর রহমান ও ফয়জুল্লাহ আমান।

প্রবন্ধ-নিবন্ধ লিখেছেন— মুস্তাফা জামান আব্বাসী, রুদ্রাক্ষ রহমান, জিয়াউদ্দিন সাইমুম, কাজী আনিস, হাফিজ আল ফারুকী, সুমাইয়্যা বুলবুল, রুমানা ইসলাম স্মৃতি ও এনামুল হক।

গল্প লিখেছেন— সোহেল নওরোজ, মৌরি মুসতারি, শাহাদাত ফাহিম, আশিক মুস্তাফা, রুবাইদা গুলশান, আসিফ মামুন, ইশরাত বিনতে আফতাব, আমানুল্লাহ নোমান, রাজু আহমেদ ও জাঈনতাহুর শামস।

স্মৃতিকথা লিখেছেন— আহমেদ তেপান্তর, রফীকুল ইসলাম মুবীন, জহির উদ্দিন বাবর, আবু জাফর ছালেহী, আল নাহিয়ান, রেজা কারিম, সাইফুল ইসলাম, খলীলুর রহমান, নাহিদ তাজ , তানিম ইশতিয়াক ও মাহফুজ সাদি।

‘খোঁপায় তারার ফুল’ নিয়ে সাংবাদিক ও কলামিস্ট আহমেদ তেপান্তর বলেন, “এ কথা বলা প্রয়োজন উনবিংশ শতকের মাঝামাঝি থেকে বিংশ শতাকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ঢাকার পঞ্চায়েত বিয়েসাদিতে এমন সাহিত্য রচনার চল ছিল। এছাড়া সমাজের উচ্চবিত্তদের নেমন্ত্রণপত্রে কবিতা-ছাড়া-শ্লোক-শায়ার প্রাধান্য পেত। সময় পরিক্রমায় সে ধারাটি উঠে গেলেও একবিংশ শতকে কবি জিয়া হক স্বউদ্যোগে আস্ত একটি ‘বিয়ে’ ম্যাগাজিন প্রকাশ করে রীতিমত বাংলা সাহিত্যে একটা ধাক্কা দিয়েছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে বিয়ে নিয়ে কেউ গবেষণা করতে গেলে এ ম্যাগাজিনে বিদগ্ধ লেখকদের রচনা সহায়ক হিসেবে কাজে লাগবে তাতে সন্দেহ নেই।”

নিউজটি শেয়ার করুন

বইমেলায় ‘খোঁপায় তারার ফুল’

আপডেট সময় : ১২:৫৭:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

অমর একুশে বইমেলায় এসেছে তরুণ কবি জিয়া হক ও তানজিলা তাসনিমের শুভবিবাহে নিবেদিত ম্যারেজ মেমোরেন্ডাম ‘খোঁপায় তারার ফুল’। ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করেছে ‘যুক্তপ্রকাশ’। প্রচ্ছদ করেছেন বিপ্লব বিপ্রদাশ। নামলিপি (ক্যালিগ্রাফি) আরিফুর রহমান।

বইমেলার লিটল ম্যাগ চত্বরের উন্মুক্ত ১৩ (সময়ের জানালা) নং স্টলে পাওয়া যাবে ‘খোঁপায় তারার ফুল’।

জিয়া হক ও তানজিলা তাসনিমকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন— আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ, কালান্তর সম্পাদক মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান।

ছড়া-কবিতা লিখেছেন— আবু সালেহ, লুৎফর রহমান রিটন, খালেদ হোসাইন, কাজী জহিরুল ইসলাম, বুলবুল সরওয়ার, ড. তপন বাগচী, রোমেন রায়হান, সরকার আমিন, মাহফুজুর রহমান আখন্দ, জুলফিকার শাহাদাৎ, জগলুল হায়দার, অশোকেশ রায়, মনসুর আজিজ, নাসিরুদ্দীন তুসী, অদিতি বসুরায়, আতিক হেলাল, সতীশ বিশ্বাস, ব্রত রায়, আহমেদ সাব্বির, রেদওয়ানুল হক, আফসার নিজাম, পলাশ মাহবুব, আলম সিদ্দিকী, মুহিববুল্লাহ জামী, মাহমুদা ফিরদৌসীয়া কাদ্রী, মোঃ বাকী বিল্লাহ, মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মুহিব নেছার, মিতা আলী, নাজমুন নাহার, যায়েদ বিন আব্দুস সালাম, মামুন সারওয়ার, নাজমুল হাসান, আবিদ আজম, হাসনাইন ইকবাল, দেলাওয়ার জাহান, নাদিয়া জান্নাত, জিসান মেহবুব, সাদী মিনহাজ, আলমগীর রাসেল, সিফাত চাখারী, শামস আরেফিন, হাবীবাহ্ নাসরীন, বিশ্বজিৎ মিত্র, নোমান সাদিক, নাছিব মাহদী, সুজন শান্তনু, রেবেকা ইসলাম, ওয়াহিদ আল হাসান, আহাদ আলী মোল্লা, আলাউদ্দিন আদর, শারাবান তাহুরা, মাহমুদ আল ফাহাদ, আসমা আক্তার ব্লু, ইসলাম তরিক, খালিদ অ্যালেক্স, আবিদ আল আহসান, মনজুর সিদ্দিকী, আবুযর গিফারী, ইউসুফ আরেফিন মাসুদ, তরিকুল ফাহিম, মুকুল মুনীর, ইয়াছিন ফয়সাল, কহিনুর কলি, এম নাহিদ, ইউসুফ কবিয়াল, শাহ মোহাম্মদ আতিকুল্লাহ, সাজ্জাদুর রহমান ও ফয়জুল্লাহ আমান।

প্রবন্ধ-নিবন্ধ লিখেছেন— মুস্তাফা জামান আব্বাসী, রুদ্রাক্ষ রহমান, জিয়াউদ্দিন সাইমুম, কাজী আনিস, হাফিজ আল ফারুকী, সুমাইয়্যা বুলবুল, রুমানা ইসলাম স্মৃতি ও এনামুল হক।

গল্প লিখেছেন— সোহেল নওরোজ, মৌরি মুসতারি, শাহাদাত ফাহিম, আশিক মুস্তাফা, রুবাইদা গুলশান, আসিফ মামুন, ইশরাত বিনতে আফতাব, আমানুল্লাহ নোমান, রাজু আহমেদ ও জাঈনতাহুর শামস।

স্মৃতিকথা লিখেছেন— আহমেদ তেপান্তর, রফীকুল ইসলাম মুবীন, জহির উদ্দিন বাবর, আবু জাফর ছালেহী, আল নাহিয়ান, রেজা কারিম, সাইফুল ইসলাম, খলীলুর রহমান, নাহিদ তাজ , তানিম ইশতিয়াক ও মাহফুজ সাদি।

‘খোঁপায় তারার ফুল’ নিয়ে সাংবাদিক ও কলামিস্ট আহমেদ তেপান্তর বলেন, “এ কথা বলা প্রয়োজন উনবিংশ শতকের মাঝামাঝি থেকে বিংশ শতাকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ঢাকার পঞ্চায়েত বিয়েসাদিতে এমন সাহিত্য রচনার চল ছিল। এছাড়া সমাজের উচ্চবিত্তদের নেমন্ত্রণপত্রে কবিতা-ছাড়া-শ্লোক-শায়ার প্রাধান্য পেত। সময় পরিক্রমায় সে ধারাটি উঠে গেলেও একবিংশ শতকে কবি জিয়া হক স্বউদ্যোগে আস্ত একটি ‘বিয়ে’ ম্যাগাজিন প্রকাশ করে রীতিমত বাংলা সাহিত্যে একটা ধাক্কা দিয়েছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে বিয়ে নিয়ে কেউ গবেষণা করতে গেলে এ ম্যাগাজিনে বিদগ্ধ লেখকদের রচনা সহায়ক হিসেবে কাজে লাগবে তাতে সন্দেহ নেই।”